গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) সমন্বয়কদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তকরণে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার (২৭ জানুয়ারি) পুনর্গঠিত তদন্ত কমিটির সভাপতি মানবিকী অনুষদের ডিন মো.আব্দুর রহমান এবং ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.মো.বশির উদ্দিনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটিকে ৩ কর্মদিবসের মধ্যে রেজিস্ট্রারের নিকট তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম গণমাধ্যমে পাঠানো একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি (শনিবার) পরীক্ষা শেষে বাইরে বের হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের কর্মী শরিফুল ইসলাম সোহাগ। এ সময় সমন্বয়কসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করেন। তখন সোহাগের অনুসারী ছাত্রলীগ কর্মীরা হামলা চালিয়ে শরিফুল ইসলাম সোহাগকে ছিনিয়ে নেয়। এতে দুই সমন্বয়কসহ ৪ জন আহত হন।
এ ঘটনায় ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন আব্দুল্লাহ আল আসাদকে সভাপতি ও শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট মো. শাহাবুদ্দিনকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ কমিটিকে ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতেও বলা হয়।
কিন্তু এ ঘটনার তদন্ত করতে অপারগতা প্রকাশ করে রবিবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে রেজিস্ট্রার বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন তদন্ত কমিটির প্রধান ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন আব্দুল্লাহ আল আসাদ ও সদস্য সচিব শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট মো. শাহাবউদ্দিন। তারপর সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এছাড়া ঘটনায় রবিবার (২৬ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ফয়সাল জামান ফাহিম বাদি হয়ে শরীফুল ইসলাম সোহাগকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের নাম উল্লেখ ও ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে গোপালগঞ্জ সদর থানার একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-৩৯)।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ