পবিত্র ঈদুল ফিতরে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ অপরাধ রোধে নানান উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)। ঈদের আগে ও পরে দুইভাবে বিভক্ত করে সাজানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ছুটিতে অতিরিক্ত টহল জোরদারের পাশাপাশি তৈরি করা হবে বিশেষ নিরাপত্তা বলয়।
বুধবার বিষয়টি জানিয়েছেন সিএমপির জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মাহমুদা বেগম।
জানা গেছে,ঈদের আগে জনসাধারণের কেনাকাটা নির্বিঘ্ন এবং ছিনতাই রোধে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা পরিকল্পনা। নগরী ও জেলার ছিনতাইপ্রবণ এলাকায় টহল জোরদারের পাশাপাশি শপিংমলগুলোকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পাশাপাশি নগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ানো হয়েছে পেট্রোল ডিউটি। ঈদের ছুটি চলাকালে ব্যাংক, অফিস-আদালত, স্বর্ণের দোকান, শপিং মল এবং বাসাবাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপরাধ বিভাগের উপ-কমিশনার এবং থানা ওসিদের প্রতি দেওয়া হয়েছে বিশেষ নির্দেশনা।
বাসাবাড়ি, অফিস-আদালত, শপিং মল, ব্যাংক ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মী দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে। ঈদের ছুটির সময় দৃশ্যমান পুলিশিং নিশ্চিত করতে প্রতিদিন এলাকা ও স্থান পরিবর্তন করে কার্যকর তল্লাশি চৌকি পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে থানাগুলোকে।
তল্লাশিকালে সাধারণ লোকজনকে হয়রানি না করতে পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। খালি বাসা বাড়িতে চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশি টহল বৃদ্ধির করা হবে। একইসঙ্গে আবাসিক এলাকার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে নিজস্ব নিরাপত্তা জোরদার এবং পুরো এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।
সিএমপির জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মাহমুদা বেগম বলেন, রোজার শেষ ১০ দিন এবং ঈদের পরে ছুটির সময় মাথায় রেখে দুইভাগে বিভক্ত করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। এ সময় নগরীতে পুলিশ টহল বৃদ্ধির পাশাপাশি মোতায়ন থাকবে অতিরিক্ত সদস্য। সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যও মাঠে থাকবে।
জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল বলেন, ঈদের আগে এবং পরের কথা চিন্তা করেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। এ সময় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির মত ঘটনা রোধ করতে মোতায়ন থাকবে অতিরিক্ত পুলিশ।
বিডি প্রতিদিন/কেএ