৫ম শিল্পবিপ্লবের উপযোগী এআই ও রোবটিক যুগের উপযোগী মানবসম্পদ গড়ে উঠবে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালইয়ে— এমন মন্তব্য করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী প্রফেসর ড. এম আমিনুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন।
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হাছানাত আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম আব্দুল আওয়াল, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল আওয়াল, পুলিশ সুপার সাফিউল সারোয়ার এবং টিএমএসএস-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড. হোসনে আরা প্রমুখ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম আব্দুল আওয়াল আক্ষেপ করে বলেন, অষ্টম শতাব্দীতে পাহাড়পুরে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। কিন্তু আধুনিক যুগে এসেও নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম চালু হয়নি— এটি খুবই দুঃখজনক। নওগাঁর ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কথা বিবেচনা করলে আজ থেকে এক হাজার বছর আগেই নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় চালু করা উচিত ছিল। তিনি অতি দ্রুত নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম চালু করার দাবি জানান এবং যেসব বিষয়ে বিশ্ববাজারে চাহিদা রয়েছে, সেসব বিষয় চালুর সুপারিশ করেন।
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হাছানাত আলী বলেন, আজ আমরা ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছি, কিন্তু অনুষ্ঠানে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী নেই— এটি খুবই দুঃখজনক। তিনি আগামী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নিজ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠান পালনের আশা ব্যক্ত করেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে নওগাঁর সিনিয়র সাংবাদিক, রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ১২ জন বক্তব্য রাখেন এবং প্রত্যেকে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম চালু করার জোর দাবি জানান।
এর আগে ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে প্রধান অতিথি নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন।
উল্লেখ্য, গত ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিল পাস হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস চালুর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পায়নি।
বিডি প্রতিদিন/আশিক