প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত সময়সূচি ধরেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেছেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ঘোষিত যে টাইম ফ্রেম; ওইটাকে মাথায় রেখে আমরা কাজ করছি।’ গতকাল সকালে নির্বাচন ভবনে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ভোটার তালিকা হালনাগাদ কাজের জন্য অনুষ্ঠানে ইসির কাছে বিভিন্ন কারিগরি যন্ত্রপাতি হস্তান্তর করে ইউএনডিপি। গত বিজয় দিবসে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আগামী নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে ধারণা দিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছিলেন, ভোট কবে হবে তা নির্ভর করবে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে কতটা সংস্কার করে নির্বাচনে যাওয়া হবে তার ওপর। মোটাদাগে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে হতে পারে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন। এর মধ্যে গত ১৪ জানুয়ারি বিএনপির তরফে বলা হয়, আগামী জুলাই-আগস্টের মধ্যে তারা সংসদ নির্বাচন চান। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সিইসি নাসির উদ্দীন বলেন, রাজনৈতিক বক্তব্যের মধ্যে আমরা ঢুকতে চাই না। আমরা আইনকানুন, বিধিবিধান, সিস্টেমের মধ্যে থাকব। ভোটার হালনাগাদ কাজের জন্য ইউএনডিপির কাছ থেকে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি হাতে পেয়ে সিইসি বলেন, ইউএনডিপি কারিগরি সহায়তার জন্য একটা নিডস অ্যাসেসমেন্ট টিম পাঠিয়েছে। তারা ল্যাপটপ, ক্যামেরা, স্ক্যানার ও ব্যাগ (১৭৫টি ল্যাপটপ, ২০০টি স্ক্যানার ও ৪৩০০টি ব্যাগ) হস্তান্তর করেছে।
৬৫ হাজার লোকবল কাজে নিয়োজিত থাকবে। ইউএনডিপির এ সহায়তায় আমরা কৃতজ্ঞ। ইলেকশন প্রসেসেও আমরা হয়তো তাদের সহায়তা চাইব। আশা করি, সাপোর্ট দিয়ে যাবে। এটা শুরু মাত্র, তা অব্যাহত থাকবে।
মাস ছয়েকের মধ্যে বিএনপির তরফে ভোট চাওয়া হলেও ভোটার হালনাগাদেই ছয় মাসের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করার কথা বলছেন সিইসি নাসির। তিনি বলেন, আমরা ছয় মাসের জন্য প্ল্যান করেছি। কিছু কমবেশি হতে পারে। টার্গেট হচ্ছে- ছয় মাসে যাতে শেষ করতে পারি। এ হালনাগাদে নতুন করে ১৯ লাখ ভোটার যুক্ত হতে পারে বলে ধারণা করছেন নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা।