শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

গল্প

মধ্যরাতের মাতাল কুকুরেরা

আরিফুল হাসান
প্রিন্ট ভার্সন
মধ্যরাতের মাতাল কুকুরেরা

রাত যখন নষ্ট টাইমের ল্যাপটপে সম্ভবত পৌনে ১২টা, তখন হঠাৎ কুকুরগুলো ডেকে ওঠে। এরকম প্রায়ই ডাকে। ওরা রাতের পাহারাদার। এলাকায় চোর ডাকাত এলে, অচেনা কেউ এলে ওরা ঝাঁক বেঁধে ডেকে ওঠে। আবার নিজেদের মধ্যে যে ঝগড়াঝাঁটি হয় না, ওরকমও নয়। হয়। হয় বলেই ওরা কুকুর। আর মানুষ?

তাহলে নিভু নিভু আলোতে অন্ধকারে গলিতে অচেনা কে এলো? কুকুরগুলো এমন করে ডাকছে কেন? এখন অবশ্য তেমন ডাকের প্রকোপ নেই। তবু দুয়েকটা ডাক যে শোনা যাচ্ছে না, তা নয়। থেকে থেকে কোনোটা ঘেউউ করে ওঠে, কোনোটা কাতর আর্তনাদের মতো মৃদু চিৎকারে, আবার কাউকে ঘেউ ঘেউ রবে খেঁকিয়ে উঠতে শোনা যাচ্ছে। তাহলে রাতগুলো নীরব নয়।

এরকম এক রাতে এই কিছু দিন আগে আজমল ঘুমায়। ঘুমের ভিতর স্বপ্ন দেখে এক।

শোনা যায়, যুদ্ধ নাকি লেগে যেতে পারে দেশে। কিন্তু কুকুরগুলো এত নিশ্চুপ কেন? নাকি আজমলের বুকের ভিতরের হৃৎপিণ্ড দেখে তারা যে ভয় পেয়েছিল সে ভয় আজও তাড়া করছে তাদের। নাকি তাদের ডাকের আবারও সময় হয়ে ওঠেনি। নাকি অত রাত হয়নি যে তারা ডাকবে। নাকি এতই বেশি রাত যে তারাও প্রহরীপনা ছেড়ে ঘুমাতে গেছে ক্লান্ত হয়ে। এখন রাত ঘড়িতে কয়টা বাজে? আজমলের ঘড়িতে সেদিন কটা বেজেছিল। রাত হয়ে যাচ্ছিল নাকি সন্ধ্যা। হয়তো সন্ধ্যার শুরু তখন। সময়টা জিজ্ঞেস করিনি। একজন আমাকে দেখাতে চেয়েছিল...

২.

আজ কুকুরগুলো ডাকছে না কেন? নদী ও পাহাড়গুলো বদলে গেছে। বদলে গেছে মানুষ। শহরের মানুষ বদলেছে আরও আগে। গ্রামের মানুষ শহরে এসে পড়েছে আর শহরের মানুষ পালাচ্ছে গ্রামে। অবশ্য গ্রামেও আজকাল কুকুরের উৎপাত যে বাড়েনি এমন খবর শোনা যায় না। আজমলের স্বপ্নের ভিতর একদল কুকুর ছিল। তারা কামড়িয়ে কামড়িয়ে মারছিল আজমলকে। ছিঁড়ে ফেলছিল নখর দিয়ে তার বুক। পাঁজরের হাড়গুলো কামড়ে ভেঙে ফেলছিল আর হৃৎপিণ্ডটা বের করে এনেছিল। হঠাৎ কুকুরগুলো পিছিয়ে যায়। পিছিয়ে অনেক দূরে যায়। যেন যায়। যেন আজমল হৃৎপিণ্ড নয়, বুকের ভিতর ধারণ করেছিল একটা গ্রেনেড।

আজকাল কুকুরগুলো ডাকে না। মাঝেমধ্যে গুলির শব্দ হয়। আকাশ থেকে তীব্র বেগে আসে হেলিকপ্টারের শব্দ। এসব স্বাভাবিকতা নয়। শোনা যায়, রাত নাকি চুরি করে নিয়ে নেবে অন্ধকারের কোনো অপশক্তি। শোনা যায়, যুদ্ধ নাকি লেগে যেতে পারে দেশে। কিন্তু কুকুরগুলো এত নিশ্চুপ কেন? নাকি আজমলের বুকের ভিতরের হৃৎপিণ্ড দেখে তারা যে ভয় পেয়েছিল সে ভয় আজও তাড়া করছে তাদের। নাকি তাদের ডাকের আবারও সময় হয়ে ওঠেনি। নাকি অত রাত হয়নি যে তারা ডাকবে। নাকি এতই বেশি রাত যে তারাও প্রহরীপনা ছেড়ে ঘুমাতে গেছে ক্লান্ত হয়ে। এখন রাত ঘড়িতে কয়টা বাজে? আজমলের ঘড়িতে সেদিন কটা বেজেছিল। রাত হয়ে যাচ্ছিল নাকি সন্ধ্যা। হয়তো সন্ধ্যার শুরু তখন। সময়টা জিজ্ঞেস করিনি। একজন আমাকে দেখাতে চেয়েছিল। দেখার ইচ্ছে হয়নি। এত নৃশংসতা হয়তো সহ্য করতে পারতাম না। সে বলেছিল, আমি বারান্দা দিয়ে ভিডিও করলাম। কুকুরগুলো... বলেই সে হু হু করে কেঁদে উঠল। আমি তার চোখের পানির মূল্য দিতে যাইনি। এ জগতে কে-ই কার চোখের পানির মূল্য দিতে জানে? বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো সেদিন তাণ্ডবটা শুরু হয়-সে বলেছিল।

আমি বললাম, ওসব থাক না। এখন আর বলে লাভ কী? ভালোবাসার মধ্যে যদি খাদ থাকে, তবে তা এক দিন আসলকেই গ্রাস করে ফেলে তা আর জানার অজানা কী? ...অভিমান করার সময় এখন না- সে বলেছিল, বাঙালি জাতি অনুতপ্ত হতে সময় নেয় না। এখন সব কিছু দেখছে জানছে। জেগে উঠতে বেশি দিন লাগবে না। এখনো হতবাক অবস্থা কাটেনি। এক-দুজন যে প্রকাশ্যে নির্যাতনের মুখে সত্যটা উচ্চারণ করছে না তা তো নয়, আওয়াজ উঠছে। এক-দুই-চার করেই বিশ্ব। আমি তারপরও ভিডিওটা দেখতে রাজি হইনি।

৩.

আজ যখন কুকুরগুলো এখনো ডেকে উঠছে না কেন এ নিয়ে ভাবছি, তখন একটা কুকুর কুইওইই করে উঠল। যেন সে বোঝাতে চায়- আমি না, আমরা পশুরা না। আজমলের হৎপিণ্ডটা খুলে বের করতে চেয়েছিল তোমাদের মতো মানুষ। হ্যাঁ একদল মানুষ।

আবার শূন্যতার ভিতর মিলিয়ে যাচ্ছে সবকিছু। সবকিছু কেমন অসার, নিষ্প্রাণ এবং ঘ্রাণশূন্য। এই কিছুদিন আগে ডাকাতি চলছিল। গণডাকাতি। আর এখন ত্রাসের সঙ্গে পেরে উঠছে না প্রশাসন। জনগণও যেন জিম্মি হয়ে আছে। এই রাতটা, এই লাখো কোটি তারা, এই আসমান, এই মানচিত্রের মাটি-মাতৃভূমি-মানুষ- সব সব সব...।

এভাবে বন্দি হতে থাকলে, মানুষের জানমালের নিরাপত্তা না থাকলে... সে সেদিন বলেছিল, না থাকলে মূল্যবোধ আর দেশপ্রেম, তাহলে আজমলের হৃৎপিণ্ড তো গ্রেনেড হতে বাধ্য হবেই। সে সে দিন বলেছিল, দেখছিলাম কুকুরগুলো কীভাবে তাড়া করে তাকে নিয়ে এসেছিল খাস খানকায় যাওয়ার গলিটার দিক থেকে। সে বলছিল, যেন কুকুরগুলো যুদ্ধ করছিল একটি সভ্যতার বিরুদ্ধে। সে আরও বলছিল, কুকুরগুলো তর্জন-গর্জন করছিল এতই, আশপাশের দোকান খোলার তো প্রশ্নই আসে না, আবাসিক ভবনগুলোর দরজাও ছিল লাগানো। জানালাও সিটকিনি আঁটা, পর্দা টানানো। সব ঘরে লাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আরও শক্ত কিছুর আড়াল খুঁজছে অধিবাসীরা, কেউ কেউ মেঝেতে শুয়ে পড়েছে। গুলি লাগার ভয়ে। ...স্নাইপার তাক করা ছিল, অধিকাংশ ভবনে না, তবে বেশ কিছু নিশ্চয়। তিনটা বাচ্চা মারা গেল কৌতূহল ধরে রাখতে না পেরে দৌড়ে বারান্দায় বা জানালায় চলে গেছে বলে। ...আমি মরিনি। জানের বাজি রেখে অবশ্য ভিডিওটা করেছি। আমার একটা সুবিধে ছিল, আমার বারান্দা লাগোয়া ডানপাশের ভবনটি আমার চাচার, আর সামনের ভবনের লোকজন-ডাবল তালা লাগিয়ে সকালেই পালিয়েছে প্রাণ নিয়ে। গেটের তালাগুলো কেউ ভাঙার চেষ্টা করেছে বোধ হয়, পারেনি নিশ্চিত ছিলাম। আর আমার বাঁ-পাশে সিঁড়িপথের প্যাঁচানো বাড়িয়ে রাখা গার্ড। মোটামুটি চারদিক থেকেই কাভার পাচ্ছিলাম। তখনো আকাশে হেলিকপ্টার উড়ছিল। কিন্তু গুলি করেনি আমাদের এদিকে। ওদের কাছে শক্তিশালী টেলিস্কোপ আছে নিশ্চয়। না হলে এমন ঘাপটি মেরে বসে থেকে ভিডিও করছি অনন্তকাল ধরে...হ্যাঁ, অনন্তকালই তো। দুই মিনিট কি চার মিনিটের ভিডিও বোধ হয়। কিন্তু সেখানে সত্যি আমার দুই যুগের সঙ্গে আরও এক যুগের জীবনে এমন স্থবির সময় পাইনি। যেন পাথরের একেকটা পর্বতমালা একেকটা ন্যানো সেকেন্ড। কুকুরগুলো তাড়া করে আনলো আজমলকে।

৪.

দ্য লর্ড ব্রোমাজিপাম আর টাকা দিয়ে কিনে ডিও নেশার শেষ রাতটাকে চার ভাগে ভাগ করে এক ভাগ আজলায় তুলে ফেলে দেয়। রাতটা আর তিন ভাগ থাকে। কেউ একজন রাতটা থেকে চুরি করে উদ্বাস্তু কুকুরগুলোকে, রাতটা আরেক ভাগ কমে। তারপর আজমলের মৃত্যুর জন্য কমে আরও এক ভাগ। শেষ ভাগটা সিগারেটের ধোঁয়ায় ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে উঠলে দেখি, আমি নিজেই কুকুর হয়ে গেছি, একটা নয়, দুটো নয়, পৃথিবীর সব এক হয়ে প্রভাবিত করেছে আমাকে। আমি রাতের পরে রাত ভাঙছি। সাঁতরে পার হচ্ছি অন্ধকার। আর অন্ধকারের ভিতর সারি সারি দাঁড়িয়ে যেতে দেখছি আজমলদের। তারাও রাত ভাঙবে শপথ নিয়েছে। শপথের পক্ষে শহীদ হয়েছে। আর আমি ভুলে গেছি সেটি সত্যি সত্যিই একাধিক রাতের সমান একটি রাত ছিল কি না, যখন আজমলকে তুলে আনা হলো মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে, অথবা আধমরা করে। অথবা শুধু লাশটিই নিয়ে আসা হয়েছে উল্লাস করার জন্য...আমি জানি না। আর জানি না সত্যিই এর মধ্যে এতগুলো রাত পার হয়ে গেছে কি না, কারণ আজমলদের মতো এ রকম ভূমিপুত্রকে প্রতিদিনই খুবলে খাচ্ছে কুকুরগুলো, কুকুরগুলো তীব্রভাবে চিৎকার করে বলছে, না না মানুষ।

এই বিভাগের আরও খবর
উৎপল
উৎপল
নারিন্দার মেয়ে
নারিন্দার মেয়ে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
গহিন কাব্য
গহিন কাব্য
অর্থময় সিসিফাস
অর্থময় সিসিফাস
ইরাবতী
ইরাবতী
নির্জন নদী
নির্জন নদী
প্রমার মুখ
প্রমার মুখ
বিদায়
বিদায়
ছায়া পড়ে থাকে
ছায়া পড়ে থাকে
দুজনের সম্পর্ক যা
দুজনের সম্পর্ক যা
জসীমউদ্‌দীনের কবর
জসীমউদ্‌দীনের কবর
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা