নগরবাসীর কাছে পিঠার গুরুত্ব তুলে ধরার লক্ষ্যে বরাবরের মতো এবারও যৌথভাবে জাতীয় পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
উৎসবের সহযোগিতায় রয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এটি নিয়মিত আয়োজনের অষ্টাদশ পর্ব। ৩০ জানুয়ারি বিকালে শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণের উৎসব মঞ্চে ১০ দিনব্যাপী জাতীয় পিঠা উৎসব ১৪৩১ এর উদ্বোধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। গতকাল শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিদিন বিকাল তিনটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত চলবে উৎসবের কার্যক্রম। স্টলে পিঠা শিল্পীদের পিঠার স্বাদ গ্রহণ করার পাশাপাশি উৎসবমঞ্চে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন উৎসব প্রাঙ্গণে আগতরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ১২০ জন সংগীতশিল্পী, ২২টি নাচের দল, ২০টি নাটকের দল আবহমান সংস্কৃতির বিভিন্ন মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিবেশন করবে। ৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে দশদিনের এ উৎসব। বিচারকদের রায়ে সমাপনী আসরে পাঁচজন পিঠাশিল্পীকে শ্রেষ্ঠ পিঠাশিল্পীর পুরস্কার প্রদান করা হবে।