শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, প্রতিনিধি সম্মেলন, রবীন্দ্র পদক প্রদান, নৃত্য ও সংগীতের মধ্য দিয়ে গতকাল ছায়ানট মিলনায়তনে শেষ হলো জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের তিন দিনব্যাপী ৪৩তম বার্ষিক অধিবেশন। সকাল ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সমাপনী দিনের আনুষ্ঠানিকতা। বুলবুল ইসলামের নেতৃত্বে সারা দেশ থেকে আগত প্রতিনিধিরা শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর সকাল ১০টায় ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবন মিলনায়তনে প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। মফিদুল হকের সভাপতিত্বে প্রতিনিধি সম্মেলনে আর্থিক প্রতিবেদন পেশ করেন কোষাধ্যক্ষ নাসেহুন আমীন।
প্রশিক্ষণ এবং প্রতিযোগিতা বিষয়ে বক্তব্য দেন বুলবুল ইসলাম এবং লাইসা আহমদ লিসা। সারা দেশ থেকে আগত প্রতিনিধরা শাখার বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করেন।
বিকাল সাড়ে ৪টায় সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পী রফিকুন নবী। শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন জহিরুল হক খান। ঘোষণাপত্র পাঠ করেন লাইসা আহমদ লিসা। বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পাপিয়া সারোয়ারকে (মরণোত্তর) প্রদান করা হয় এবারের রবীন্দ্রপদক। প্রয়াত শিল্পীর পক্ষ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন সারোয়ার-ই আলম।
সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন খন্দকার খায়রুজ্জামান কাইয়ুম, মনসুরা বেগম, মেজবাহুল আলম, সুমা রায়, প্রকৃতি রায় সাঁঝ, ফাহিম হোসেন চৌধুরী, তাজমিনুর রহমান, রানা সিন্?হা, আবদুল্লাহ আল মামুন, সিরাজুল সালেকীন, শম্পা আচার্য, বুলবুল ইসলাম, এ টি এম জাহাঙ্গীর, লাইসা আহমদ লিসা, তানিয়া মান্নান, বিথী পান্ডে, ঝুমা খন্দকার, পূরবী দে সেমন্তী, মৃদুল চক্রবর্তী, নুরজাহান বেগম শ্যামলীনা, মহাদেব ঘোষ, দিবাকর বিশ্বাস, শিমু দে, ইলোরা আহমেদ শুক্লা, আজিজুর রহমান তুহিন ও শামা জয়নাব। লোকসংগীত পরিবেশন করেন চন্দনা মজুমদার, শ্রীকৃষ্ণ গোপাল এবং সাগর বাউল। দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন সিলেটের নাচের দল নৃত্যশৈলী ও একক নৃত্য পরিবেশন করেন অমিত চৌধুরী, সুইটি দাশ, তাথৈ।
উল্লেখ্য, ২৩ জানুয়ারি ছায়ানট মিলনায়তনে তিনদিনের এই অধিবেশনের উদ্বোধন করেন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ফাহমিদা খাতুন।