বরগুনার আমতলীতে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণের ১০ দিন পরেও তাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় গত রবিবার বরগুনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ছাত্রীর বাবা।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ বেগম লায়লাতুল ফেরদৌস মামলাটি গ্রহণ করে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এজাহারভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি রনজুয়ারা সিপু।
মামলার আসামিরা হলেন-পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী গ্রামের আবদুর রাজ্জাক মৃধার ছেলে মো. মহিবুল্লাহ (১৭), তার বাবা আবদুর রাজ্জাক মৃধা, চাচা ফরজ মৃধা ও বন্ধু আল আমীন।
জানা যায়, বরগুনার আমতলী উপজেলার পশ্চিম সোনাখালী গ্রামের অপহৃত ছাত্রী মাদ্রাসায় নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করতো। তাকে বিয়ে করার জন্য পিছু নেয় অভিযুক্ত মহিবুল্লাহ। ছাত্রীর বাবা বিয়ে দিতে অস্বীকার করে। এজন্য মহিবুল্লাহ ক্ষিপ্ত হয়। মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে। একপর্যায়ে ৩০ জানুয়ারি মহিবুল্লাহ ও তার বন্ধু আল আমীন মাদ্রাসা ছাত্রীকে ভয় দেখিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
মামলার বাদী বলেন, আমার নাবালক মেয়েকে মহিবুল্লাহ ও তার বন্ধু আল আমীন অপহরণ করে নিয়েছে। আমার মেয়েকে হত্যা করতে পারে, বিদেশে পাচারও করতে পারে। আমার মেয়ে জীবিত নাকি মৃত, তাও জানি না। ১০ দিন হয়েছে আমার মেয়ের কোনো সন্ধান পাচ্ছি না। আমি চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছি।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বলেন, আদালতের আদেশ পেলে ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেফতার করার আপ্রাণ চেষ্টা করব।
বিডি প্রতিদিন/এমআই