শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫

গল্প

কালাবনের মা-মহিষ

আলম শাইন
প্রিন্ট ভার্সন
কালাবনের মা-মহিষ

আকাশ-পাতাল তোলপাড় করা হৈ-হুল্লোড়ে ঘুম চটকে গেল। লাফ দিয়ে বাইরে এসে দেখি তুলকালাম কাণ্ড। তখনো সকাল হয়নি। ভোর।

এরপর শুরু করি গত রাত থেকে। কালাবনের দোচালায় দুটি কামরা। একটায় থাকি আমি, শ্রমিকরা অন্যটায়।

বাইরে ঘুটঘুটে আঁধার। দোচালার চারপাশে চারটা হারিকেন ঝুলছে। ক্ষীণ আলোয় দোচালার আঙিনায় রহস্যময় আবহ। দুজন সশস্ত্র প্রহরী দরজার সামনে বসে আছে, তাও শঙ্কা কাটছে না। কালাবনের বোবা ভাষাটাও রপ্ত হয়নি এখনো, কেমন দুর্ভেদ্য ঠেকছে। অন্যান্য জঙ্গলের ভাষা কিছুটা বুঝতে পারি। প্রত্যেক জঙ্গলেরই একটা নিজস্ব ভাষা আছে, যে ভাষা হাওয়ায় ভেসে বেড়ায়। নিবিড়ভাবে কান পাতলে সে ভাষা হৃদয়ঙ্গম করা যায়।

বনভূমি তখন নিস্তব্ধ। কোনো জন্তু-জানোয়ারের হাঁকডাক নেই। নেই রাতচরা পোকামাকড়ের চেঁচানিও। মাঝেমধ্যে হরিণের ডাক ভেসে আসে দূর থেকে।

জানালার পাশে দাঁড়িয়ে খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি। আকাশ পরিষ্কার এখন। তারারা মিটমিট জ্বলছে। রাতের প্রথমার্ধ্ব পর্যন্ত চাঁদের আলো থাকলেও এ মুহূর্তে ঘোর আঁধার; যেন অমাবস্যা। আকাশ পরিষ্কার থাকায় লক্ষ তারা নজরে পড়ছে। লক্ষ কোটি যোজন দূরে হলেও নক্ষত্রমণ্ডলীকে পাড়াপড়শি মনে হয়। মনে হচ্ছে কত চেনা। আবার যেন দেখতে পাচ্ছি প্রিয়জনদের প্রতিচ্ছবিও, যারা আমাদের ছেড়ে তারার দেশে গিয়ে ঘুমাচ্ছে।

যখন এমন কত কী ভাবছি, তখনই জানালার ফাঁক দিয়ে দেখতে পেলাম দোচালা ছাড়িয়ে ২৫-৩০ গজ দূরে বনের ভিতরে ক্ষীণ আলোর ঝলকানি। বিস্মিত হলাম। দরজার কাছে দাঁড়াতেই ধারণাটা পরিষ্কার হলো। প্রহরী দুজন দরজার সামনেই বসে আছে। আমাকে দেখে উঠে দাঁড়াল ওরা। বললাম, তোমাদের মধ্যে কেউ কী কোনো কাজে জঙ্গলে ঢুকেছে?

ওরা না সূচক জবাব দিতে আমি চিন্তিত হলাম। কারণ নিজ চোখেই দেখেছি আলোকরশ্মির ঝিলিক। যদিও তত উজ্জ্বল নয় সেই আলোকচ্ছটা। বিষয়টা খুলে বললাম ওদের।

শুনে কায়েছ আলী বলল, বড়মিয়া, ডাকাত সন্দেহ হয় আমার। সবাইকে জাগিয়ে দিই।

কালাবনের ভেষজ প্লান্টের লোকজন আমাকে বড়মিয়া সম্বোধন করে। আমার নাম রাজ্জাক বিশ্বাস। প্লান্টের পরিচালক আমি। ঢাকার অফিস থেকে তাগিদ দিচ্ছে দ্রুত ভেষজ মালামালগুলো শিপমেন্ট করতে। সেই লক্ষ্যে আমরা রাতদিন কাজ করছি।

কালাবনের ভেষজ উদ্ভিদের চাহিদা ইউরোপে ব্যাপক। তাই রোমানিয়ার এক প্রতিষ্ঠান নিঝুম দ্বীপের কালাবনে ভেষজ প্লান্ট গড়েছে বনভূমি লিজ নিয়ে। এই প্লান্টটাই দেখাশোনা করতে হচ্ছে আমাকে।

বড়মিয়া সম্বোধনে ওরা শান্তি পায়। কায়েছ আলীর মুখে ডাকটা শুনে বিরক্তবোধ করলাম। বললাম, কথায় কথায় বড়মিয়া ডাকতে হবে না; স্যার বলবে। আর শোন ওরা ডাকাত নয়, আমি নিশ্চিত। অন্য কিছু হবে হয়তো। বের করার চেষ্টা কর।

কায়েছ আলী বলল, বড়মিয়া, সরি স্যার, যেই হোক না কেন, গুলি ছুড়ে দিই, অর্ডার করেন।

এখন না। সময় হলে বলব। বিষয়টা আগে নিশ্চিত হতে হবে।

এই গহিন জঙ্গলে গভীর রাতে কারা এসেছে, কেনই বা এসেছে যোগ-বিয়োগ করে কূলকিনারা করতে পারছি না। আমি যখন হিসেব-নিকেশে ব্যস্ত, ঠিক তখনই আবার নজরে পড়ল আলোর ঝলকানি। এবার অত কাছাকাছি নয়; স্পষ্টও নয়; ক্ষীণ। প্রহরীদের আঙুল উঁচিয়ে দেখিয়ে বললাম, দেখ দেখ, ওই যে আলোর ঝিলিকটা।

ওরা দুজন সেদিকে তাকাল, উঁকিঝুঁকি দিল, কিছুই দেখল না। এবার আমি একটু অপ্রস্তুত হলাম। কী ভাবছে ওরা আমাকে। দুই-তিন মিনিট দাঁড়িয়ে রইলাম, আবার যদি নজরে পড়ে। এরই মধ্যে শুনতে পেলাম, দ্রিম... দ্রিম... আওয়াজ। প্রহরীদের উদ্দেশে বললাম, তোমরা শুনতে পেয়েছ আওয়াজটা?

প্রহরীরা বন্দুক উঁচিয়ে পজিশন নিল। কায়েছ আলী বলল, ডাকাত! গুলি ছুড়েছে, আমরাও ফাঁকা আওয়াজ করি।

বললাম, নিঝুম দ্বীপের কোথাও ডাকাত-টাকাত নেই। ওরা চোরাশিকারি। হরিণ শিকার করতে এসেছে। তোমরা দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়। দেখবে ওরা পালাবে।

মুহূর্তেই প্রহরীদের দুই বন্দুক গর্জে উঠল। তারপর সব চুপচাপ। আমি নিশ্চিত হলাম ওরা আসলেই চোরাশিকারি।

ঘটনার ঘণ্টাখানেক পরে দোচালায় ঢুকে চাটাইয়ের বিছানায় শুয়ে পড়লাম। রাতে আর ঘুমাতে পারিনি। নানান কথা ভাবতে ভাবতে কখন যে রাত পেরিয়ে গেছে টেরই পাইনি। ভোরের দিকে একটু চোখ লেগে এসেছিল।

এমন সময় শ্রমিকদের সেই হট্টগোল। শুনে লাফিয়ে বাইরে এলাম। কিছু একটা ঘটেছে বুঝতে পারলাম। না হলে সাতসকালে অমন হৈ-হল্লার কথা নয়।

দোচালা থেকে বেরিয়ে আঙিনায় দাঁড়াতেই দেখতে পেলাম রক্তাক্ত কাণ্ড! প্লান্টের শ্রমিক তমিজ ছৈয়াল, মাটিতে পড়ে আছে। আমি হতবিহ্বল।

প্রহরী মহব্বত দয়াল আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে সব কিছু বুঝিয়ে বলতে।

সে জানাল, তমিজ ছৈয়াল পুকুর পার থেকে মহিষের একটা বাছুর ধরেছিল। বাছুরটাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে আনার সময় মা-মহিষ বাছুরটাকে উদ্ধার করতে দৌড়ে এসে ওর পেটে শিং ঢুকিয়েছে।

কী সর্বনাশ! এখন কেমন আছে?

না, ভালো না। খুব খারাপ অবস্থা, বাঁচবে কিনা সন্দেহ।

এগিয়ে গেলাম তমিজ ছৈয়ালের কাছে। দেখলাম শিংয়ের গুঁতায় ওর পেট এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে গেছে। ওর শরীর স্পর্শ করলাম, বেঁচে আছে কিনা নিশ্চিত হতে। দেখলাম শ্বাসপ্রশ্বাস বইছে ঠিকই, তবে আশঙ্কাজনক অবস্থা, তাতে সন্দেহ নেই। দ্রুত ওর চিকিৎসা প্রয়োজন। সবাইকে আশ্বস্ত করে বললাম, কালাবনে আজ আর তোমাদের কাজ করতে হবে না। তোমরা এখনই তমিজকে কাঁধে তুলে শালতলার বাংলোর দিকে রওনা দাও। আমি তোমাদের সঙ্গেই যাচ্ছি। দ্রুত চল। পালা করে কাঁধে নেবে, ওকে যে করেই হোক বাঁচাতে হবে। গামছা পেঁচিয়ে তমিজের ক্ষতস্থান বেঁধে, দ্রুতই যাত্রা শুরু করলাম আমরা।

আমাদের এই দলে তমিজের ছোটভাইও আছে; সেও এ প্লান্টেরই শ্রমিক। ওর বয়স ত্রিশের কাছাকাছি। তমিজের বয়স ওর থেকে দুই-এক বছরের বেশি। ওদের বাড়ি নিঝুম দ্বীপের কোনো এক গ্রামে।

জঙ্গল মাড়িয়ে ছুটছি শালতলার উদ্দেশে। পথের যেন শেষ নেই। যেখানে জঙ্গল ভেঙে একা হাঁটাই দায়, সেখানে একজন মানুষকে কাঁধে নিয়ে হাঁটা কী যে কষ্টকর, তা বোঝানো মুশকিল। এভাবে বহু কষ্টে হেঁটে বন জঙ্গল পাড়ি দিয়ে তমিজ ছৈয়ালকে নিয়ে আমরা শালতলায় পৌঁছলাম।

সেখানে সহকর্মী বিনয় ভৌমিকের খোঁজ নিলাম আগে। সে বাংলোতেই ছিল। দ্রুত নিচে নেমে এলো।

তাকে সংক্ষেপে বিস্তারিত জানাল মহব্বত দয়াল। বললাম, বিনয়, ট্রলারে কতদূর যাওয়া যাবে?

নদী ধরে বেশি দূর যাওয়া যাবে না, খাল পেরুতে হবে। খাল পেরিয়ে মেঘলার বাংলোয় যেতে পারবেন না; জোয়ার-ভাটার ব্যাপার আছে। মাঝপথে আটকা পড়লে আবার ঘুরে আসতে হবে এখানেই।

তাহলে তো হাতির পিঠে চড়েই যেতে হবে।

এ ছাড়া আর উপায়ও নেই।

ঘণ্টা চারেকের পথ পেরুতে তমিজ বাঁচবে তো?

সন্দেহ! তার পরেও চেষ্টা করে দেখি।

তমিজের অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে। দ্রুত হাতির পিঠে উঠালাম ওকে। সঙ্গে সঙ্গে মেঘলার উদ্দেশে রওনা দিলাম। হাতি দ্রুত হাঁটতে পারছে না। পথ সুবিধার নয়, দেখেশুনে হাঁটছে হাতি। চলতি পথে তমিজ ছৈয়ালের চোখ বার বার বন্ধ হয়ে আসছে। অধিক রক্তক্ষরণ, তার ওপর ৩-৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও কোনো চিকিৎসাই শুরু হয়নি এখনো। বিষয়টা পীড়াদায়কই বটে। খুব হতাশ হয়ে গেলাম। কীভাবে দ্রুত সদরে নেওয়া যায় সেই পরিকল্পনা আঁটতে লাগলাম। মেঘলার বাংলোয় পৌঁছতে পারলে স্পিডবোটে হাতিয়া উপজেলা হাসপাতালে নিতে পারব, সেরকম ভরসা আমার। কিন্তু মেঘলা পর্যন্ত পৌঁছানোই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাতির পিঠে চড়ে রওনা দেওয়ার পর ঘণ্টাখানেক পার হয়েছে। এখনো তিন ঘণ্টা বাকি। তমিজের অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। এদিক-সেদিক তাকাতে চেষ্টা করছে। কিছু যেন বলতে চাচ্ছে কিন্তু পারছে না। লক্ষ্য করলাম তার শ্বাসপ্রশ্বাস দ্রুত বইছে, চোখও বন্ধ হয়ে আসছে, শরীর কাঁপছে। লক্ষণগুলো ভালো ঠেকল না।

তমিজ ছৈয়ালকে মহব্বত দয়াল ঝাঁপটে ধরে বসেছে। ওর যেন কষ্ট না হয় সেই চেষ্টাই করছে। অন্য কোনোভাবে বসানোর সুযোগ নেই, সুযোগ নেই শুইয়ে দেওয়ারও। মাহুতের পেছনে তারা দুজন; আমি একদম পেছনে। যাতে ওর শরীরে ঝাঁকুনিটা কম লাগে। তারপরও হাতির হাঁটার ঝাঁকুনিতে তমিজের কষ্ট হচ্ছে টের পেলাম। ওর শরীর থেকে এখন আর রক্ত ঝরছে না। তার মানে শরীরে রক্ত আর তেমন অবশিষ্ট নেই।

তবুও আমি আশাবাদী, ওকে চিকিৎসা করিয়ে সারিয়ে তুলব। প্লান্টের পরিচালক হিসেবে শেষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রাণান্ত চেষ্টায়ও যদি তমিজ বেঁচে যায়, এটি হবে আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। কিন্তু সে সুযোগ পেলাম না। খানিকক্ষণের মধ্যেই মহব্বত দয়াল নিচুস্বরে বলল, তমিজ আর নাই!

কষ্টে বুক ভেঙে গেল। আহারে! কী প্রাণবন্ত উচ্ছল যুবক ছিল তমিজ। দম বন্ধ হয়ে আসছে যেন আমারই। কিন্তু দৃশ্যের অন্য এক টুকরো চিত্রও আছে। আর তা হলো- সঙ্গে সঙ্গে আমার চোখের সামনে যেন ভেসে উঠল এক তেজী মা-মহিষের অগ্নিমূর্তি। যে তার সন্তানকে উদ্ধার করতে দুই শিং উঁচিয়ে তেড়ে আজছে একজন মানুষের দিকে, যার হাতে বাঁধা পড়েছে তার বুকের মানিক, শিশু শাবক...

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
উৎপল
উৎপল
নারিন্দার মেয়ে
নারিন্দার মেয়ে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
গহিন কাব্য
গহিন কাব্য
অর্থময় সিসিফাস
অর্থময় সিসিফাস
ইরাবতী
ইরাবতী
নির্জন নদী
নির্জন নদী
প্রমার মুখ
প্রমার মুখ
বিদায়
বিদায়
ছায়া পড়ে থাকে
ছায়া পড়ে থাকে
দুজনের সম্পর্ক যা
দুজনের সম্পর্ক যা
জসীমউদ্‌দীনের কবর
জসীমউদ্‌দীনের কবর
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৩৩ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা