শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:৫৮, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১৫:৩৪, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

সংস্কারের ঐকমত্য হতে হবে নাগরিকের সঙ্গে সামাজিক চুক্তি

অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ
অনলাইন ভার্সন
সংস্কারের ঐকমত্য হতে হবে নাগরিকের সঙ্গে সামাজিক চুক্তি

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে উত্তাল সময় পার করছি আমরা। জুলাইয়ের অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে এক অস্থির ও সম্ভাবনার সময় উপস্থিত হলেও এই অবস্থায় এসে উপনীত হওয়ার পেছনে আছে বাংলাদেশের ৫৩ বছরের রাজনীতি ও শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা। এই ধারাবাহিকতার প্রেক্ষাপটেই রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রশ্নটি বিবেচনা করতে হবে। অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজবাংলাদেশের রাজনীতি ৫৩ বছর ধরেই এক ধরনের দোলাচলের মধ্যে কাটিয়েছে।

সংকট ও সম্ভাবনার, আশা ও আশাভঙ্গের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ জীবন যাপন করেছে। এই সময়ে শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন ঘটেছে বহুবার। ১৯৭২ সালে সংসদীয় ব্যবস্থা দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও সেই ব্যবস্থার অবসান ঘটে সাড়ে তিন বছরের মাথায়- বাংলাদেশ একটি একদলীয় রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থায় প্রবেশ করে। তার অবসান ঘটে সেনা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে। সেনাশাসনের দীর্ঘ দেড় দশকের ইতিহাস শেষে এক গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থার প্রত্যাবর্তন ঘটে ১৯৯১ সালে।

কিন্তু যে সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়ে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পুনর্যাত্রা, তা ক্রমান্বয়ে ফিকে হয়ে যায়। এই সময় একদিকে রাজনীতিতে একটি দ্বিদলীয় ব্যবস্থার উদ্ভব ঘটে, অন্যদিকে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার বদলে এক ধরনের ‘প্রধানমন্ত্রীর শাসনব্যবস্থার’ সূচনা হয়। ক্ষমতা কেন্দ্রীকরণের এই ব্যবস্থা, যার বীজ ১৯৭২ সালের সংবিধানের ভেতরেই নিহিত ছিল, তা বিভিন্ন সংশোধনীর মধ্য দিয়ে আরো বেশি প্রকাশ্য হয়ে পড়ে।

১৯৯১-২০০৬ পর্বে ক্ষমতার এই কেন্দ্রীকরণ সত্ত্বেও একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনব্যবস্থা, গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের তুলনামূলক স্বাধীনতা এবং নাগরিকদের মধ্যে বিদ্যমান আশাবাদ একটি দুর্বল কিন্তু কার্যকর শাসনপ্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছিল। এই ব্যবস্থা একদিকে নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করেছিল, অন্যদিকে ক্রমাগতভাবে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো বেশি ভঙ্গুর করে ফেলেছিল। কিন্তু ২০০৬ সালের শেষ নাগাদ রাজনৈতিক দলগুলোর কলহ, সহিংসতা এবং ক্ষমতায় টিকে থাকা ও ক্ষমতায় অধিষ্ঠানের আগ্রহ এমন এক পর্যায়ে এসে উপনীত হয় যে এই প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতার সম্ভাবনাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

যে সীমিত গণতন্ত্র ছিল এই সময়ের বৈশিষ্ট্য, তার অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশের রাজনীতির দৃশ্যপটে সেনাবাহিনীর আবির্ভাব ঘটে। সামরিক বাহিনীর সমর্থনপুষ্ট বেসামরিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার এই আশাবাদ তৈরি করে যে শাসনব্যবস্থার যে কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো বাংলাদেশের রাজনীতিকে এক ধরনের বৃত্তচক্রের মধ্যে নিয়ে গেছে, তারা সে বিষয়ে মনোনিবেশ করবে এবং ওই কাঠামোগুলো তারা ‘সংস্কার’ করবে।

শাসনব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের যে প্রত্যাশাগুলো দীর্ঘদিন ধরে লালিত ছিল, তার এক ধরনের প্রকাশ ঘটে সরকারের পক্ষ থেকে সংস্কারের প্রতিশ্রুতিতে। কিন্তু অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা, শাসকদের চরিত্র, ক্ষমতা প্রয়োগে তাঁদের সীমা নির্ধারণে ব্যর্থতা এবং এক ধরনের বিরাজনীতিকরণের চেষ্টার ফলে সরকারের সংস্কারের বিষয়টি জনগণের কাছে ফাঁকা বুলিতে পরিণত হয়।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে শেখ হাসিনার সামনে ছিল দুটি বিকল্প। প্রথমত, ১৯৯১ থেকে ২০০৬ এই ১৫ বছরে শাসনের কাঠামোগত যে দুর্বলতা এবং ২০০৭-০৮ সালের সেনা সমর্থিত শাসনের অভিজ্ঞতার আলোকে রাষ্ট্রকাঠামোর সংস্কার, গণতান্ত্রিক প্রতিঠানগুলো তৈরি ও শক্তিশালী করা এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সচেষ্ট হওয়া। দ্বিতীয় বিকল্প ছিল ২০০৬ সালের আগের ধারায় ফিরে যাওয়া, অর্থাৎ এক ধরনের ভঙ্গুর রাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক কাঠামো অব্যাহত রাখা, যেখানে রাজনৈতিক কলহ অব্যাহত থাকবে, কিন্তু প্রতি পাঁচ বছরে ক্ষমতার হাতবদলের সম্ভাবনা বিরাজ করবে, ক্ষমতা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ কিছু মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। শেখ হাসিনা এর কোনোটাই বেছে না নিয়ে শুধু বিরোধী দল ও ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনই বেছে নিলেন না, বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দিয়ে ক্ষমতার এককেন্দ্রীকরণের দিকেই অগ্রসর হলেন। এই পদক্ষেপের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে পঞ্চদশ সংশোধনী। এই বিচারে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পশ্চাদযাত্রার প্রথম মাইলফলক হচ্ছে ২০১১ সাল। এরপর আইন ও আইনবহির্ভূত ব্যবস্থা; যেমন- গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, গায়েবি মামলাগুলো প্রবল হয়ে ওঠে, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের মতো আইন প্রণীত হয়।

২০১৪ সাল থেকে উপর্যুপরি দিবালোকে ডাকাতির ভোট, ভোট ছাড়াই বিজয়ী হওয়া এবং নিশিরাতের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের কোনো রকমের ম্যান্ডেট ছাড়াই শেখ হাসিনা ক্ষমতায় উপবিষ্ট থাকেন। এখানে যেটা লক্ষণীয় তা হচ্ছে, ২০১১ সালের পর থেকেই একটি স্বৈরাচারী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলেও তার একটা বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে ২০১৪ সালের নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে- শেখ হাসিনার শাসন কেবল আরো বেশি স্বৈরাচারীই হয়ে ওঠে তা নয়, হয়ে ওঠে ব্যক্তিতান্ত্রিক।

অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরাচারী ব্যবস্থায় ক্ষমাতসীন ব্যক্তি তার শাসনকে দীর্ঘায়িত, সম্ভব হলে আজীবন, বহাল রাখার জন্য একাদিক্রমে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে একেবারেই ধ্বংস করে দিয়ে সেখানে অনুগত ব্যক্তিদের দিয়ে দেশ শাসন করে, ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হয় পরিবার এবং অর্থনীতি হয়ে ওঠে ক্লেপ্টোক্রেটিক বা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সমর্থনপুষ্ট বিরাট আকারের চুরির পথ। বাংলাদেশে ২০১৪ সাল থেকে দৃশ্যত সীমিত গণতন্ত্রের আড়ালে এই পদ্ধতিই চালু হয়, যা ২০১৮ সালের পর খোলামেলাভাবে একটা বল প্রয়োগ নির্ভর ব্যবস্থায় পরিণত হয়। ফলে ২০১৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানগুলো, যার মধ্যে আইনসভা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, বিচার বিভাগ—সবই কার্যত এক ব্যক্তির প্রতিই অনুগত থেকেছে। আর ক্ষমতার নৈতিক বৈধতার অভাবে, এমনকি আইনি বিবেচনায়ও বৈধতার অভাবে, বল প্রয়োগ ছাড়া আর কোনোভাবেই সে ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। ২০১৪ সালের এক দশক পরে গণ-অভ্যুত্থানের পর যেটা সহজেই চোখে পড়ছে তা হচ্ছে, রাষ্ট্রীয় কাঠামোই অনুপস্থিত হয়ে গেছে। এটা এক দিনে বা এক বছরে ঘটেনি, দৈব দুর্বিপাকেও ঘটেনি। যার একটি ফল হচ্ছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব দুর্বল করে ফেলা। এইসব করা সম্ভব হয়েছে কারণ বিরাজমান সংবিধানের ভেতরেই এক ব্যক্তির ক্ষমতার পথ উন্মুক্ত ছিল এবং আছে, জবাবদিহির প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থা তৈরি করা হয়নি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনুপস্থিত থেকেছে এবং জনগণের হাতে ক্ষমতা থাকেনি।

এ কারণেই ২০২৪ সালে অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের সংস্কারের প্রশ্নটি সবার সামনে এসে  দাঁড়িয়েছে। বলা আবশ্যক যে রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের এই তাগিদ সমাজের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরেই ছিল। ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত সরকার এর একটি সীমিত দিক—রাজনৈতিক দলের দিকে নজর দেয় এবং সে বিষয়ে জনগণের উৎসাহ থাকলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। কেননা রাষ্ট্রকাঠামো, শাসনব্যবস্থা, সাংবিধানিক ও আইনি ব্যবস্থার মৌলিক দিকগুলো এড়িয়ে যে সংস্কারের কথা বলা হয়েছিল, তা দৃশ্যত চমক সৃষ্টি করলেও তার বাস্তবায়ন সম্ভব ছিল না; ক্ষমতাসীনদের কোনো সুস্পষ্ট ধারণাও ছিল না এবং ক্ষমতায় যাঁরা ছিলেন, তাঁদের উত্থান জনগণের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ঘটেনি।

সংস্কারের এই তাগিদ শুধু রাষ্ট্র ও সরকারের কাছ থেকে এসেছে তা নয়, বরং এক দশকের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন সিভিল সোসাইটি সংগঠন এবং কয়েক বছর ধরে বিদ্যমান স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের মধ্যেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বলে এসেছে, তাদের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছে। আগস্ট মাস থেকে সারা দেশে বিভিন্নভাবে যেসব আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাতেও যেসব মতামত প্রকাশিত হয়েছে, তাতে এটাই সবচেয়ে বেশি লক্ষণীয় যে মানুষের আগ্রহ শুধু আশু পরিবর্তনের মধ্যে সীমিত নয়। তারা চাইছে, গত প্রায় সাড়ে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা তাদের এই শিক্ষা দিয়েছে যে এর পুনরাবৃত্তি রোধের উপায় কেবল আশু একটি নির্বাচন নয়, বরং আরো বেশি। এই অভিজ্ঞতাকে তারা দেড় দশকের নিপীড়নের বা জুলাই-আগস্টের ম্যাসাকারের মধ্যেই সীমিত রাখছে না, কেননা এটা তাদের কাছে সহজেই বোধগম্য যে বিদ্যমান শাসনকাঠামো, সাংবিধানিক ব্যবস্থা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে এমনকি আরেকটি সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব হলেও তা ভবিষ্যতে স্বৈরাচারী শাসকের উত্থান রোধ করতে সক্ষম নয়।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার এবং এই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীরা সংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের কথা বললেও আজকের সংস্কারের প্রশ্নকে অবশ্যই সরকারের বা শিক্ষার্থীদের ‘প্রত্যাশা’ বলে বিবেচনা করার উপায় নেই। কেননা ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামো পুনর্গঠনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগুলোকে নতুন করে ঢেলে সাজানো দরকার। এই প্রক্রিয়া স্বল্প সময়ের কাজ নয়, কিন্তু তার সূচনা করা জরুরি। তার চেয়েও জরুরি যা তা হচ্ছে, স্বৈরাচারী ব্যবস্থার উত্থানের উৎসগুলো চিহ্নিত করা এবং কী কী আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, যা এই ধরনের শাসনের উত্থান রোধ করবে সে বিষয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিগুলোর ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা।

এই ঐকমত্যকে কোনো অবস্থায়ই ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতা বলে বিবেচনা করা সঠিক হবে না। এই ধরনের ঐকমত্যকে নাগরিকদের সঙ্গে রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ‘সামাজিক চুক্তি’ বলেই বিবেচনা করতে হবে। এই ঐকমত্যকে যদি এইভাবে বিবেচনা করা না যায় এবং এই মর্যাদায় উন্নীত না করা যায় তাহলে তা শুধু কাগুজে বিষয়ে পরিণত হবে। এই বিবেচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা একার্থে সাহায্যকারীর। কিন্তু এটাও মনে রাখা দরকার যে এই সরকার দায়িত্ব নিয়েছে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিভূ হিসেবে। ফলে এই প্রক্রিয়ায় সাহায্যকারীর অবস্থান আর দশটি ক্ষেত্রে সাহায্যকারীর ভূমিকা ও অবস্থান থেকে ভিন্ন। তাঁরা সেই নাগরিকদেরও প্রতিনিধিত্ব করেন, যাঁদের প্রাণ ও রক্তের বিনিয়ে এই সংস্কারের এবং নতুন সামাজিক চুক্তির সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

লেখক : সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান এবং ডিস্টিঙ্গুইশড প্রফেসর, রাজনীতি ও সরকার বিভাগ ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র, আটলান্টিক কাউন্সিলের অনাবাসিক সিনিয়র ফেলো।

এই বিভাগের আরও খবর
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা