দেশের স্বনামধন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বসুন্ধরা শুভসংঘ। আমি যোগদানের পর মধ্যনগর উপজেলায় তাদের বিভিন্ন মানবিক ও সচেতনতামূলক কাজ প্রত্যক্ষ করছি। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলের অসহায় অতিদরিদ্র মানুষের কাছে এই সংগঠনের নাম বেশ সুপরিচিত। বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা সরেজমিনে গিয়ে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের খোঁজখবর রাখেন।
বসুন্ধরা শুভসংঘের ছোঁয়ায় মধ্যনগর উপজেলার অনেক অসহায় মানুষ উপকৃত হচ্ছে। শুনেছি, এই সংগঠন শীতকালে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণসহ নানা কার্যক্রম করেছে। দরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে তাদের পড়াশোনা নিশ্চিত করছে বসুন্ধরা গ্রুপ। নানাভাবে অতিদরিদ্র পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে কাজ করছে দেশসেরা এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানটি।
প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়ালেখা নিশ্চিত করতে তারা অনেকগুলো বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছে। এই স্কুলে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে সব ধরনের সুযোগ পাচ্ছে অভাবী পরিবারের শিশুরা। বসুন্ধরা গ্রুপকে আরো বেশি করে মানবিক কাজে অংশগ্রহণ করার আহবান জানাচ্ছি।
সম্প্রতি বসুন্ধরা গ্রুপ শুভসংঘের মাধ্যমে মধ্যনগর উপজেলায় ২০ জন অসচ্ছল নারী ও শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের সেলাই প্রশিক্ষণ প্রদান করে তাঁদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দিয়েছে।
যাঁরা এই সেলাই মেশিন পেলেন, আশা রাখছি তাঁরা পরিবারে সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে পারবেন। এই হাওর অধ্যুষিত অঞ্চলের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপকে আরো বেশি করে এগিয়ে আসতে হবে। আমি আশা করি, হাওরাঞ্চলের আরো অসচ্ছল নারীদের জন্য সেলাই প্রশিক্ষণ, অর্থের অভাবে যেসব অভিভাবকের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া বন্ধ করে দিয়েছে, তাদের পাশে দাঁড়াবে বসুন্ধরা গ্রুপ। আমি এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি। মানবিক কাজে তারা যেন আরো বেশি করে নিজেদের নিয়োজিত করে।
দেশকে আরো উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে বসুন্ধরার মতো শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন।