চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খান বলেছেন, প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয় থাকবে, তবে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণটাই আসল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে তরুণ শিক্ষার্থীরা মাঠে জিতবে কিনা জানতো না, কিন্তু তারা জয়ের টার্গেট নিয়ে মাঠে ছিল। তাই তরুণদের লক্ষ্য ঠিক থাকলে জয় আসবেই। তরুণরা আগামী দিনে বাংলাদেশ যেমন চাইবে, সেভাবে দেশটা এগিয়ে যাবে। বুধবার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং এলজিইডি, ডিপিএইচই ও জেলা পরিষদ চট্টগ্রামের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত ‘তারুণ্যের ভাবনায় নতুন বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, তরুণদের আগামীতে আমাদের আসনটা ছেড়ে দিবো, তরুণরা সেটা পালন করবে। সেভাবে তোমরা শিক্ষা ও কর্মের মাধ্যমে তৈরি হতে হবে। আমরা তরুণদের দিয়ে আগামীতে সমৃদ্ধির বাংলাদেশ গড়তে চাই।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (এলজিইডি) কাজী গোলাম মোস্তাফা, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এলজিইডি চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসান আলী, উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার মো. নোমান হোসেন, ডিপিএইচই চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাস, জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দিদারুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ।
শিক্ষার্থীরা কর্মশালায় প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে দেশের ট্যুরিজমের সুযোগ ও সমস্যা, নাগরিকের অধিকার, ভোটিং সিস্টেম বিকেন্দ্রীকরণ, নির্বাচনে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অংশগ্রহণ, সঠিক সংবিধান গঠন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ, কোটামুক্ত চাকরি, বাস ও বিমান টিকেট সহজলভ্য, কৃষিতে উন্নতি, কৃষকদের ন্যায্য দাম, ট্রাফিক আইন, ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থা উন্নতিকরণ, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা, সুশাসন নিশ্চিন্তকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনা করেন। কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের মধ্য ‘সেরা আইডিয়া’ উপস্থাপনের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে সাতকানিয়া প্রথম স্থান, সন্দ্বীপ দ্বিতীয় স্থান এবং লোহাগাড়া তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে এবং পৌরসভা পর্যায়ে রাউজান প্রথম স্থান, সাতকানিয়া দ্বিতীয় স্থান এবং মিরসরাই তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।
বিডি প্রতিদিন/এএ