শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:০৭, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৯:২১, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

উপকূলের লবণাক্ততা মোকাবিলায় রিলে প্রযুক্তি

ড. এম জি নিয়োগী
অনলাইন ভার্সন
উপকূলের লবণাক্ততা মোকাবিলায় রিলে প্রযুক্তি

বাংলাদেশের তিন ভাগের এক ভাগই উপকূল অঞ্চল। উপকূলের চার লাখ ৩৯ হাজার হেক্টর (প্রায় ১১ লাখ একর) জমি বছরের শুষ্ক মৌসুমে অনাবাদি থাকছে। শুধু বৃষ্টির মৌসুমে এসব অঞ্চলে আমন ধান হয়। ডিসেম্বর মাসে আমন ধান কেটে নেওয়ার পর শুষ্ক মৌসুমে বছরের প্রায় ছয়-সাত মাস জমি পতিত থাকে। মূলত জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে শুষ্ক মৌসুমে উপকূলে ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা, সেচযোগ্য পানির অভাব এবং উপকূলের বেশ কিছু অঞ্চলে পানি নেমে যেতে না পারার কারণে জলাবদ্ধতার জন্যই এই বিশাল পরিমাণ জমি পতিত থাকছে।

উপকূলের এই বিস্তীর্ণ লবণাক্ত পতিত জমিতে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী লাভজনক উপায়ে ফসল ফলানোর লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চের (এসিআইএআর) সহায়তায় ২০১৭ সাল থেকে উপকূলের দুর্গম অঞ্চলে গবেষণা করে আসছি। এই গবেষণায় আমার নেতৃত্বে পোভার্টি ইরাডিকেশন প্রগ্রাম সরাসরি সম্পৃক্ত। গবেষণায় সহযোগিতা করছে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।

যেহেতু উপকূলের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং সেচযোগ্য পানির অভাবের কারণে ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে না, সে কারণে এইসব জমিতে শুষ্ক মৌসুমে গম উৎপাদনের জন্য গবেষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কেন উপকূলে গম

গম প্রকৃতিগতভাবেই কিছুটা লবণাক্ততাসহিষ্ণু। তা ছাড়া উপকূলে প্রচুর অনাবাদি জমি। এ ছাড়া এই ফসল চাষাবাদে খুব কম পরিমাণ পানির প্রয়োজন হয়। গম নিয়ে গবেষণার আরেকটি কারণ হলো—বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের কারণে দেশে গমের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু গম চাষের জমি বাড়ছে না। বাংলাদেশে এখন প্রতিবছর ৭৫ লাখ টন গমের চাহিদা। দেশে উৎপন্ন হচ্ছে মাত্র ১১-১২ লাখ টন। বাকি ৬০-৬৫ লাখ টন গম বাইরে থেকে আনতে হচ্ছে। এতে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক অর্থ শুধু গম আমদানিতেই চলে যাচ্ছে। সে জন্য গমের এই বিপুল পরিমাণ চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে উপকূলের লবণাক্ত পতিত জমিতে গম উৎপাদনের জন্য গবেষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

রিলে প্রযুক্তি কী

রিলে প্রযুক্তি হচ্ছে জমিতে একটি ফসল আধাপাকা অবস্থায় থাকতেই ওই জমিতে আরেকটি ফসলের চাষ। বাংলাদেশে গম বোনার প্রকৃত সময় নভেম্বর মাস। কিন্তু ওই সময় জমিতে আমন ধান আধাপাকা অবস্থায় থাকে। তা ছাড়া গম ঠাণ্ডা আবহাওয়া পছন্দ করে। ১৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নিচের তাপমাত্রায় গম ভালোভাবে বেড়ে উঠতে পারে এবং ভালো মানের গমের ছড়া বের হতে সহায়ক হয়।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে শীতকালের সময় কমে গেছে। উপকূল অঞ্চলে শীতকাল আরো কম। সে জন্য মধ্য নভেম্বরে বাংলাদেশের উপকূলের জমিতে গমবীজ বুনলে জানুয়ারি মাসের অনুকূল ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ভালো মানের গমের ছড়া বের হবে এবং গম ভালো ফলন দিতে পারবে। কিন্তু নভেম্বর মাসে উপকূলের জমিতে আমন ধান আধাপাকা অবস্থায় থাকে, যা কৃষকরা ডিসেম্বর মাসে কেটে থাকেন। তাই সঠিক সময়ে গমবীজ বোনার লক্ষ্যে জমিতে ধান ফসল আধাপাকা অবস্থায় থাকতেই মধ্য নভেম্বরে ধানের জমিতে গমবীজ ছিটানো হয়েছে। এটিই রিলে পদ্ধতিতে গম চাষ প্রযুক্তি।

ফলে সঠিক সময়ে অর্থাৎ মধ্য নভেম্বরে গমবীজ বোনার কারণে জানুয়ারি মাসে গমের জন্য অনুকূল আবহাওয়ায় প্রচুর ভালো মানের গমের ছড়া বের হয়েছে। এতে ভালো ফলন পাওয়া যাচ্ছে। নভেম্বর মাসে জমিতে লবণাক্ততা কম থাকে বা অনেক সময় থাকেই না। সে জন্য জমিতে গমবীজ উপযুক্ত পরিবেশে ভালোভাবে গজাতে পারছে।  নভেম্বর মাসে বেশির ভাগ জমিতে আর্দ্রতা থাকে বিধায় গম জমি থেকে প্রয়োজনীয় রস পাচ্ছে। মূলত এই তিনটি কারণেই উপকূলের লবণাক্ত পতিত জমিতে রিলে প্রযুক্তিতে গম চাষে অসামান্য সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে।

রিলে প্রযুক্তিতে জমিতে চাষের প্রয়োজন হয় না বিধায় উৎপাদন খরচও অনেক কম, যা পরিবেশ সহায়ক। আবার রিলে প্রযুক্তিতে গম চাষাবাদে পানির প্রয়োজন আরো কম। গমে মাত্র তিনবার হালকা সেচ দিলেই যথেষ্ট। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে এখন প্রায় প্রতিবছর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে কোনো না কোনো সময় বৃষ্টি হচ্ছে, যা গমের জন্য ভালো। এ সময় হালকা বৃষ্টি হলে গমে সেচের প্রয়োজন আরো কমে যায়। রিলে প্রযুক্তিতে গম চাষাবাদের জন্য অবশ্যই স্বল্পমেয়াদি আমন ধানের জাতকে প্রাধান্য দিতে হবে। এ জন্য ব্রি এবং বিনা উদ্ভাবিত স্বল্পমেয়াদি আমন ধানের জাত নির্বাচন করা যেতে পারে। স্বল্পমেয়াদি আমন ধানের জাতগুলো কৃষকরা ডিসেম্বরের প্রথম দিকেই কাটতে পারবেন। এর ফলে আমন ধানের জমিতে গমের চারা ছোট থাকতেই ধান কাটা হয়ে যাবে। ধান কাটার পর জমিতে রিলে গমের চারাগুলো আলো-বাতাস পেয়ে তাড়াতাড়ি বেড়ে ওঠার সুযোগ পাবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শীতের সময়কাল কমে যাওয়ায় এবং বাংলাদেশের উপকূলে গম বোনার উপযুক্ত সময় মধ্য নভেম্বর। মধ্য নভেম্বরে গমবীজ বুনলে জানুয়ারির উপযুক্ত ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় গমে ভালো ছড়া হবে এবং ভালো ফলন নিশ্চিত হবে।

শুষ্ক মৌসুমে উপকূলের জমিতে লবণাক্ততা মার্চ মাসে অনেকটাই বেড়ে যায়। সে কারণে রিলে প্রযুক্তিতে গম চাষে স্বল্পমেয়াদি গমের জাতকে প্রাধান্য দিতে হবে। এ জন্য বারি গম ৩০ স্বল্পমেয়াদি জাতকে উপকূলে চাষাবাদের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। তবে স্বল্পমেয়াদি লবণাক্ততাসহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল গমের জাত পাওয়া গেলে উপকূলে রিলে প্রযুক্তিতে গমের ফলন আরো বেশি হবে। স্বল্পমেয়াদি গমের বীজ মধ্য নভেম্বরে রিলে পদ্ধতিতে বুনলে ফেব্রুিয়ারি শেষে এই ফসল ঘরে তোলা সম্ভব। অর্থাৎ মার্চের অতিরিক্ত লবণাক্ততার আগেই ফসল কাটা সম্ভব হচ্ছে। জমিতে লবণাক্ততা বাড়ার আগেই ফসল ঘরে আসবে। এতে গমের ওপর লবণাক্ততার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা একেবারেই থাকছে না।


উপকূলে রিলে প্রযুক্তিতে গম চাষাবাদে সেচের পানি প্রাপ্তির উপায়

রিলে প্রযুক্তিতে গমে মাত্র তিনবার হালকা সেচ দিলেই যথেষ্ট। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মতে, উপকূল অঞ্চলে তিন লাখ ৪৭ হাজার ৬৭১টি পুকুর বা জলাধার আছে, যার আয়তন ৩৭ হাজার ৫৩০ হেক্টর। এই পুকুরগুলো সংস্কার করে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করলে তিন লাখ ৭৫ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে রিলে প্রযুক্তিতে গম চাষ সম্ভব। শুধু তিন লাখ ৪৭ হাজার ৬৭১টি পুকুর বা জলাধার সংস্কার করেই উপকূলের চার লাখ ৩৯ হাজার হেক্টর পতিত জমির মধ্যে তিন লাখ ৭৫ হাজার ৩০০ হেক্টর পতিত জমিতে কৃষক রিলে প্রযুক্তিতে গম আবাদ করে একটি অতিরিক্ত ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এবং সেই পুকুরগুলোতে ছয় মাস মাছ চাষ করতে পারবেন। অর্থাৎ উপকূলের ৮৫ শতাংশ পতিত জমিতে শুষ্ক মৌসুমে পুকুর বা জলাধার সংস্কার করেই একটি অতিরিক্ত ফসল ফলানো সম্ভব। ওই পুকুরের পানি যাতে চুইয়ে নিচে চলে না যায়, সে জন্য পুকুরের তলদেশে একটি মোটা পলিথিন বিছিয়ে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করবেন। তাহলে ওই বৃষ্টির পানিতে ছয় মাস মাছ চাষ সম্ভব এবং ওই পানি দিয়ে বাকি ৯০ শতাংশ জমিতে রিলে পদ্ধতিতে গম উৎপাদন সম্ভব।

এ ছাড়া আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, উপকূলের লবণাক্ত জমির ঠিক নিচেই যে পানির স্তর আছে, তা লবণাক্ত এবং কোনোভাবেই সেচযোগ্য নয়। কিন্তু এইসব জমির ১১০০ থেকে ১২০০ ফুট গভীরের পানি লবণাক্ততামুক্ত এবং সেচযোগ্য। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই পানির লবণাক্ততা ০.৫ ডিএস/মিটারের কম, যা শুধু ফসল চাষাবাদেই নয়, খাওয়ারও যোগ্য। সাবমার্সিবল পাম্পের সাহায্যে ১১০০ ফুট বা তারও নিচের পানি উত্তোলন করা সম্ভব। সম্পূর্ণ পাম্পটি কিনতে এবং বসাতে এক লাখ ৫০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। এ ধরনের একটি পাম্প দিয়ে ৫০ বিঘা জমিতে অনায়াসে রিলে প্রযুক্তিতে গমের চাষাবাদ করা যাবে। এর থেকে নিরাপদ খাওয়ার পানিও পাওয়া যাবে। রিলে প্রযুক্তিতে গম চাষের ফলে কৃষক একদিকে যেমন আমন ধানের পরে একটি অতিরিক্ত ফসল ঘরে তুলতে পারছেন, অন্যদিকে রিলে প্রযুক্তিতে গম চাষের কারণে ওই জমির লবণাক্ততাও কমে যাচ্ছে—যা উপকূলের লবণাক্ত জমিতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে!

আমন ধান কাটার পর জমিতে চাষাবাদ না হওয়ার কারণে অর্থাৎ জমি পতিত থাকার কারণে শুষ্ক মৌসুমে জমি শুকিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপকূলের মাটিস্থ লবণ ইভাপোট্রান্সপিরেশনের মাধ্যমে (capillary movement of salt) জমির ওপরের দিকে চলে আসে এবং মাটিকে অনেক বেশি লবণাক্ত করে দেয়। কিন্তু রিলে গম প্রযুক্তিতে জমিতে আমন ধান থাকতে থাকতেই রিলে গম চাষের ফলে জমি শুকিয়ে যাওয়ার অবকাশ থাকে না বিধায় মাটিস্থ লবণও জমির ওপরের দিকে আসার সুযোগ পায় না। ফলে জমিকে বেশি লবণাক্ত করতে পারে না।

রিলে প্রযুক্তিতে গম চাষের ফলে জমির লবণাক্ততা ক্রমহ্রাসমান হওয়ার কারণে উপকূলের কৃষক গমের পরে আরো একটি ফসল বোরো ধানও করতে পারবে। আমন ধানের পরে রিলে গম চাষের ফলে জমির লবণাক্ততা কমে যাওয়ার কারণে কৃষক গম কাটার সঙ্গে সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি বোরো ধানও করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে বোরো ধানের জমিতে সেচযোগ্য পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে।

আমরা আশা করছি, উপকূলের কৃষক রিলে প্রযুক্তিতে গম চাষের ফলে ক্রমহ্রাসমান লবণাক্ততার কারণে এই বোরো ধান থেকেও ভালো ফলন ঘরে তুলতে পারবেন। অর্থাৎ রিলে পদ্ধতিতে গম উৎপাদনের ফলে উপকূলের জমিতে লবণাক্ততা কমে যাওয়ার কারণে উপকূলের কৃষক তিনটি ফসল, অর্থাৎ আমন ধান-রিলে গম-বোরো ধান করতে পারবেন এবং ভালো ফলন ঘরে তুলতে পারবেন। বিগত সব সরকারের আমলেই উপকূলের মানুষ সীমাহীন বৈষম্যের শিকার। উপকূলের কৃষক আশা করে, বর্তমান বৈষম্যবিরোধী অন্তর্বর্তী সরকার এই উদ্ভাবিত প্রযুক্তি জাতীয় কার্যক্রমে গ্রহণ করে উপকূলের কৃষকদের একফসলি জমিকে দুইফসলি জমিতে রূপান্তর করতে সহায়তা করবে এবং সেই সঙ্গে উপকূলের খাদ্য নিরাপত্তায় ব্যাপক অবদান রাখবে।

লেখক: ডেপুটি প্রজেক্ট লিডার, অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ (এসিআইএআর), ইউনির্ভাসিটি অব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা