গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, জনগণের জন্য যেসব কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা জরুরি ছিল, সে সব কাজ করা হয়নি। ফলে মানুষকে এখনও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শুক্রবার সকালে নগরের বহদ্দারহাট বারইপাড়া ও ষোলশহর সুন্নিয়া মাদরাসা খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তিনি একথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, সিডিএর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিমসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, উন্নয়ন কাজগুলো কিন্তু রাতারাতি হয়ে যাবে না। তবে আমরা কাজটি শুরু করলাম। যাতে এবারের বর্ষায় যতটুকু সম্ভব জলাবদ্ধতা কমিয়ে আনতে পারি।
তিনি বলেন, অনেক বছর ধরে নদী, নালা, খাল ও শহরের ভেতর যে জলাবদ্ধতা- এসবের কোনো খোঁজ করা হয়নি। ব্যাপক অভিযোগ ছিল। প্রত্যেক বছর চট্টগ্রাম নগর পানির নিচে চলে গেছে। আমরা চেষ্টা করছি শহরের ভেতরে যতগুলো নালা ও সমুদ্র, নদীতে পানি যাওয়ার প্রবাহ সেগুলো চালু করার। আমাদের চেষ্টা থাকবে, পরের বর্ষায় যাতে পানি চলে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়, সেজন্যই আমরা কাজ করছি। এ বর্ষায় যেন আগের অবস্থার মতো না হয় এবং জলাবদ্ধতা কম হয় সে চেষ্টাও করা হচ্ছে।
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, এর আগে আরও তিনজন উপদেষ্টা জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে এসেছিলেন। আমরা সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করলে নগরবাসীকে এ জলাবদ্ধতা থেকে রেহাই দিতে পারব বলে আশা করছি। আগে সমন্বয় ছিল না। এখন আমরা সব সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে কাজ করছি। আশা করছি, একটি রেজাল্ট পাব। হয়তো এ মৌসুমে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ফলাফল পাব। শতভাগ রেজাল্ট পেতে আরও এক বছর সময় লাগবে।
বিডি প্রতিদিন/এএ