রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৪-২০২৫ সেশনে স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষ ভর্তির স্থগিতকৃত প্রাথমিক আবেদন শুরু হচ্ছে সোমবার (২৭ জানুয়ারি)। এ বছর ভর্তি প্রক্রিয়া বিতর্কিত পোষ্য কোটা থাকছে না।
আজ রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দীন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগামীকাল (২৭ জানুয়ারি) থেকে স্থগিত হওয়া ভর্তির প্রাথমিক আবেদন প্রক্রিয়া চলবে। এ বছর পোষ্য কোটা থাকবে না।
জানা গেছে, এ বছর প্রথমবর্ষ ভর্তির প্রাথমিক আবেদন প্রক্রিয়া ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এ আবেদন ৫৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এছাড়া চূড়ান্ত আবেদন তিন ধাপে যথাক্রমে ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৮ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ও ২৩ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি সম্পন্ন হবে। পূর্বনির্ধারিত বি ইউনিট ১২, এ ইউনিট ১৯ এবং সি ইউনিট ২৬ এপ্রিল সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তরে এ পরীক্ষা রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রংপুরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে, গত বছর সেপ্টেম্বর থেকেই ভর্তি পরীক্ষায় পোষ্য কোটা বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। ফলে ৪% থেকে কমিয়ে ৩% রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। দাবির প্রেক্ষিতে ১ জানুয়ারি সহায়তা ও সাধারণ কর্মচারীদের সন্তানের জন্য ১% কোটা রেখে ভরাতি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
কিন্তু এ সিদ্ধান্তও প্রত্যাখ্যান করে পরদিন প্রশাসন ভবন তালাবদ্ধ করে কিছু শিক্ষার্থী এবং শতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীকে প্রায় ১২ ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। ফলে রাতেই এই কোটা সম্পূর্ণ বাতিলের ঘোষণা দিতে বাধ্য হন উপাচার্য। এ ঘটনার প্রতিবাদ ও সম্পূর্ণ কোটা পুনর্বহালের দাবিতে কয়েক ধাপে দাফতরিক কর্মবিরতি দিয়ে আন্দোলন করেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
এ বিষয়ে জানতে অফিসার্স সমিতির সভাপতি মোক্তার হোসেন জানান, আমরাও কোটা বিরোধী। আমরা প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার দাবিতে আন্দোলন করছি। অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে এ সুবিধা থাকলে আমাদেরও এটা প্রাপ্য। দাবি আদায়ে আমাদের আন্দোলন চলবে।
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ