ঝিনাইদহে ব্যক্তিগত জমি দখল করে সেতু নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে এলজিইডির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি।
অভিযোগে জানা গেছে, পাগলাকানাই-জিয়ানগর সড়কের ডেফলবাড়ী গ্রামে প্রবেশপথে সিরিজ খালের ওপর এলজিইডির অর্থায়নে সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে সরকারি জমি বাদ রেখে ডেফলবাড়ী গ্রামের শামসুল আলম ওরফে সোমা মুন্সির ব্যক্তিগত জমির ওপর সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। ওই কাজ ২০২৪ সালে শুরু হয়ে ২০২৫ সালে শেষ হয়েছে। তিনি বারবার ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ও এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষেধ করলেও তারা তা শোনেননি। মূল্যবান জমি হারিয়ে পাগলের মতো সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে দিনের পর দিন ঘুরছেন।
ভুক্তভোগী সোমা মুন্সি বলেন, ‘ডেফলবাড়ী-৯৪ মৌজার অধীনে ৭২৬ খতিয়ানে ৪২৭ দাগে আমার ১২ শতক জমি ছিল। এলাকার মানুষের সেবা দেওয়ার কথা বিবেচনা করে ১৯৯৬ সালে সেখান থেকে ৫ শতক জমি কমিউনিটি ক্লিনিকে দান করি। ওই জায়গায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি ক্লিনিক নির্মাণ করেছে। কিন্তু ওই জমির আরও ২ শতক দখল করে এলজিইডি সেতু নির্মাণ করেছে।’
এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘যে জায়গায় পুরোনো সেতু ছিল সেখানেই সেতুনটি নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি ওই জমির মালিক একদিন আমাকে বলেছিলেন। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখি কী করা যায়।’