অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন বহুল আলোচিত মামলার আসামি বিদ্যুৎ ঘোষ। ২০ জুলাই ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুরুতর আহত হন দুর্জয় আহমেদ। সন্ত্রাসীদের ওই হামলায় দৃষ্টিশক্তি পুরো হারিয়ে ফেলেন দুর্জয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ নভেম্বর বাড্ডা থানায় একটি মামলা করেন দুর্জয়। কিন্তু মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। তাদের আইনের আওতায় এনে বিচারের জন্য প্রধান উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টাসহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সাংবাদিকদের মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় জানিয়েছিলেন দুর্জয় আহমেদ। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি যে বার্তা দিয়েছিলেন তা হলো, ‘আমি আন্দোলনে আমার দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছি। এর পরও আমার ওপর হামলাকারীরা এখনো বিচারের আওতায় আসেনি। এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে বিদ্যুৎ ঘোষ ও কবীর আহমেদ প্রায়ই আমার বাসায় লোক পাঠিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকিধমকি দিচ্ছে। আমি মামলা তুলে নিচ্ছি না বলে এখন আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।’ অবশেষে গতকাল গ্রেপ্তার হলেন মামলার অন্যতম আসামি বিদ্যুৎ ঘোষ। দুর্জয় আহমেদের বক্তব্য থেকে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছিল কবির আহমেদ খান, বিদ্যুৎ ঘোষসহ তাদের বাহিনী। তাদের ছোড়া গুলিতে আহত হন দুর্জয়। গুলিতে তার দুটি চোখ নষ্ট হয়ে চিরদিনের জন্য তিনি অন্ধ হয়ে গেছেন।