কক্সবাজারের নাইক্ষ্যংছড়িতে গরু আনতে গিয়ে খুন হওয়া নারীর ঘাতককে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে জনতা। স্বর্ণের দোকানে কানের দুল বিক্রি করতে গিয়ে সন্দেহভাজন যুবক গণধোলাইয়ের পর হত্যার কথা স্বীকার করে।
আটককৃত যুবকের নাম মো. ফারুক (২৬), সে রাঙ্গাঝিরি গ্রামের নুরুল কাদেরের ছেলে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাসরুরুল হক বলেন, "ফারুককে জনতা আটক করে পুলিশে দিয়েছে। লাশের সুরতহাল তৈরি করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।"
স্থানীয় বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম জানান, শুক্রবার (২১ মার্চ) বিকেলে গরু আনতে গিয়ে নিখোঁজ হন তৈয়বা বেগম (৪৫), ঝিরি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী। সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খুঁজতে বের হন। পরে বিলের পাড়ে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
নিহতের গলায় গভীর ক্ষত, হাতের কবজি কাটা এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানান স্বজনরা। এছাড়া, মৃতদেহের কানে দুল ছিল না, যা পরে স্বর্ণের দোকানে বিক্রির সময় উদ্ধার হয়।
শনিবার (২২ মার্চ) সকালে স্থানীয় একটি স্বর্ণের দোকানে ফারুক নামে এক যুবক ওই কানের দুল বিক্রি করতে গেলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তাকে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তৈয়বা বেগমকে গলা ও হাত-পায়ের রগ কেটে হত্যার কথা স্বীকার করে।
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বলছে, হত্যার পেছনের মূল কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
বিডি প্রতিদিন/আশিক