রংপুর নগরী থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে পাগলাপীর বন্দর নামে একটি ব্যস্ত বাজারের পাশেই সম্প্রসারিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এর ফলে দিন-রাত সব সময় যানজট লেগেই রয়েছে।
এছাড়াও পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত মহাসড়কে ৭০ থেকে ৮০টি স্পটে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, ঈদকে সামনে রেখে হাইওয়ে পাশে অবস্থিত হাট বাজারগুলো অপরিকল্পিতভাবে সম্প্রসারিত হওয়ায় এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।
জানা গেছে, পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া থেকে রংপুর হয়ে বগুড়া পর্যন্ত মহাসড়কের পাশে ৩০টিরও বেশি স্থানে প্রতিদিনই হাট-বাজার বসে। এর মধ্যে বগুড়া থেকে যমুনা সেতু, যমুনা সেতু থেকে রাজশাহী পর্যন্ত মহাসড়কের পাশে ৪০-৫০টি স্থানে সম্প্রসারিত হাট বাজার বসেছে।
প্রতিদিনই এগুলো নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠায় যানজট এবং দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
হাইওয়ের পাশেই গড়ে ওঠা হাট-বাজারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য যানজটের এলাকাগুলোর মধ্যে দশমাইল, সৈয়দপুর বাইপাস, রীরগঞ্জ, তারাগঞ্জ, পাগলাপীর, মর্ডানমোড়, দমদমা, বৈরাগীগঞ্জ, বিশমাইল, কলাবাগান, জামতলা, খেজমতপুর, মাদারহাট, ধাপের হাট, শঠিবাড়ি বাজার, বড়দরগা বাজার, পলাশবাড়ী, কোমরপুর, বালুয়া, গোবিন্দগঞ্জ, চহিরা, হারিকুটুম প্রমুখ স্থান রয়েছে।
এইসব এলাকায় গণপরিবহন ও ট্রাকচালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে এখনও ৬ লেনের উন্নয়ন কাজ চলছে। এ অবস্থায় হাট-বাজার বসানোর ফলে মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।
রড়দরগা হাইওয়ে থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, "যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে জনবল ও টহল বাড়ানো হয়েছে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের যানজট অনেক কম।"
বিডি প্রতিদিন/আশিক