শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:৩৯, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১৬:০৫, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

আমাদের স্বপ্নটা খুব বেশি না

অধ্যাপক ড. তাসনিম আরেফা সিদ্দিকী
অনলাইন ভার্সন
আমাদের স্বপ্নটা খুব বেশি না

একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হিসেবে একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার কাছ থেকে মূল চাওয়াটা হচ্ছে, আইনের শাসন, নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতার পরিবর্তন, ক্ষমতার বিভাজন এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে গেলে যেসব প্রতিষ্ঠান একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার ভেতর দায়বদ্ধতা আনে, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীন পদচারণ। বাংলাদেশের দিকে তাকালে দেখি, নব্বইয়ে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা একবার গণতন্ত্রে ফেরত এলাম। তারপর মোটামুটি দুটি ভালো সরকার—একটা আওয়ামী লীগ, একটা বিএনপি পেলাম। তার পর একেকটি দলের যখন দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হলো, তখন থেকেই গণতান্ত্রিক আদর্শগুলো ধারাবাহিকভাবে ক্ষয় হতে থাকল।

এটারই শেষ রূপ আমরা দেখেছি গত প্রায় ১৬ বছরের আওয়ামী লীগের শাসনে। আইনের শাসন, নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে রাজনৈতিক দল হিসেবে একটা পর্যায়ের পর খুব বড় পার্থক্য যে ছিল তা কিন্তু নয়। দুটিই মূলত পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে রাজনৈতিক ব্যবস্থাটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে একটা সংসদীয় গণতন্ত্রের মধ্য দিয়ে হেঁটেছে। আসলে দুটি দলের মধ্যে একটা তৈরি করা তফাত ছিল—কে স্বাধীনতার পক্ষে আর কে স্বাধীনতার বিপক্ষে।

এই তফাত তৈরি করে সমাজকে বিভক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে এটা করা হয়েছে। পঁচাত্তরের পটপরিবর্তনের পর ছিয়ানব্বইয়ে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এলো, সেই পাঁচ বছরে কিছুটা হলেও গণতন্ত্রের একটা রূপ ছিল। সেই সরকারের মন্ত্রিপরিষদে অনেকেই ছাত্র ইউনিয়ন বা এই ধরনের সংগঠন করে আসা লোকজন ছিল।

এর পরের মেয়াদগুলোর দিকে তাকালে দেখি, অধিকসংখ্যক ব্যবসায়ী শ্রেণি ক্ষমতায় চলে এসেছে। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের জায়গায় আর যেতে চাইল না দলটি। নির্বাচনকে এক ধরনের পাশ কাটিয়ে ক্ষমতায় থাকার পরিণতিটা আমরা ১৬ বছর ধরে দেখলাম। গণতান্ত্রিক প্রতিটি প্রতিষ্ঠান একেবারেই ধ্বংসের মুখে চলে গেছে। এই ধ্বংসটা হয়েছে কয়েকভাবে।
প্রথমত, ক্ষমতার কোনো বিভাজন নেই, যিনি প্রধানমন্ত্রী তিনিই দলের প্রধান, তিনিই আবার সংসদেরও প্রধান। এর মধ্য দিয়ে আমরা ক্রমাগত এক ব্যক্তির শাসনের দিকে চলে গেলাম। পরিবারতন্ত্র কায়েম হলো। নির্বাচন না থাকায় এই পরিবারতন্ত্রকে জবাবদিহির মধ্য দিয়ে যেতে হয়নি। ধারাবাহিকভাবে সরকার কর্তৃত্ববাদী হয়েছে। অনেক সময় কর্তৃত্ববাদী সরকারের অনেক কিছু নিয়মের মধ্যে হতে দেয়। কিন্তু আমরা কর্তৃত্ববাদী সরকারের হাতে প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রম হতে দেখলাম। সংসদ একেবারে অকেজো একটা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হলো। মানবাধিকার কমিশনের কোনো ভূমিকা আমরা দেখিনি। প্রধানমন্ত্রী যা বলেন, সে অনুযায়ীই চলল কমিশন। দুর্নীতি দূর করা এবং নিয়মতান্ত্রিকতা বহাল রাখার প্রতিষ্ঠান দুদকে যে লোকবল দেওয়া হলো তারা সেই পরিবারতন্ত্রের আজ্ঞাবহ। যাকে ধরা দরকার তাকে আর ধরা হলো না।

ভালো অর্থনীতির পূর্বশর্ত ভালো রাজনীতি। তার বদলে প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা এক ধরনের দুর্নীতিগ্রস্ত সিদ্ধান্ত পেলাম। সম্প্রতি শ্বেতপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, এটা আর ক্রনি ক্যাপিটালিজমও [স্বজনতোষী পুঁজিবাদ] থাকল না, চোরতন্ত্রে পরিণত হলো। একনাগাড়ে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকে ব্যাংকগুলোকে ভেঙে ফেলা হলো। বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন দেখালেন, ১৬ বছরের প্রতিবছর ১৬ বিলিয়ন ডলার আমাদের ব্যাংকগুলো থেকে পাচার হয়ে গেছে। এই দেশের অর্থনীতি তাহলে চলবে কী করে?

অন্যদিকে একটা মিথ্যাতন্ত্র কায়েম করা হলো। ধারণা দেওয়া হলো, আমরা দারিদ্র্যসীমা থেকে উত্তরিত হয়ে গেছি। শ্বেতপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, যদি অল্প কিছুদিন কাজ না থাকে তাহলে এখন যে পরিমাণ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে আছে, এর দ্বিগুণ হয়ে যাবে। অর্থাৎ টোকা দিলেই পড়ে যাবে, এমন একটা দারিদ্র্যসীমা থেকে উত্তরণ ঘটেছে। এনার্জি সেক্টরে কাউকে কাউকে টাকা তৈরির জন্য সুযোগ করে দেওযা হয়েছে। যা হওয়ার কথা ছিল সাময়িক ব্যবস্থা, তাকে চিরস্থায়ী করে নেওয়া হয়েছে। এতে রাতারাতি বহু লোক বিরাট টাকাওয়ালা ও বিরাট ব্যবসায়ী বনে গেল। এরা কারা? সবাই এই রাজনৈতিক পরিবারতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তি। এই সেক্টরকে এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যেন ‘বৈধভাবে’ই দুর্নীতি করা যায়। এসবের মধ্য দিয়ে অর্থনীতিকে একটা ভঙ্গুর অবস্থায় নিয়ে গেছে পরিবারতন্ত্র। ব্যাংকগুলোকে একেবারে খারাপ একটা জায়গায় নিয়ে গেছে। আরেকটা বড় কাজ নৈতিকতার অবক্ষয় সৃষ্টি। এটি মানুষের মধ্যে এমনভাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এখন মানুষ বলতে পারে—রাজনীতিবিদরা পারলে আমরাও পারি।

এইসবের মধ্য দিয়ে এমন একটা ব্যবস্থার দিকে আমরা চলে গেছি যে মানুষের মানসিকতা বদলে আবার গণতন্ত্রমনা করা বা গণতন্ত্রের মৌলিক নীতির দিকে নিয়ে আসা কঠিন হবে। মানুষ গণতন্ত্র চায়, কিন্তু গণতন্ত্রের মৌলিক নীতিগুলো চর্চা করানোর যে সংস্কৃতি, সেটাই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। যা হয়েছে তা আমাদের জন্য দুঃখজনক। কিন্তু কোনো অবস্থায়ই সেনাশাসন চাই না। আমরা চাই, দলগুলোর মধ্যে ক্ষমতার বদল হোক। রাজনৈতিক ব্যবস্থাটা চলতে চলতে পরিণত হোক। অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজ—সব ক্ষেত্রে যে অবক্ষয় আমরা পেলাম, এর জন্য শুধু নির্বাচন না করে ১৬ বছর ক্ষমতায় থেকে যাওয়া দায়ী। পাঁচ বছর পর ক্ষমতার বদল হলে আওয়ামী লীগের জন্যই হয়তো ভালো হতো। অপরাজনীতি করে আওয়ামী লীগ নিজেই তার অস্তিত্ব ধ্বংস করেছে।

আইনের শাসন, নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আওয়ামী লীগের পতনের এই আন্দোলন শুধু ছাত্রদের নয়। ছাত্ররা বেরিয়ে এসেছে, সবাই তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। এই আন্দোলন এক ব্যক্তির শাসন চায় না। স্বৈরতন্ত্র চায় না। মানুষ গুম-খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা চায় না। এ কারণেই মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পথে বেরিয়ে এসেছে। এতগুলো প্রাণ আমরা বলি দিয়েছি গণতন্ত্রকে ফেরত আনার জন্য। বুঝতে হবে, এই অন্তর্বর্তী সরকার আগে থেকে পরিকল্পিত কিছু নয়। যার ফলে এরা জানে না কতটুকু কী করতে হবে। এরা কেউ আগে থেকে গুছিয়ে আসেনি। আমাদের চাহিদা গণতন্ত্র, আর কেউ যেন এ রকম স্বৈরতান্ত্রিক হতে না পারে, নির্বাচন যেন সময়মতো হয়। এই চাহিদাগুলো মেটানোর জন্য কাজ অনেক।

আমরা মনে করি, অন্তর্বর্তী সরকারকে মৌলিক সংস্কারের কাজ করে যেতে হবে। এর পরে নির্বাচনের মাধ্যমে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে, অনেক রকম সংস্কার তার স্বার্থের অনুকূলে যাবে না। তবু রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে স্থায়ী করতে চাইলে কিছু সংস্কারে যেতেই হবে। সংস্কার বাতাস থেকে হবে না। গভীর পাঠের মধ্য দিয়ে সমস্যা বের করে আনতে হবে। সরকার সংস্কারের জন্য কয়েকটি কমিশন করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সংবিধান সংস্কার কমিশন। শুরুতেই আমরা দুটি বিতর্ক এমনভাবে সামনে এনেছি যে এটা থেকে ফলাফল বের করে আনা কঠিন হবে। একদিকে আমরা বলছি, যে অন্যায়গুলো ঢোকানো হয়েছে, একেবারে নিয়মতান্ত্রিকতার মধ্য দিয়ে গিয়ে আমরা সেগুলোর পরিবর্তন করব এবং সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করব। অন্যদিকে আমরা বলছি, সংবিধানকে কেটেছিঁড়ে এমন করেছে যে এটা বাদ দিয়ে নতুন সংবিধান তৈরি করব। এই যে দ্বন্দ্বটা তৈরি করে দেওয়া হয়েছে, এটা একদিক থেকে বিপজ্জনক। এতগুলো প্রাণ গেছে, সংস্কারে আমাদের যেতেই হবে। নয়তো কোনো লাভ হবে না। কিন্তু দুটির কোন দিকে যেতে হবে, এ ব্যাপারে কোনো মতৈক্য নেই। আমাদের একাডেমিকরাও অনেক ক্ষেত্রে এই মতানৈক্য তৈরিতে সহায়তা করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে কত দিন থাকা সম্ভব এবং কতটুকু করা সম্ভব, এটুকু চিন্তা করেই বিতর্কটা করা দরকার ছিল। বিতর্কটা এখন একটু ঘোলাটে অবস্থায় আছে। তবে যা-ই হোক, কিছু সংস্কার তো করতেই হবে। যেমন—কোনো দলের কারো নেতৃত্বে পর পর দুইবারের বেশি নির্বাচন হবে না। দুইবারের পর সরে দাঁড়িয়ে দলের অন্য কাউকে নেতৃত্ব দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, সাংবিধানিকভাবে এই নিয়ম করে দিতে হবে যে দলের প্রধান, সংসদের প্রধান এবং সরকারের প্রধান একজন হতে পারবেন না। আমরা দেখেছি, এই আন্দোলনে মেয়েরা কিভাবে অংশ নিয়েছে। নারীরা এখন এগিয়েছে। সংসদে নারীর জন্য ৫০ আসন সংরক্ষিত থাকুক, এটা আর চাই না। নারীর এখন সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণ দরকার। এ জন্য জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী ৩৩ শতাংশ আসনে প্রতিটি দলকে নারী প্রতিনিধি মনোনয়ন দিতে বাধ্য থাকতে হবে। ৫০টি সোনার হারের মতো সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্যদের আমরা দেখেছি, যে দলের হয়ে তাঁরা আসেন সেই দলের হয়ে কথা বলেন, তাঁদের স্বাধীন-স্বতন্ত্র মতামত থাকে না। স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হয়ে গেছে, এখন নারী অবলা নয়; নারী শক্তিশালী। নারীকে যে দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় না সেই মনোনয়ন চাইবার সময় এখন। এটাই হবে দারুণ সংস্কার।

বিচারিক ক্ষমতা যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছে সেটিকে আবার আগের জায়গায় ফেরত নিতে হবে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন দরকার। নির্বাচন কমিশনের সংস্কার দিয়ে অনেক কিছু অর্জন করা সম্ভব। আমার ধারণা, যাঁদের হাতে নির্বাচন কমিশনের সংস্কারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁরা এ বিষয়ে অত্যন্ত বিজ্ঞ। আরো যে কমিশনগুলো হয়েছে, সেগুলোও খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশ যে এক ব্যক্তির শাসনে চলে গিয়েছিল, তার জন্য শুধু ব্যবসায়ীদের না, মিডিয়াকেও দায়ভার নিতে হবে। কোনো মুক্ত-স্বাধীন মিডিয়া আমরা পাইনি।

আমাদের স্বপ্নটা খুব বেশি না। আমাদের স্বপ্ন হচ্ছে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সরকার বদল হবে, প্রতিষ্ঠান স্বাধীনভাবে চলবে, একজনের কাজের ওপর আরেকজন এসে হস্তক্ষেপ করবে না। আমি আশা করি, অন্তর্বর্তী সরকার এটুকু আমাদের দিতে পারবে। তবে এগুলো দিতে হলে শক্ত মানুষ প্রয়োজন। আমার মনে হয়, এই সরকারের মধ্যে মধ্যবয়সী লোকজনের একটা অভাব রয়েছে। সরকারে এই ধরনের মানুষকে নিয়ে আসার এখনো সময় আছে। গণতন্ত্রের পথে উত্তরণ আমাদের ঘটাতেই হবে। আমি আশাবাদী, এই উত্তরণ ঘটবে।

আমার আগামীর প্রত্যাশা হলো, নারীরা সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেবে, লড়বে, নির্বাচিত হয়ে সগৌরবে সংসদে বসবে। আমরা যে গুম-খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গেলাম, সেগুলো আমরা জাদুঘর করে করে সংরক্ষণ করব, যেন আগামীতে আর কোনো দিন বিচারবহির্ভূত হত্যা ঘটতে না পারে। প্রত্যেকে স্বাধীনভাবে স্বাধীন মত নিয়ে এগিয়ে যাবে। সেখানে কারো হস্তক্ষেপ থাকবে না।

লেখক : অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এই বিভাগের আরও খবর
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৩৩ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা