শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫

দেশসেরা বিদ্যাপীঠের কথা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবের ৫৪ বছর

রুবেল হোসাইন, জাবি
প্রিন্ট ভার্সন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবের ৫৪ বছর
উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও আগামীর পথচলায় দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হবে দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমৃদ্ধ ইতিহাস, গবেষণা, অর্জন ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার কর্মযজ্ঞে অনন্য অবদানের কথা-

১২ জানুয়ারি, মঙ্গলবার। ১৯৭১ সালের এই দিনে রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভার উপজেলায় জাহাঙ্গীরনগর মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় নামে বর্তমানের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আহসান। এর আগে, ১৯৭০ সালের ২০ আগস্ট এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে ৭৫০ একর জায়গা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য তৎকালীন সরকার প্রায় ৫০ একর জমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অধিগ্রহণ করে নেয়। দেশের প্রথম ও একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত জাহাঙ্গীরনগর মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় নাম থেকে মুসলিম শব্দটি স্বাধীনতা উত্তর ১৯৭৩ সালে বাদ দেওয়া হয়। ঢাকা শহরের মুঘল আমলের নাম জাহাঙ্গীরনগর থেকে এর নামকরণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি তার গৌরবের ৫৪ বছর পার করে ৫৫ বছরে পদার্পণ করতে চলেছে। দীর্ঘ এ পদযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে বেরিয়েছেন দেশবরেণ্য অসংখ্য জ্ঞানীগুণী মানুষ। দেশে-বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। তাদের মধ্যে প্রখ্যাত কবি সৈয়দ আলী আহসান, অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম, লেখক হুমায়ুন আজাদ, কবি মোহাম্মদ রফিক, আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক তারেক শামসুর রেহমান, রসায়নবিদ অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবির, অধ্যাপক সুনীল কুমার মুখোপাধ্যায়, লেখক হায়াৎ মামুদ, নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, বিজ্ঞানী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন, ড. সৌমিত্র শেখর, অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ প্রমুখ অন্যতম। এ ছাড়া, অভিনেতা হুমায়ূন ফরীদি, শহীদুজ্জামান সেলিম, সুমাইয়া শিমু, জাকিয়া বারী মম, মিম মানতাসা, আফসানা আরা বিন্দু, সজল নূর, ফারুক আহমেদ, দীপংকর দীপন, মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা, মুশফিকুর রহিমসহ বহু দেশবরেণ্য ব্যক্তি এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রানী

এটি শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি এক অনন্য লীলাভূমি, যেখানে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য আর জীবনের সরলতা হাত ধরাধরি করে চলে। দূর থেকে চোখে পড়ে লাল ইটের স্থাপত্য, যা সবুজের মাঝখানে আভিজাত্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ক্যাম্পাসের প্রশস্ত লেকগুলোতে ভেসে থাকে লাল শাপলা, আর শীতকালে অতিথি পাখিদের উড়ন্ত সুরের মাধুর্য যোগ করে এক নতুন সুরভি। সাদা কাশফুলের মাঠে হাঁটতে হাঁটতে মনে হয়, যেন স্বপ্নলোকের কোনো পথে পা বাড়িয়েছি। দিগন্তজোড়া সবুজ আর শান্ত লেকের জলতরঙ্গে প্রতিফলিত সূর্যের আলো এক মায়াবী আবেশ তৈরি করে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে সবুজ স্বর্গ নামেও অভিহিত করা হয়।

অন্যতম আকর্ষণ অতিথি পাখি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শীতের আবহটা একটু ব্যতিক্রম। সবুজ গাছপালা ও নয়নাভিরাম লেকসমৃদ্ধ এ ক্যাম্পাসে শীতে দর্শনার্থীদের জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় অনুষঙ্গ হলো অতিথি পাখি। প্রতিবারের মতো এবারো শীতের শুরুতেই জাবির লেকগুলোয় দেখা মিলেছে অতিথি পাখির। তবে এবার অতিথি পাখির সংখ্যা তুলনামূলক কম। জানা গেছে, আবহাওয়াগত কারণে প্রচণ্ড শীত আর খাদ্য সংকটের কবলে পড়ে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে হাজার মাইল পথ অতিক্রম করে অতিথি পাখি ছুটে আসে বাংলাদেশে। এ ছাড়াও সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, হিমালয় অঞ্চলে শীত ও ভারি তুষারপাতে টিকতে না পেরে পরিযায়ী পাখিরা উষ্ণতার খোঁজে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে চলে আসে। শীতের রেশ কেটে গেলেই বসন্তের সময়টিতে এসব পরিযায়ী পাখি আবারও তাদের চিরচেনা ভূমিতে ফিরে যায়।

পদ্মপুকুর

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক অন্যতম আকর্ষণ হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয়গুলোর পদ্মফুল। শরৎ ও হেমন্তকালে গোলাপি পদ্মে কানায় কানায় পূর্ণ থাকে পুকুরগুলো। যা খুব সহজেই দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান অডিটোরিয়াম সংলগ্ন জলাশয়গুলো এবং চৌরঙ্গী মোড়সংলগ্ন জলাশয়ে সবচেয়ে বেশি পদ্ম ফোটে। তবে বর্তমানে সংস্কার ও যত্নের অভাবে পদ্মের পরিমাণ কমে গেছে।

সাংস্কৃতিক রাজধানী

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ডাকা হয়। হারিয়ে যেতে বসা ঐহিত্যবাহী লোকজ সংস্কৃতিগুলোতে তুলে আনা হয় বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে। সাপ খেলা, লাঠি খেলা, গাজীর গান, পটের গান, পালাগানের আসর, গম্ভীরা, ঘাটুগান, পুতুলনাচ, আদিবাসী নাচ, মনিপুরী নৃত্য, সঙ, বাউল সন্ধ্যা, কাওয়ালী গান, কবিতা পাঠ, শাস্ত্রীয় সংগীতের আসর, কনসার্ট, আর্ট ক্যাম্প, পেইন্টিং ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ নানা ধরনের আয়োজনে পূর্ণ থাকে প্রতি বছর। বিশেষ করে বার্ষিক হিম উৎসবে এসব অনুষ্ঠান বেশি আয়োজিত হতে দেখা যায়। জাহাঙ্গীরনগর সিনে সোসাইটি, জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার, ধ্বনি, চলচ্চিত্র আন্দোলন, জলসিঁড়ি, জহির রায়হান চলচ্চিত্র সংসদ, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, জাহাঙ্গীরনগর ফটোগ্রাফিক সোসাইটি, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ডিবেট অর্গানাইজেশন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি কুইজ সোসাইটি, জাহাঙ্গীরনগর স্টুডেন্টস ফিল্ম সোসাইটি, জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রভৃতি সংগঠন কর্তৃক ক্যাম্পাসে প্রতিবছর কোনো না কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। জাবি শুধু তার সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের জন্য নয়, এটি বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর পারস্পরিক সহাবস্থানের জন্যও খ্যাতি অর্জন করেছে। যুগের পর যুগ এখানকার প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর মাঝে ঐক্যভিত্তিক বিভিন্ন আন্দোলন গড়ে তুলতে দেখা গেছে। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন, দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন, যৌন নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাত্র সংগঠনগুলোর মাঝে ঐক্য দেখা গেছে।

শহীদ মিনার

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশের পর দূর থেকে চোখে পড়ে কলা ও মানবিক অনুষদের সামনের লালচে রঙের সুউচ্চ শহীদ মিনারটি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব স্থাপত্য ভাস্কর্য রয়েছে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত হলো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি। শহীদ মিনারের উচ্চতা ৭১ ফুট, যা দেশের শহীদ মিনারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানিয়ে এ শহীদ মিনারের স্তম্ভের উচ্চতা ৭১ ফুট করা হয়েছে। শহীদ মিনারের ভিত্তিমঞ্চের ব্যাস রাখা হয়েছে ৫২ ফুট, যা ৫২-এর ভাষা আন্দোলনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। শহীদ মিনারের ভিত্তিমঞ্চে ব্যবহার করা হয়েছে আটটি সিঁড়ি, যা দেশভাগ থেকে শুরু করে আমাদের জাতীয় জীবনের স্বাধীনতা অভিমুখী নানা তাৎপর্যমণ্ডিত ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ ও ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা পর্যন্ত আটটি ধারাবাহিক আন্দোলনের প্রতীক।

অমর একুশে

সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ভবনের সামনে এবং ক্যাফেটেরিয়ার সঙ্গেই রয়েছে ভাষা আন্দোলনের স্মরণে নির্মিত অমর একুশে ভাস্কর্য। মা-বাবা তার গুলিবিদ্ধ বীর সন্তানকে ধরে রেখেছে অমর একুশে। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে নিহত হয়েছেন তাদের বীর সন্তান। সেই বীর সন্তানের লাশ বুকে জড়িয়ে রেখেছেন মা। পাশেই ছেলেহারা বাবা হাত উঁচিয়ে স্লোগান দিচ্ছেন। এভাবে হায়েনাদের গুলিতে নিহত ছেলের লাশ হাতে দাঁড়িয়ে থাকা বাবা-মায়ের করুণ মুহূর্তটি ফুটে উঠেছে অমর একুশ ভাস্কর্যে।

সংশপ্তক

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য সংশপ্তক। এই ভাস্কর্যে এক পা ও এক হাত হারিয়েও এক সংশপ্তক মুক্তিযোদ্ধা বিজয়ের হাতিয়ার ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে স্মরণ রাখতে নির্মাণ করা হয় সংশপ্তক। যুদ্ধে পরাজয় ও নিজের নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও লড়াই করে যে অকুতোভয় বীর, সেই সংশপ্তক। ১৯৮৯ সালের ২৬ মার্চ ভাস্কর্যটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক কাজী সালেহ আহমেদ। এক বছর পর অর্থাৎ ১৯৯০ সালের ২৬ মার্চ ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করা হয়। ভাস্কর্যটির নির্মাতা শিল্পী হামিদুজ্জামান খান। শিল্পী হামিদুজ্জামান খান ভাস্কর্যটিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের শরীরে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন।

কবির সরণি

সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী আন্দোলনে শহীদ ছাত্রদল নেতা হাবিবুর রহমান কবিরের স্মরণে কবির সরণির নামকরণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল সড়ক থেকে আ ফ ম কামালউদ্দিন হল পর্যন্ত এ সরণি বিস্তৃত।

মুন্নী সরণি

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মুন্নীর স্মরণে আল বেরুনী হলের সামনে রয়েছে মুন্নী সরণি।

জুবায়ের সরণি

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী অসন্তোষকে কেন্দ্র করে ২০১২ সালে খুন হন ছাত্রলীগ নেতা ও ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী জুবায়ের রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল সড়ক থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল পর্যন্ত এ সরণি বিস্তৃত। এ ছাড়া, স্বপ্না সরণি, মুরাদ চত্বর, মহুয়া তলা, পরিবহন চত্বর, সুইমিং পুল প্রভৃতি জাবির বিখ্যাত কয়েকটি স্থানের মধ্যে অন্যতম।

বটতলার ভর্তা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বটতলার ভর্তার জন্য বিখ্যাত। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢাকার কর্মব্যস্ত মানুষেরা ছুটে আসেন এ ক্যাম্পাসে। বিশেষ করে শীতকালে এ দৃশ্য বেশি দেখা যায়। অতিথি পাখির কলকাকলি ও ক্যাম্পাসে সবুজ প্রকৃতি দেখতে দর্শনার্থীরা এখানে ভিড় করেন। বেলা শেষে কম মূল্য আর স্বাস্থ্যকর খাবারের জন্য বটতলার ভর্তা থাকে সবার পছন্দের শীর্ষে। দোকানিরাও বাহারি সব ভর্তার সাজে দোকানগুলোর খাবারের মেন্যু সাজিয়ে রাখেন। এক সময় শতাধিক প্রকারের ভর্তা পাওয়া গেলেও এখানে বর্তমানে ৩০/৩৫ ধরনের ভর্তা পাওয়া যায়।

সুইজারল্যান্ড : এটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হলের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত একটি স্থানের নাম। এই জায়গার ভিতরে প্রবেশ করলে আপনি মুগ্ধ না হয়ে পারবেন না। সবুজ ঘাসের চাঁদরে ঢাকা উঁচু-নিচুঁ ভূখণ্ডটি দেখতে অনেকটা সুইজারল্যান্ডের গো-চারণ ভূমির মতো। এর তিন দিকে লেক ও বিদেশি জাতের গাছগাছালি বেষ্টিত। লেকের পাশের গাছের সারি স্থানটিকে একেক ঋতুতে দেয় একেক রূপ।

মনপুরা দ্বীপ

বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন লেকের অপর পাড়ের গাছপালা বেষ্টিত দ্বীপের মতো স্থানটিকে শিক্ষার্থীরা মনপুরা দ্বীপ নামে ডেকে থাকেন। মূলত জায়গাটির চারদিকে সুনসান নীরবতা এবং জনমানবহীন পরিবেশের জন্য এ নামকরণ করা হয়েছে।

রাঙামাটি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে একখণ্ড রাঙামাটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক বরাবর উত্তর দিকে জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ পেরোলেই চোখে পড়বে সামান্য উঁচুতে অবস্থিত লালমাটির ভূখণ্ডটি। এ ছাড়া টারজান পয়েন্ট, মুরগি চত্বর, লন্ডন ব্রিজ, বৃন্দাবন, সুন্দরবন, শান্তিনিকেতন, লাভল্যান্ড প্রভৃতি স্থানসহ বিচিত্র সব নাম রয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প
মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প
দেশে দেশে রমজানে মূল্যছাড়ের প্রতিযোগিতা
দেশে দেশে রমজানে মূল্যছাড়ের প্রতিযোগিতা
দেশে দেশে রমজান
দেশে দেশে রমজান
দেশে দেশে বইমেলা
দেশে দেশে বইমেলা
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী আল বিরুনি
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী আল বিরুনি
হারিয়ে যাওয়া এয়ারলাইনস
হারিয়ে যাওয়া এয়ারলাইনস
পিকনিক
পিকনিক
একটি কাল্পনিক আলাপচারিতা
একটি কাল্পনিক আলাপচারিতা
ইচ্ছা হলে হাসুন
ইচ্ছা হলে হাসুন
খোঁজ দ্য সার্চ
খোঁজ দ্য সার্চ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানে উন্নীতের প্রত্যাশা
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানে উন্নীতের প্রত্যাশা
ঈর্ষণীয় সাফল্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ঈর্ষণীয় সাফল্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
সর্বশেষ খবর
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫৮ মিনিট আগে | পরবাস

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

৪ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’
বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’

১৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা