যতদূর দৃষ্টি যায় সবুজ পাতার সমারোহ। নওগাঁর বিভিন্ন নদীর চরে এলেই দেখা মিলবে এমন দৃশ্য। বিস্তীর্ণ চরজুড়ে আলু খেতে ভোরের কুয়াশা না কাটতেই শুরু হয় কৃষকদের আনাগোনা। নদীর চরে আলু চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তারা। জেলার সমতল জমির পাশাপাশি আত্রাই ও ছোট যমুনা নদীর চরে শত শত বিঘা জমিতে আলু আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চরে আলুর ভালো ফলনের আশা করছেন চাষিরা। শীত উপেক্ষা করে ফসল পরিচর্যায় কাটাচ্ছেন ব্যস্ত সময়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, চরে ফলন ভালো হওয়ায় আলু চাষে ঝুঁকছে নওগাঁর কৃষকরা। আলুর দাম বেশি পাওয়ায় আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তারা।
এ জেলায় প্রতি বছর রেকর্ড পরিমাণ জমিতে আলু চাষ হয়। জেলায় ছোট যমুনা, আত্রাই ও পুনর্ভবা এ তিন নদীর চরে ২৭১ হেক্টর জমি রয়েছে। এসব চরে বিভিন্ন জাতের আলুর চাষ হয়েছে। কৃষক জুয়েল হোসেন, ইসরাফিল হোসেন, জুলফিকার আলী ও জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রতি বছর আলুর পেছনে কীটনাশকে প্রায় ৩ হাজার টাকা খরচ হতো। এ বছর রোগ না থাকায় বিঘাপ্রতি হাজার টাকার মতো কীটনাশক কম কিনতে হয়েছে। এ ছাড়া চরের মাটিতে হালচাষ, সার ও ওষুধ কম লাগে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোনো ক্ষতি না হলে আলুর ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। বালুভরা গ্রামের কৃষক সুলতান হোসেন বলেন, নদীর চরে আলুর জমিতে পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত কৃষক।