শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৫৯, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

মুসলিমজীবনের জন্য অপরিহার্য মহাগ্রন্থ আল-কোরআন

শাইখ মুহাম্মাদ জামাল উদ্দীন
অনলাইন ভার্সন
মুসলিমজীবনের জন্য অপরিহার্য মহাগ্রন্থ আল-কোরআন

জ্ঞানগর্ভ ও উপদেশে ভরা আল-কোরআন জীবনের জন্য অপরিহার্য একটি গাইড বই। মানুষ কোথায় কখন কী করবে, কেন করবে, কিভাবে করবে—সব বিস্তারিত বলে দেওয়া হয়েছে কোরআনে। আল-কোরআন তথা আল্লাহ প্রদত্ত আসমানি কিতাবের হিদায়াতের বাইরে কোনো জীবনদর্শন নেই, কোনো ধর্মদর্শন নেই, কোনো মুক্তির পথ নেই। মানবজাতির সূচনালগ্নেই এ কথাটি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বাবা আদম (আ.) ও মা হাওয়া (আ.)-কে আল্লাহ যখন পৃথিবীতে বিচরণের জন্য পাঠিয়েছেন, তখন আল্লাহ জনিয়ে দিয়েছেন, ‘আমি তাদের বলেছিলাম, তোমরা সবাই এখান থেকে দুনিয়ায় যাও। তারপর তোমাদের মঙ্গলের জন্য আমি অবশ্যই যুগে যুগে সত্যপথের দিকনির্দেশনা প্রেরণ করব। তখন যারা এই দিকনির্দেশনা অর্থাৎ কিতাবের বিধি-বিধান অনুসরণ করবে, তাদের কোনো ভয় বা দুঃখ থাকবে না। আর যারা এই কিতাবের নৈতিক বিধি-বিধান অস্বীকার করবে, তারাই জাহান্নামের আগুনে পুড়বে। সেখানেই থাকবে তারা চিরকাল।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত ৩৮-৩৯)

তার মানে দুনিয়ার জীবনে শান্তি আর আখিরাতের জীবনে মুক্তির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে যুগে যুগে হিদায়াত এসেছে। সেই হিদায়াত যারা মেনে চলবে, তাদের কোনো ভয় নেই। আর যারা অস্বীকার করবে, তাদের কোনো রক্ষা নেই।

উম্মতে মুহাম্মদির জন্য সর্বশেষ আসমানি হিদায়াতের নাম আল-কোরআন। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পরিবার-সমাজ-রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক জীবনে ন্যায়-ইনসাফ-শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কোরআনের বিকল্প নেই। একইভাবে আখিরাতের মুক্তির জন্য মানুষের কাছে কোরআন এক অপরিহার্য গ্রন্থ। আল্লাহ বলেন, ‘হে নবী! এই কোরআন অনুসরণ যিনি তোমার ওপর ফরজ করেছেন, তিনি অবশ্যই তোমাকে চূড়ান্ত গন্তব্যে ফিরিয়ে আনবেন। যারা সত্য অস্বীকার করছে তাদের বলো, আমার প্রতিপালক খুব ভালো করে জানেন, কে সত্য ধর্ম নিয়ে এসেছে আর কে সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে লিপ্ত।’ (সুরা : কাসাস, আয়াত : ৮৫)

কোরআন অনুসরণ শুধু আল্লাহ ফরজই করেননি; এই ফরজ কে কতটুকু আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করেছে, সেটাও কিয়ামতের দিন আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন। এর পরই ফয়সালা হবে তার জন্য জান্নাত না জাহান্নাম অপেক্ষা করছে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমার ওপর যে ওহি নাজিল হয়েছে, তা অনুসরণে অটল থাকো। তুমি সাফল্যের সরলপথেই আছ। নিঃসন্দেহে এই কোরআন তোমার ও তোমার অনুসারীদের জন্য অত্যন্ত সম্মানের বিষয়। কিন্তু সময় হলে তোমাদের অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এই কোরআন নিয়ে তোমরা কী করেছ।’ (সুরা : জুখরুফ, আয়াত : ৪৩-৪৪)

মানুষ অজ্ঞ। সে নিজের পরিচয়ই জানে না। মানুষ অন্ধ। সে নিজের স্রষ্টাকেই চেনে না। কোরআন মানুষের চোখ খুলে দেয়। তাকে জানিয়ে দেয় তার পরিচয়। জানিয়ে দেয় প্রভুর পরিচয়। তার গলায় পরিয়ে দেয় ঈমানের মালা। যুগে যুগে রাসুলদের দাওয়াতি মিশন ছিল এটাই। আল্লাহকে চেনানো। কোরআনে আল্লাহ বলেন—রাসুলরা বলল, ‘আল্লাহর অস্তিত্ব ও একত্বের বিষয়ে কি কোনো সন্দেহ থাকতে পারে? যিনি মহাকাশ ও পৃথিবীর সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা? তিনি তোমাদের ডাকছেন, যাতে তিনি তোমাদের অতীতের সব পাপ মোচন করতে পারেন এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত ভালো কাজ করার সুযোগ দিতে পারেন।’ (সুরা : ইবরাহিম, আয়াত : ১০)

কোরআনের দাওয়াত খুব জটিল কোনো বিষয় নয়; বরং মানুষ যেন মানুষ হতে পারে, তার জীবনে যেন কোনো বিকৃতি না আসে অথবা যে বিকৃতি এসেছে সেটা যেন সংশোধন হয়ে যায়—এটাই কোরআনের উদ্দেশ্য। ফলে সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনের জন্যও কোরআন অপরিহার্য। আল্লাহ বলেন, ‘আসলে বিবেক প্রয়োগ করে সত্য না জানার কারণে সীমালঙ্ঘনকারীরা নিজেদের কামনা-বাসনার অনুসরণ করে। এ কারণে আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট হতে দেন, কে তাকে সৎপথ দেখাবে? ওরা কারো সাহায্যও পাবে না। অতএব হে বিশ্বাসীরা! তোমরা সকল মিথ্যা পরিত্যাগ করে একনিষ্ঠভাবে ধর্মের ওপর নিজেদের কায়েম রাখো। আল্লাহ যে প্রকৃতিতে মানুষ সৃষ্টি করেছেন, সেই সৎ প্রকৃতির অনুসরণ করো। আল্লাহর সৃষ্ট এই প্রকৃতিকে দূষিত-বিকৃত কোরো না। এটাই সত্য ধর্ম, সর্বোচ্চ ধর্মবিধান। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষই তা জানে না।’ (সুরা : রুম, আয়াত : ২৯-৩০)

আল-কোরআনের প্রথম আয়াত নাজিল হয় ৬১০ সালে আর শেষ আয়াত ৬৩২ সালে। ধাপে ধাপে খণ্ডে খণ্ডে দীর্ঘ ২৩ বছরে পরিপূর্ণতা পায় আল-কোরআন। প্রথম আয়াত নাজিল হওয়ার পরই স্পষ্ট হয়ে ওঠে এর আকর্ষণী ক্ষমতা। অবিদ্যা বা জাহিলিয়াতের অন্ধকারে নিমজ্জিত মানুষগুলো আলোর সন্ধান পায়। সেই আলোয় বদলাতে শুরু করে তারা। পিতৃপুরুষের হাজার বছরের সংস্কার ও ধর্মান্ধতার বৃত্ত ভেঙে তারা লাভ করে মুক্ত বিশ্বাস ও সঠিক জীবনদৃষ্টি।

আল-কোরআন কেবল ব্যক্তিজীবনকেই পরিশুদ্ধ করে না, জাতিকেও বিশ্বের দুয়ারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে ভূমিকা রাখে। কোরআনের প্রথম আয়াত নাজিল হওয়ার ৫০ বছরের মধ্যে মুসলমানরা তদানীন্তন পরাশক্তি রোমান ও পারস্য সাম্রাজ্যকে নিশ্চিহ্ন করে পরিণত হয় তখনকার একমাত্র পরাশক্তিতে। ‘আলিফ-লাম-মীম। রোমানরা নিকটবর্তী অঞ্চলে পরাজিত হয়েছে। কিন্তু এই পরাজয় সত্ত্বেও কয়েক বছরের মধ্যে ওরা বিজয়ী হবে। পূর্বের ও পরের সকল ফয়সালার এখতিয়ার শুধু আল্লাহর। একদিন আল্লাহর দেওয়া বিজয়ে বিশ্বাসীরা আনন্দিত হবে। তিনি যাকে ইচ্ছা বিজয় দান করেন। তিনি মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু। আল্লাহ বিজয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহ কখনো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষই তা বোঝে না। ওরা পার্থিব জীবনের দৃশ্যমান বিষয়েই শুধু জানে। কিন্তু চূড়ান্ত নিগূঢ় সত্য সম্পর্কে ওদের কোনো জ্ঞানই নেই।’ (সুরা : রুম, আয়াত : ১-৭)

ইতিহাস সাক্ষী! কোরআন ছাড়া আর কোনো গ্রন্থই প্রচারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের হৃদয়ে এত আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারেনি, এত দ্রুত মানুষকে এমনভাবে বদলে দিতে পারেনি। কোরআন সরাসরি যাদের সামনে নাজিল হয়েছিল তাঁরাই শুধু আলোকিত হননি; ধর্মান্ধতা ও পাশবিকতার পরিবর্তে ধর্ম, মানবিকতা ও মুক্তবুদ্ধির এই স্রোত প্রবাহিত হয়েছে প্রজন্মের পর প্রজন্মে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। 

ধর্ম, মানবিকতা ও মুক্তবুদ্ধির এই স্রোত ইতিহাসের মধ্যযুগে সৃষ্টি করেছিল এক আলোকোজ্জ্বল সভ্যতা। কোরআনের অনুসারীরা যখন শিল্প-সাহিত্য, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় অবগাহন করছিল, তখন ইউরোপ ডুবে ছিল অজ্ঞতা ও ধর্মান্ধতার অন্ধকার যুগে। প্রাচ্যের এই আলোকোজ্জ্বল সভ্যতা থেকেই ইউরোপের দেশে দেশে কোরআনের মানবিকতা ও মুক্তবুদ্ধির বাণী পৌঁছতে থাকে বিভিন্নভাবে। ইউরোপে সূচনা হয় রেনেসাঁ বা মুক্তবুদ্ধির জাগরণ। নতুনভাবে শুরু হয় জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা। এগোতে থাকে বিজ্ঞান। তাই নিঃসংশয়ে বলা যায়, কোরআন যে মানবিকতা, জ্ঞানচর্চা ও মুক্তবুদ্ধির শিক্ষা দিয়েছে, তারই ফল্গুধারায় লালিত হয়ে বিশ্ব প্রবেশ করেছে বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে। তাই অকপটে বলা যায়, জীবন-সভ্যতা ও প্রযুক্তির উৎকর্ষে কোরআনের ভূমিকা অপরিসীম।

লেখক : চেয়ারম্যান, জামালী তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশন ও খতিব, রূপায়ণ টাউন সেন্ট্রাল মসজিদ

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

২৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৩৯ মিনিট আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা