বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী (৭৬) আর নেই। গতকাল বেলা ১১টার পর রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়া মাদরাসায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মাওলানা আতাউল্লাহ প্রখ্যাত আলেম মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ হাফেজ্জী হুজুরের ছোট ছেলে। তাঁরা চার ভাই ছিলেন। এর মধ্যে বড় ভাই আহমদুল্লাহ আশরাফ, মেজো ভাই ওবায়দুল্লাহ ও সেজো ভাই হামিদউল্লাহ আগেই মারা যান। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, মাওলানা আতাউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ঈদের আগে হাসপাতাল থেকে তাঁকে কামরাঙ্গীরচর জামিয়া নূরিয়া মাদরাসায় নেওয়া হয়। বাবার প্রতিষ্ঠিত এ মাদরাসার তিনি মহাপরিচালক ছিলেন। খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন জানান, গতকাল রাত ১০টায় জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা মাঠে তাঁর জানাজা শেষে মাদরাসা প্রাঙ্গণে বাবার কবরের পাশে তাঁর লাশ দাফন করার কথা।
মাওলানা আতাউল্লাহ ১৯৯৬ সাল থেকে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের আম্বর শাহ (রহ.) শাহি জামে মসজিদের প্রধান খতিব ছিলেন। অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন তিনি দায়িত্ব পালন করতে পারছিলেন না। বাদ জুমা আম্বর শাহ মসজিদে তাঁর মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। মাওলানা আতাউল্লাহ কওমি মাদরাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির ছিলেন। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জীর মৃত্যুতে বিভিন্ন ইসলামী দল, ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক জানানো হয়েছে।
তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। শোকবার্তায় মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী (রহ.) ইসলামের প্রচার ও ইসলামি রাজনীতিতে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি তাঁর বাবার মতোই ইসলামবিরোধী শক্তির মোকাবিলায় অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।