শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৬ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:১০, সোমবার, ০৬ জানুয়ারি, ২০২৫

সমকালীন রাজনীতির মরণফাঁদ!

গোলাম মাওলা রনি
প্রিন্ট ভার্সন
সমকালীন রাজনীতির মরণফাঁদ!

রাজনীতি এখন কার হাতে! একদল বলছে, জালেমদের হাতে। অন্য দলের অভিযোগ মোনাফেকের দল সবকিছু শেষ করে দিচ্ছে। এসব অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের পাশাপাশি ইদানীংকালে ক্ষুর পার্টি, রগকাটা দল, চাঁদাবাজ-দখলদার ইত্যাদি শব্দমালার সঙ্গে আন্ডাবাচ্চার দলের রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অনেকেই রাজনীতিকে নিচে নামাতে নামাতে অন্ধকারের গহিন অতলান্তের এমন পর্যায়ে নিয়ে গেছেন যেখান থেকে আওয়ামী লীগের গত ১৫ বছরের শাসনের হিমালয়সম অভিযোগের খতিয়ান স্মরণ করা সত্যিই কষ্টকর বিষয়। উল্টো যেসব কথা শোনা যাচ্ছে তা হলো যেই লাউ, সেই কদু। আগেই ভালো ছিলাম, দেশটা কি তালেবান হয়ে যাচ্ছে ইত্যাদি-ইত্যাদি-আরও কত কী।

আজকের নিবন্ধে আমি সমসাময়িক অভিযোগ বা পাল্টা অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করব না। অর্থাৎ সাবেক জমানার চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট এখন কাদের দখলে! পরিবহন খাতে বছরে দেড় হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি, ব্যাংক দখল, টিভি স্টেশন দখল, লুটপাট, গরু চুরি, ছাত্রলীগ, যুবলীগের সাম্রাজ্য দখল, মামলা-হামলা, ভিটেমাটি উচ্ছেদ নিয়ে কিছুই বলব না। অথবা বিশ বছর ধরে যারা গর্তে ছিল এবং প্রতিনিয়ত বেঁচে থাকার জন্য আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করত তারা- হঠাৎ আল্লাহর অনুগ্রহ লাভ করার পর কীভাবে নাফরমানি-মোনাফেকি এবং খোদাদ্রোহীর মতো পাপাচারে লিপ্ত হয়ে পড়েছে তা নিয়েও কিছু বলব না। তার চেয়ে হাল আমলে যেসব শব্দ রাজনৈতিক দলগুলো পরস্পরের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে, সেগুলোর মধ্যে মোনাফেক ও জালেম নিয়ে কিঞ্চিৎ আলোচনা করে শিরোনাম প্রসঙ্গে চলে যাব।

আলোচনার শুরুতেই জালেম নিয়ে কিছু বলা যাক। জালেমির সঙ্গে জাহেল এবং জাহেলিয়াতের নিদারুণ একটি সম্পর্ক রয়েছে। অর্থাৎ জাহেল না হলে জুলুম সম্ভব নয়। আবার জাহেলিয়াত না হলে জুলুম বা জাহেল অকার্যকর। জুলুম শব্দটি বাংলায় অতিপরিচিত শব্দ। কিন্তু জাহেল এবং জাহেলিয়াত আমাদের দেশের শব্দ নয়। এটি আরব দেশের শব্দ। আইয়ামে জাহেলিয়াত বলতে জাজিরাতুল আরবের নজদ হেজাজ, বিলাদ আশশাম, বালাদে রুম, ইয়েমেনের হাজরামৌত থেকে হাইলের বিস্তীর্ণ মরুময় অঞ্চলে যে অন্ধকারময় যুগ প্রায় একশত বছর ধরে মানুষের জীবন পশুর চেয়েও অনিরাপদ, ঘৃণিত, ঝুঁকিপূর্ণ, নির্মম-নিষ্ঠুর বিচারহীন এবং বিবেকহীন জাহান্নামে পরিণত করেছিল- সেই সময়টিকেই বোঝানো হয়।

আরবিতে আইয়াম শব্দের অর্থ যুগ বা সময় আর জাহেলিয়াতের অর্থ হলো অন্ধকারময় বা অন্ধকারাচ্ছন্ন। আল্লাহর রসুল (সা.)-এর নবুয়ত প্রাপ্তি কিংবা মদিনা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ারপাল্টা অভিযোগ পূর্ববর্তী একশত বছরকে যেমন আইয়ামে জাহেলিয়াত বলা হয় তদ্রƒপ প্রায় সমসাময়িককালে বাংলাতেও আইয়ামে জাহেলিয়াত কাল ছিল ১০০ বছর ধরে। সম্রাট শশাংকের মৃত্যুর পর এই বাংলায় টানা ১০০ বছর ধরে যা চলছিল তা ইতিহাসে মাৎস্যন্যায় বলে কুখ্যাতি অর্জন করেছে। ইতিহাসের আইয়ামে জাহেলিয়াত বা মাৎস্যন্যায় যা-ই বলুন না কেন উভয় ক্ষেত্রে মানুষের মনমস্তিষ্ক সর্বদা ভয়, আতঙ্ক, সন্দেহ ও অবিশ্বাসে পূর্ণ থাকি। পছন্দ না হলে মেরে ফেলা, বড় বড় মানুষকে অপদস্থ করার জন্য বন্যপশু, প্রশিক্ষিত হিংস্র পশু অথবা ভাড়া করা পশু প্রবৃত্তির লোকজনকে লেলিয়ে দেওয়ার কাজ যখন ভালভাতের মতো হয়ে যায় তখন সেটাকে আইয়ামে জাহেলিয়াত বলা যায়।

জাহেলিয়াতের যুগেই জাহেলরা বাস করে। এরাই হিটলার এরাই আবু লাহাব কিংবা আবু জেহেল। বিচারবিবেচনাহীন মনমস্তিষ্ক, লোভলালসায় পূর্ণ চরিত্র-অভ্যাস, অত্যাচার খুনখারাবিতে সিদ্ধহস্ত অঙ্গপতঙ্গ, চুরি, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, পাপাচার, ভ্রষ্টাচার, অন্যের লোভনীয় ধনসম্পদ, স্ত্রী-কন্যা, পদপদবি ছিনিয়ে নেওয়ার দুর্বার ক্ষমতাধর লোকজনকেই জালেম বলা হয়। আর জাহেল অর্থাৎ মূর্খ-বোধহীন-বিবেকহীন না হলে জালেম হওয়া যায় না। আর যুগটি যদি আইয়ামে জাহেলিয়াত না হয় তবে সেখানে জালেম পয়দা হয় না, জালেমের প্রজনন হয় না এবং জালেমরা টিকে থাকতে পারে না। সুতরাং যারা প্রতিপক্ষকে জালেম বলে গালি দিচ্ছেন তারা আসলে কী বোঝাতে চাচ্ছেন তা বোধ করি সম্মানিত পাঠক এতক্ষণে বুঝতে পেরেছেন।

হাল আমলে যারা জালেম বলে প্রতিপক্ষের রাজনীতির মতাদর্শের লোকজনকে গালি দিয়েছেন- সেই জবাবে কথিত জালেমরা পাল্টা গালি দিয়ে বলছেন ওরা মোনাফেক। এখন প্রশ্ন হলো, মোনাফেক কী এবং কারা। ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশ্লেষণ করলে আপনি কি জালেমদের নিকৃষ্ট লোক মনে করবেন নাকি মোনাফেকদের। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার উচিত মোনাফেক শব্দের প্রকৃত ব্যাখ্যা জেনে নেওয়া। আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান অনুযায়ী মোনাফেক সম্পর্কে আমি যা বুঝি তা আপনাদের সদয় অবগতির জন্য নিম্নে পেশ করলাম।

মোনাফেকের কোনো বাংলা প্রতিশব্দ নেই। ইংরেজিতেও নেই বরং কোরআন নাজিল হওয়ার আগে শব্দটি আরব দেশে ছিল কি না, তা নিয়ে বহু বিতর্ক রয়েছে। মোনাফেকের দুটি নিকৃষ্ট উদাহরণ হলো আবদুল্লাহ বিন উবাই এবং ভণ্ড নবী মুসায়লামা তুল কাজ্জাব। ইসলামের ঘোরতর দুশমন যথা সায়বা-উতবা, আবু লাহাব, আবু জেহেলের মতো কাফিরকেও মোনাফেক বলে গালি দেওয়া হয়নি। আবার ইবলিশ শয়তান-দাজ্জাল-ইয়াজুজ, মাজুস অথবা আদিকালের ফেরাউন হামান-কারুন প্রমুখকেও মোনাফেক বলা হয়নি। সুতরাং মোনাফেক হলো এমন এক ভয়ংকর শব্দ যা কাফের মুসরিক-শয়তান-ভয়ংকর পশু-কীটপতঙ্ক কিংবা মরণঘাতী রোগবালাইয়ের অনুঘটক ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য নয়, তাহলে মোনাফেক কী?

মোনাফেক হলো এমন এক নিকৃষ্ট প্রাণী, যারা সুরতে মানুষ এবং নিজেদের প্রয়োজনে কিংবা স্বার্থসিদ্ধির জন্য তারা যে কোনো  সুরত ধরতে পারে। শয়তানও সুরত পরিবর্তন করতে পারে। কিন্তু শয়তানের সঙ্গে মোনাফেকের পার্থক্য হলো, শয়তান আল্লাহকে মান্য করে, ভয় করে এবং নিজের সীমা অতিক্রমের চেষ্টা করে না। শয়তান শুধু একবারই আল্লাহর অবাধ্য হয়েছিল এবং একবারই আল্লাহ কর্তৃক অভিশপ্ত হয়েছিল। অন্যদিকে মোনাফেক সুযোগ পেলেই আল্লাহর অবাধ্য হয়, প্রতিমুহূর্তে অকৃতজ্ঞের মতো চিন্তা করে এবং নিজেদের হালত পরিবর্তন করে। মোনাফেকরা নবী রসুল আল্লাহ খোদা-ফেরেশতা হাশর-নসর কিছুই বিশ্বাস করে না। কিন্তু প্রয়োজনের সময় এমন ভনিতা করে যে তাদের মতো পীর, আউলিয়া, দরবেশ, ফকির, সাধুসন্ন্যাসী দুনিয়াতে দ্বিতীয়টি নেই।

আজকের নিবন্ধে জালেম এবং মোনাফেক নিয়ে আর বিস্তারিত আলোচনা করব না। যারা এসব গালিগালাজ করছেন তারা ওসব কেন করছেন তা কেবল তারাই ভালো বলতে পারবেন। সুতরাং ওসব বিষয়ে সময় ব্যয় না করে আমরা এখন শিরোনাম প্রসঙ্গে আলোচনা শুরু করি। এ কথা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই যে বর্তমানে আমরা সবাই ইতিহাসের জটিলতম সময় পার করছি। বিশেষত যারা রাজনীতি করেন, তারা সবাই সময়ের মরণফাঁদের কবলে পড়েছেন। ফলে আজকের দিনে কেউ বুক ফুলিয়ে বলতে পারবেন না যে আমি ভালো আছি, নিরাপদ আছি এবং আজকের দিনটির পরিবর্তে আগামীকাল আরও ভালো যাবে। বরং প্রতিটি মানুষ যার যার অবস্থানে ততটা অসন্তুষ্ট এবং কাজকর্ম-কথাবার্তা এবং আচরণে এতটা অধৈর্যশীলতা-অস্থিরতা এবং চারিত্রিক দুর্বলতা প্রকাশ করে চলেছেন যা আমার জীবদ্দশায় ইতোপূর্বে দেখিনি।

বর্তমান সময়ের রাজনীতির যে মরণফাঁদ তৈরি হয়েছে তা কেবল রাজনীতিবিদদের মরণঝুঁকি বাড়ায়নি বরং রাষ্ট্রীয় কর্মে নিযুক্ত সব গুরুত্বপূর্ণ আমলা-কামলা-বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ী, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক-সাধু-সজ্জন প্রমুখের জীবন ও জীবিকাকে মরণফাঁদের মধ্যে আটকে ফেলেছে। ফলে পুরো দেশ-কাল-মিত্র-উজির-নাজির-মন্ত্রী-কোতোয়ালকে হাতকড়া, ফাঁসির ফাঁদ, কবর বা শশ্মানের আতঙ্ক তাড়া করে ফিরছে আর এসব কিছু ঘটেছে রাজনীতির মোনাফেক এবং রাজনীতির জালেমদের কারণে।

মোনাফেক ও জালেমরা প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করার জন্য সর্বোচ্চ মারণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। গোলাবারুদ, লাঠি-গুলি, খন্তা-কোদাল-কুড়াল-চাপাতি-দা-বঁটি, ক্ষুর-কেঁচি, লগি-বৈঠা ইত্যাদি যখন যেভাবে প্রয়োজন এবং যেখানে প্রয়োজন তা ব্যবহার করেছে। তারা প্রতিপক্ষের চরিত্রহনন- মনোবল ভেঙে দেওয়া অথবা আর্থিক ভিত্তি ভেঙেচুরে চুরমার করে দেওয়ার জন্য কুকুরের চেয়ে নিকৃষ্ট, হায়েনার চেয়েও ভয়ংকর, শেয়ালের চেয়েও ধূর্ত, শুয়োরের চেয়েও পূতিদুর্গন্ধময় এবং জারজের চেয়েও ভয়ংকর মানসিক বৈকল্যে আক্রান্ত লোকজনকে অর্থ-পদপদবির বিনিময়ে লেলিয়ে দিয়েছে। তারা নিজেদের দল ভারী করার জন্য অর্থাৎ বেশি বেশি মোনাফেক তৈরির জন্য আল্লাহ এবং রসুল বিতর্কিত হন এবং আল্লাহর সৃষ্টিকুলের ভারসাম্য বিনষ্ট হয় তার জন্য সর্বোচ্চ অর্থ-শ্রম ও বুদ্ধি বিনিয়োগ করেছেন। অন্যদিকে জাহেলরা পুরো যুগকে আইয়ামে জাহেলিয়াত বানানোর জন্য জ্ঞানবিজ্ঞান,  সততা, ন্যায়নিষ্ঠতা মানবিক গুণাবলি ইত্যাদির কবর রচনা করে রাতকে বানিয়ে ফেলেছে হজরত ইউনূস (আ.)-কে গিলে ফেলা মাছের পেটের বীভৎস অন্ধকারের মতো। আর দিনকে বানিয়েছে কালবেশাখীর কবলে পড়া অমাবস্যার রজনীর মতো।

উল্লেখিত অবস্থার কারণে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অর্থনীতি, সমাজনীতি, পরিবার, ঘরসংসার, ব্যবসাবাণিজ্য, চিন্তাচেতনা, আহারবিহার, বিনোদন ইত্যাদি এসব কিছুই বিকৃত হয়ে পড়েছে এবং সর্বত্র প্রাকৃতিক আলো নিভে গেছে এবং মোনাফেকি ও জালেমের মশাল দিয়ে আগুনের হোলিখেলা শুরু হয়েছে। আর এই হোলিখেলার সবচেয়ে ভয়ংকর অধিক্ষেত্রটি যে রাজনীতি তা বোধ করি আমরা সবাই কমবেশি অনুধাবন করি।

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা

২৫ মিনিট আগে | জাতীয়

পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

৫ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা