শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩১, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫

এখনো বেঁচে আছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক

♦ যুদ্ধ করেছেন সমুদ্রপথে ♦ তাঁর চিঠির জবাব দিয়েছেন সাবেক ব্রিটিশ রানি ♦ ভাতা পাচ্ছেন ব্রিটিশ সরকার থেকে
সাইফউদ্দীন আহমেদ লেনিন, কিশোরগঞ্জ
প্রিন্ট ভার্সন
এখনো বেঁচে আছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক
আবদুল মান্নানের বাবা স্থানীয় বাজারে গিয়ে শোনেন, ব্রিটিশ সরকার সেনাবাহিনীতে লোক নেওয়ার জন্য ঢোল পিটিয়েছে। যারা আগ্রহী, তাঁরা যেন কিশোরগঞ্জ সদরের ডাকবাংলোতে গিয়ে অংশগ্রহণ করেন। এ ঘোষণা শুনে মান্নানের বাবা তাঁকে সেখানে পাঠান। ওজন, স্বাস্থ্য এবং উচ্চতার মাপে প্রাথমিক বাছাইয়ে টিকে যান মান্নান। এরপর লাইন থেকে সৈনিক বাছাই করতে আসেন এক ব্রিটিশ কর্মকর্তা। তিনি এসেই সবার বুকে জোরে থাপ্পড় মারতে থাকেন। থাপ্পড় খেয়ে অনেকেই মাটিতে পড়ে গেলেও মান্নান বুক টান করে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে উত্তীর্ণদের প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হয় পাকিস্তান ও চীনের সীমান্ত এলাকা হাসনাবাদে...

জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম ১৯১৫ সালের ৫ জুন। সে হিসাবে বর্তমান বয়স ১০৯ বছর। তবে তাঁর দাবি বয়সটা ১১৬ বছর হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক তিনি। নাম তাঁর আবদুল মান্নান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক হিসেবে ব্রিটিশ সরকার থেকে এখনো নিয়মিত ভাতা পাচ্ছেন। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের বড় আজলদী গ্রামের আবদুল রহমান ও আতর বানু দম্পতির ছেলে আবদুল মান্নান। বয়স শত বছর পেরোলেও চোখে দেখেন স্পষ্ট, কথাও বলেন কোনো রকম জড়তা ছাড়াই। শত বছর পার করা এ মানুষটি কিছুদিন আগেও কারও সাহায্য ছাড়াই চলাফেরা করতেন। কয়েক মাস আগে পায়ে সমস্যা হওয়ায় হুইল চেয়ার ব্যবহার করতে হচ্ছে। বাড়িতে গিয়ে কথা হয় আবদুল মান্নানের সঙ্গে। শত বছর পার করা এ সৈনিক এখনো ভোলেননি তখনকার স্মৃতি। বাংলার পাশাপাশি কিছুটা ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন। ইংলিশ ভাষাটা তিনি শিখেছেন ইংরেজদের কাছ থেকেই। ঘরে থাকা পুরনো ট্রাংক থেকে বের করে দেখান সে সময়কার কাগজপত্র, যুদ্ধ শেষে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠির জবাব। দেখান যুদ্ধকালীন পোশাকও। পোশাকে এখনো ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন র‌্যাংক মেডেল ঝোলানো আছে। সেই যুদ্ধের এমন তিনটি পোশাক ও বিভিন্ন কাগজপত্র এখনো যত্ন করে রেখে দিয়েছেন। ট্রাংকে থাকা এসব কাগজপত্র ও পোশাকে কাউকে হাত দিতে দেন না। মান্নান বলেন, ১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন তাঁর বাবা আবদুর রহমান স্থানীয় বাজারে গিয়ে শোনেন ব্রিটিশ সরকার সেনাবাহিনীতে লোক নেওয়ার জন্য ঢোল পিটিয়েছে। যারা আগ্রহী, তাঁরা যেন কিশোরগঞ্জ সদরের ডাকবাংলোতে গিয়ে অংশগ্রহণ করেন। এ ঘোষণা শুনে মান্নানের বাবা তাঁকে সেখানে পাঠান। ওজন, স্বাস্থ্য এবং উচ্চতার মাপে প্রাথমিক বাছাইয়ে টিকে যান মান্নান। এরপর লাইন থেকে সৈনিক বাছাই করতে আসেন এক ব্রিটিশ কর্মকর্তা। তিনি এসেই সবার বুকে জোরে থাপ্পড় মারতে থাকেন। থাপ্পড় খেয়ে অনেকেই মাটিতে পড়ে গেলেও মান্নান বুক টান করে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে উত্তীর্ণদের প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হয় পাকিস্তান ও চীনের সীমান্ত এলাকা হাসনাবাদে। প্রশিক্ষণ শেষে সেখান থেকে ৪ হাজার সৈনিক সমুদ্রপথে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেন। বড় একটি জাহাজে ছয় মাসের খাবার নিয়ে কলম্বোর দিকে রওনা দেন তাঁরা। সেই জাহাজে অস্ত্র, গোলাবারুদসহ চারটি কামান বিভিন্ন দিকে তাক করা ছিল। জাহাজে শুধু ভারত উপমহাদেশীয় সৈনিকরা ছিল। জাহাজটি টানা এক মাস আটলান্টিক মহাসাগরে তাঁদের নিয়ে মহড়া দেয়। সেখানে সৈনিকদের বলা হলো, পানিপথে অনেকেই আক্রমণ করতে আসবে। এক মাস পর আটলান্টিক মহাসাগর থেকে আবার কলম্বোয় ফিরলেন তারা। তখন কলম্বোর কাছাকাছি জার্মানির একটি জাহাজকে তাঁরা ডুবিয়ে দিয়েছিলেন। সেখান থেকে আবার হায়দরাবাদ নিয়ে আসা হয় তাঁদের। ছুটি শেষে করাচি হয়ে মিয়ানমারের দিকে রওনা দেন মান্নান। প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে হিমালয়ের নিচ দিয়ে মিয়ানমার পৌঁছায় তাদের সৈনিক দলটি। সেখানে কিছু কিছু স্থানে শত্রুপক্ষের সংবাদ পেয়ে গুলিও করেন। মিয়ানমার গিয়ে ক্যাম্প করার পরই তাঁরা সংবাদ পান হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বোমা ফেলা হয়েছে। তখনই যুদ্ধ শেষ হয়। মান্নান জানান, হিরোশিমায় যখন বোমা হামলা হলো, তখন ব্রিটিশ সৈনিকরা আমাদের ভারতীয়দের কাছে বুঝিয়ে দিয়ে তারা চলে যেতে থাকে। পাঁচ-সাতজন করে একেকটি দল ক্যাম্প ছেড়ে যাচ্ছিল। তখন আমরা জানতে চাইলাম আপনারা কোথায় যান? তখন ভারতীয় সৈনিকরা আমাদের কাছে সত্যটা গোপন করে জানায়, তারা কোয়ার্টারে যাচ্ছে। তবে সত্যিটা হলো, সব ব্রিটিশ সৈনিক তখন আমাদের ক্যাম্পে রেখেই ফ্লাইটে লন্ডন চলে যাচ্ছিল। তিনি বলেন, সেখান থেকে আমাদের আবার হায়দরাবাদে নিয়ে আসা হয়। এরপর ৫০০ টাকা হাতে ধরিয়ে দিয়ে কলকাতায় পাঠানো হয়। সেখান থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বাড়িতে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লেখার গল্পটা শুনতে চাইলে তিনি বলেন, সেই যুদ্ধে গিয়ে আমি তেমন কিছুই পাইনি। এমনকি প্রাপ্য সম্মানটুকুও পাইনি। এরপর মন চাইল ব্রিটিশ সরকারের কাছে চিঠি লেখার। কিন্তু আমি তো পড়াশোনা জানি না। ইংলিশ বলতে পারি, তবে লিখতে পারি না। তাই শরণাপন্ন হলাম আমাদের এলাকার আলতাফ মৌলভীর। তিনি ইংরেজিতে খুব পারদর্শী ছিলেন। তখন ছিল এরশাদ সরকারের আমল। ওই সময় লিখেছিলাম, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে আপনার ব্রিটিশ সেনাবাহিনী আমাদের ফেলে কমান্ড ছেড়ে চলে গেল। অথচ আমাকে কিছুই বলে যায়নি। আমার অধিকার আমি পাইনি। যুদ্ধ জয় করে আপনার দেশের সৈন্যরা আমাদের কাছে কিছু না বলে চুপিচুপি সেখান থেকে চলে গেল। এখন লন্ডন শহরে তারা মাথা উঁচু করে হাঁটে। আর আমি যে আপনাদের হয়ে যুদ্ধে অংশ নিলাম, আমাকেও তো প্রাপ্য সম্মানটুকু দেননি আপনারা। কোনো খোঁজখবরও রাখেননি। চিঠির একটি কপি তিনি সে সময়ে রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও আরেকটি কপি ব্রিটিশ হাইকমিশনে দেন। কিছুদিন পর ব্রিটিশ রানির চিঠির জবাব আসে তাঁর কাছে। রানি লেখেন, আপনার বিষয়টি দেখার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে আপনাদের রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে বলা হয়েছে। ব্রিটিশ অ্যাম্বাসি থেকে আমাকে চিঠি দেওয়া হলো এই বলে যে, আপনার বিষয়টি ব্রিটিশ সোলজার বোর্ড থেকে অচিরেই সমাধান করা হবে।

এরপর সে সময়ে ময়মনসিংহের কাচারিঘাট সোলজার বোর্ডে তাঁকে ডেকে নিয়ে ৩ হাজার ৫৩৮ টাকা ৭৭ পয়সা দেওয়া হয়। এরশাদের পতনের পর কিছুদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যায় মান্নানের ভাতা। পরে আবারও ময়মনসিংহের কাচারিঘাট সোলজার বোর্ড থেকে তিনজন লোক এসে তাঁর খোঁজখবর নেন। এখন নিয়মিত ভাতা পাচ্ছেন তিনি। ভাতাটা বছরে দুবার দেওয়া হয়। একবার দেওয়া হয় ১৫ হাজারের মতো এবং আরেকবার দেওয়া হয় ৩২ হাজারের মতো। এই ব্রিটিশ যোদ্ধা জানান, মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি এলাকার লোকজনকে যুদ্ধের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দিয়ে ভারতে পাঠিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই মুক্তিযোদ্ধার সনদ পেলেও তিনি সনদ পাননি। জীবন সায়াহ্ণে এসে শেষ ইচ্ছার বিষয়ে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি আর ভাঙাচোরা ঘরটি যেন পাকা করে দেওয়া হয়। মান্নানের ছোট ছেলে রোমান বলেন, আমার বাবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক এ পরিচয়টা আমাদের জন্য গর্বের।

এই বিভাগের আরও খবর
চাঁদপুরের গোল্ডেন বয়
চাঁদপুরের গোল্ডেন বয়
ফুলবাড়ীর নারীদের টুপি দেশ ছাড়িয়ে রোমানিয়ায়
ফুলবাড়ীর নারীদের টুপি দেশ ছাড়িয়ে রোমানিয়ায়
এখনো কাঁসার থালাবাসন
এখনো কাঁসার থালাবাসন
শতবর্ষের লাইব্রেরি
শতবর্ষের লাইব্রেরি
নিবেদিতপ্রাণ এক শিক্ষক
নিবেদিতপ্রাণ এক শিক্ষক
ব্যাপক সাফল্য জাহিদের
ব্যাপক সাফল্য জাহিদের
মোগল স্থাপত্যশৈলীর শতবর্ষী মাটির স্কুল
মোগল স্থাপত্যশৈলীর শতবর্ষী মাটির স্কুল
হাসপাতাল চত্বরে ফুল-ফসলের মুগ্ধতা
হাসপাতাল চত্বরে ফুল-ফসলের মুগ্ধতা
বয়সের কাছে হার না মানা ষাটোর্ধ্ব গুলবানু
বয়সের কাছে হার না মানা ষাটোর্ধ্ব গুলবানু
অন্যরকম বাইকের হাট
অন্যরকম বাইকের হাট
কাদায় গোবরে দম্পতির আনন্দ খোঁজ
কাদায় গোবরে দম্পতির আনন্দ খোঁজ
লাউ বেগুন চাষে বিপ্লব
লাউ বেগুন চাষে বিপ্লব
সর্বশেষ খবর
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

৫ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন