ভারতের হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ‘বঙ্গসেনা’ বাংলাদেশকে ভেঙে তার ছয় জেলা নিয়ে হিন্দুদের জন্য ‘স্বাধীন বঙ্গভূমি রাষ্ট্র’ গঠনের জন্য আবারও দাবি তুলেছে। তারা বলেছে, বাংলাদেশ ভেঙে পৃথক দেশ গঠন না হলে প্রায় ৫ কোটি হিন্দু শরণার্থীর দায়িত্ব চাপবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর।
মূলত বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা হিন্দু উদ্বাস্তু এবং ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীদের নিয়ে গঠিত সংগঠন এই বঙ্গসেনা। বুধবার ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের দিনই এ সংগঠনটি তাদের নিজেদের ৪৩তম স্বাধীনতা দিবস পালন পর্যায়ে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের তিস্তা নদীর পাড়ে কেন্দ্রীয় সমাবেশ করে। প্রথমে পতাকা উত্তোলন, পরে রোডমার্চ এবং সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দিনটি পালন করেন ‘বঙ্গসেনা’র নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা। অনুষ্ঠানে যোগ দেন সংগঠনটির আসাম, নাগাল্যান্ড, উত্তরবঙ্গ এবং কলকাতা থেকে আগত কর্মী ও সমর্থকরাও।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, যশোর, খুলনা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া বরিশাল ও পটুয়াখালী এ ছয়টি জেলা নিয়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের আলাদা ‘বঙ্গভূমি রাষ্ট্র’ গঠন করতে হবে।
বঙ্গসেনার মুখপাত্র বিমল মাঝি বলেন, ‘বাংলাদেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘু নির্যাতন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা ও পূর্ববঙ্গের হিন্দুদের মুক্তির একমাত্র রাস্তা ভূমি নিয়ে আলাদা হোমল্যান্ড অর্থাৎ স্বাধীন বঙ্গভূমি রাষ্ট্র গঠন করা। এর বিকল্প কোনো পথ হতে পারে না।’ তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই আমরা আমাদের বক্তব্য জানিয়েছি ভারত সরকারকে। তারা তাদের প্রতিক্রিয়া দেবে। আগামী দিনে এ দাবি নিয়ে দিল্লিতে জাতিসংঘের কার্যালয়ে যাওয়া হবে।