শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:২১, বৃহস্পতিবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আরেকটি সুযোগ কি হাতছাড়া হচ্ছে!

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
আরেকটি সুযোগ কি হাতছাড়া হচ্ছে!

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এক নয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে দুটিই স্মরণীয় ঘটনার দিন। একটির নায়ক ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ঘটনা পরিচিতি লাভ করে ওয়ান-ইলেভেন নামে। অন্যটির নায়ক দেশের ছাত্র-জনতা। পরিচিতি লাভ করে জুলাই বিপ্লব নামে। ওয়ান-ইলেভেনের নায়ক মইন উ আহমেদের নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনী। বিএনপি ও মিত্র রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ছাড়া সবাই তখন তাদের স্বাগত জানিয়েছিল। আওয়ামী লীগ ও তখনকার সুশীল সমাজ গর্ব করে বলত, ওয়ান-ইলেভেন তাদের আন্দোলনের ফসল। জুলাই বিপ্লবে ঘটল এর উল্টো। এ ঘটনার নায়ক ছাত্র-জনতা। আওয়ামী লীগ ও মিত্র রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ছাড়া দেশবাসী এ বিপ্লবে অংশগ্রহণ করেছে। আর এ বিপ্লবকে সমর্থন করেছে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী। তবে দুটি ঘটনার উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন- দেশটা হবে জনগণের এবং দুর্নীতিমুক্ত। প্রতিষ্ঠিত হবে আইনের শাসন। মানুষের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার থাকবে সুরক্ষিত। শেষ পর্যন্ত ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের যা পরিণতি হয়েছিল এবং বিগত ১৮ বছর দেশবাসীর কপালে যা জুটল, তা যেন চুন খেয়ে মুখ পুড়ে দই দেখে ভয় পাওয়ার মতো অবস্থা।

অনেকেই ওয়ান-ইলেভেন সরকারের পোস্টমর্টেম করেছেন অনেকভাবে। সাধারণত তিন সময়ে এবং তিনভাবে এটি করা হয়েছে। ঘটনা ঘটার আগে কেউ কেউ এমন একটি সরকারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন। সে কারণে পরবর্তীতে দাবি করা হয়েছিল, ওই সরকার ছিল তাদের সরকার। ওই সরকারের শাসন চলাকালে অনেকেই সফলতার কথা আগ বাড়িয়ে বলেছিলেন। তাদের অদক্ষতা, অসততা ও জাতির সঙ্গে প্রতারণার কথা কেউ সাহস করে বলেননি। তবে বিদায়ের পর আবার কেউ কেউ ব্যর্থতার নানা দিক নিয়ে কথা বলেছিলেন। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সবচেয়ে দুঃসাহসিক কাজ ছিল ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং একই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা। দুই নেত্রীকে গ্রেপ্তার করার মতো ঘটনায় ওই সরকারের প্রতি তখন সাধারণ মানুষের ভীতি তৈরি হয়। এ সরকারের পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব-এমন একটি ইমেজও তৈরি হয়েছিল। সেই সঙ্গে মাইনাস টু ফর্মুলার উদ্ভাবকরা আনন্দে উল্লসিত হয়েছিলেন। তবে দেশের প্রয়োজনীয় সংস্কার, রাজনীতির অরাজনৈতিক কার্যক্রম ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সব সুযোগ এবং জনসমর্থন ওই সরকার পেয়েছিল। সুবর্ণ সুযোগ হাতের মুঠোয় পেয়েও কাজের চেয়ে অকাজে জড়িয়ে পড়ায় মানুষ দিনদিন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে মাত্র আট মাসের মাথায় ২০০৭ সালের ২০ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ছাত্রদের খেলা কেন্দ্র করে ছাত্র ও সেনাসদস্যদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। সেনাসদস্যরা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালায়। লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান মোবাশ্বের মোনেম সেনাসদস্যদের দ্বারা লাঞ্ছনার শিকার হন। এর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। এরপর ২১, ২২ ও ২৩ আগস্ট সারা দেশে সেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে বিভিন্ন ইস্যুতে জনরোষ বাড়তে থাকে। যা হোক, পরের ঘটনা কমবেশি সবারই জানা। একটি ইতিবাচক পরিবর্তন অর্থাৎ সংস্কার করার যে সুযোগ ওই সরকার ও সেনাবাহিনী পেয়েছিল, বেলা শেষে সে সুযোগ হাতছাড়া হয়। প্রকাশিত হতে থাকে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য অংশীজনদের অদক্ষতা, অসততা ও জাতির সঙ্গে প্রতারণার ভয়াবহ সব কাহিনি। তারা এত বেশি অপকর্ম করেছিল যে, ওয়ান-ইলেভেনের সুবিধাভোগী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পরও কোনো কুশীলব দেশে নিজেকে নিরাপদ ভাবতে পারেননি। বাধ্য হয়ে মইন উদ্দিন, ফখরুদ্দীনসহ সংশ্লিষ্ট প্রায় সবাই দেশ ছাড়েন। আর যারা দেশের মধ্যে ছিলেন তাদের অনেকেই মৃত্যুবরণ করেছেন। অনেকে নিজেদের রীতিমতো গুটিয়ে রেখেছেন। চলে গেছেন লোকচক্ষুর অন্তরালে। ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলব কথাটি এখন দেশবাসীর কাছে গালি হিসেবে বিবেচিত। আর যারা মাইনাস টু ফর্মুলার উদ্ভাবক ছিলেন, তারা এখনো গণধিকৃত হয়ে আছেন।

দীর্ঘ ১৮ বছর পর আরও একটি সুযোগ আমরা পেলাম। ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারের জগদ্দল পাথর সজোরে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল। আমরা আমজনতা হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের নেতা-কর্মী ছাড়া প্রায় সবাই ছাত্র-জনতাকে শাবাশ দিয়েছে। প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছে। মিষ্টি বিতরণ করেছে। সুযোগ থাকার পরও বন্দুক হাতে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করেনি। বরং বিপ্লবী ছাত্র-জনতা বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ফুল দিয়ে বরণ করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। প্রথমে তিনি এ গুরুদায়িত্ব নিতে রাজি হননি। দায়িত্ব গ্রহণের ঐতিহাসিক ঘটনা বিশ্ববাসী ও দেশবাসীর সামনে তুলে ধরে ড. ইউনূস বলেছেন, আমি তখন প্যারিসে ছিলাম। আরেকটি সুযোগ কি হাতছাড়া হচ্ছে!অলিম্পিক আয়োজন নিয়ে কাজ করছিলাম। ঠিক সে সময়ই প্রথম ফোন আসে। আমি তখন হাসপাতালে ছোট্ট একটি অস্ত্রোপচারের জন্য ভর্তি ছিলাম। ফোনে বলা হয়, শেখ হাসিনা চলে গেছেন, এখন আমাদের সরকার গঠন করতে হবে। অনুগ্রহ করে আমাদের জন্য সরকার গঠন করুন। আমি বললাম, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না এবং এতে জড়াতে চাই না। কিন্তু আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বারবার অনুরোধ জানায়। তারা বলে, দেশের সংকট মুহূর্তে আপনিই উপযুক্ত ব্যক্তি। আমি তাদের বোঝানোর চেষ্টা করলাম, বাংলাদেশে অনেক ভালো নেতা আছেন, তোমরা কাউকে খুঁজে নাও। কিন্তু তারা বলল, না, আমরা কাউকে পাচ্ছি না। আপনাকেই আসতে হবে। শেষ পর্যন্ত ছাত্রদের আত্মত্যাগের কথা ভেবে রাজি হই। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রেক্ষাপট সহজসরল শিশুর মতো তিনি একাধিকবার দেশে-বিদেশে বলেছেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে বিশ্ববরেণ্য এ মানুষটি হয়তো আজ জেলখানায় থাকতেন। কিন্তু ছাত্র-জনতার অকুণ্ঠ আস্থায় মহান আল্লাহ তাঁকে সম্মানিত করেছেন। এ মহান ব্যক্তিত্ব দেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশবাসীর প্রত্যাশা হয়েছিল আকাশচুম্বী। জনসাধারণের মধ্যে এবার দেশের কিছু একটা হবে এমন ইতিবাচক আশাবাদ কাজ করছিল। ছাত্র-জনতার প্রত্যাশা পূরণ করতে তিনি তাঁর পারিষদ গঠন করলেন। কিন্তু পারিষদবর্গ দেখে সচেতন দেশবাসী প্রথমেই একটু হোঁচট খেল। থ্রি-জিরো তত্ত্ব দিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস যেখানে পৃথিবীকে নতুন আলোয় আলোকিত করছেন, সেখানে এ পারিষদ দিয়ে তিনি কি নিজের দেশটা বদলাতে পারবেন-এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে থাকে। প্রশ্নটা প্রথমে দেশের মুষ্টিমেয় কিছু বোদ্ধাজনের মধ্যে জন্ম নিলেও গত ছয় মাসে বিস্তৃত হয়ে এখন অনেকের মধ্যেই কাজ করছে। চিন্তা-চেতনায়, দক্ষতায়, জ্ঞান-গরিমায়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সুখ্যাতিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে উচ্চতায় রয়েছেন, তাঁর পারিষদের সদস্যরা সে তুলনায় কতটা খর্বাকৃতির, গত ছয় মাসে তাঁদের কার্যকলাপে নিজেরাই প্রমাণ করেছেন। আমরা যদি তর্কের খাতিয়ে ধরে নিই, দেশটা সংস্কার করে গড়ে তোলার জন্য এর চেয়ে যোগ্য মানুষ পাওয়া যায়নি, তাহলে সেটা ১৭ কোটি মানুষের দুর্ভাগ্য। তবে এও ঠিক, পারিষদের সদস্যরা তাঁদের নিজস্ব কাজের ক্ষুদ্র গণ্ডিতে অবশ্যই সফল ছিলেন।

জুলাই বিপ্লবের পর ছাত্রদের বিশেষ করে সমন্বয়কদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মর্যাদা ছিল ঈর্ষণীয়। দেশের বহু মানুষ সমন্বয়কদের সঙ্গে হাত মেলাতে পারলে ধন্য হয়ে যেত। বহু মানুষ তাঁদের সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকের প্রোফাইল বানিয়েছেন। অনেক পিতা-মাতা তাঁদের ছোট ছোট সন্তানকে সমন্বয়কদের ছবি দেখিয়ে বলেছেন, বড় হয়ে এমন বিপ্লবী ও সাহসী হবে। জুলাই বিপ্লবের পর দেশের অনেক স্থানে মারামারি, বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। যে কোনো একজন সমন্বয়ক সেখানে ছুটে গেলেই থেমে যেত মারামারি বা বিশৃঙ্খলা। কিন্তু ৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে আমরা দেখলাম, জুলাই বিপ্লবে আহতরা মিন্টো রোডে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেন। খবর পেয়ে মধ্যরাতেই সেখানে ছুটে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের সুচিকিৎসা না দেওয়াকে সরকারের ব্যর্থতা বলে উল্লেখ করেন। তবে ঘটনাস্থলের যে বিষয়টি গণমাধ্যমের কল্যাণে দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে তা হলো, কয়েক মাস আগেও হাসনাত আবদুল্লাহকে যেভাবে মূল্যায়ন করা হতো এখন সেভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। বিপ্লবের সঙ্গীরাই তাঁকে চ্যালেঞ্জ করছেন।

বিপ্লবীরা এখন রাজনৈতিক দল গঠনের কাজে ব্যস্ত। হয়তো আগামী সপ্তাহেই তাঁদের দলের আত্মপ্রকাশ ঘটবে। তারপর হবে নির্বাচনের রোডম্যাপ। সবাই মিলে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। রাজনীতিতে ইতিবাচক ধারা ফেরাতে বিপ্লবীরা রাজনীতিতে আসছেন। তাঁদের এ উদ্যোগ অবশ্যই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। শুধু ভেবে দেখার বিষয় হলো, সরকার ও বিপ্লবীদের ইমেজ ছয় মাসের মধ্যে যেভাবে নিম্নমুখী হচ্ছে, নির্বাচন পর্যন্ত সে গতি কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকবে। সরকারের ব্যর্থতার কথা বিপ্লবীরাই এখন বলতে বাধ্য হচ্ছেন। ব্যর্থতা যদি দিনদিন আরও প্রকট হয় এবং নির্বাচনে বিপ্লবীরা যদি আশাহত হন, তাহলে দেশ গঠনের আরও একটি সুযোগ হাতছাড়া হবে কি না ভাববার বিষয়। কারণ সম্মান ও সমৃদ্ধি অর্জন করার চেয়ে ধরে রাখা অনেক কঠিন।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা

২৫ মিনিট আগে | জাতীয়

পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

৫ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা