♦ চুলের তেল দেওয়া হোক বা না হোক, নিয়মিত মাথায় ‘সিবাম’ বা ত্বকের প্রাকৃতিক তেল উৎপন্ন হতেই থাকে। নিউইয়র্ক সিটিভিত্তিক চর্মরোগ-বিশেষজ্ঞ হ্যাডলি কিং বলেন, যখন ঠিকমতো ধোয়া না হয় তখন তেল জমতে থাকে। ফলে চুলে আঠালো ভাব হয়, অপরিষ্কারজনিত গন্ধ সৃষ্টি করে।
♦ তেল জমার কারণে শুধু আঠালোভাব নয়, ‘স্ক্যাল্প’ বা মাথার ত্বকে চুলকানিও তৈরি হয়। সেখান থেকে জ্বালাভাব। মার্কিন চিকিৎসক ডা. জোডি লিজার্ফো বলেন, যদিও ‘সিবাম’ প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। তবে এতে ময়লা আটকায়। যা ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস ও ইস্ট জন্মানোর পরিবেশ তৈরি করে। ফলে চুলকানির মতো দেখা দেয়।
♦ মাথার ত্বক থেকে আঁশের মতো ক্ষুদ্র কণা উঠে আসে। এতেও চুলকানি হয়। ডা. হ্যাডলি কিং বলেন, নিয়মিত চুল মাথা ভালো মতো পরিষ্কার না করলে এই সমস্যা দেখা দেয়। এ ছাড়া খুশকিও হয়। ‘অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু’ ব্যবহার করে এর থেকে সমাধান মিলবে।
♦ অবাক হলেও এটা সত্য- ভালোমতো চুল ও মাথা পরিষ্কার না করলে চুল পড়ার পরিমাণ বাড়ে। ডা. হ্যাডলি কিং বলেন, দূষণ, তেল, ময়লা জমা ইত্যাদির কারণে যে প্রদাহ তৈরি হয়, সেখান থেকেই চুল পড়ার পরিমাণ বাড়ে।