সারি সারি গাছের তীরঘেঁষা এক কিলোমিটার রাস্তা চারদিকে টিলাবেষ্টিত সুশোভিত, শ্যামলিয়া ঘেরা নয়নাভিরাম সবুজ ক্যাম্পাস। প্রধান ফটক দিয়ে ভিতরে ঢুকতেই চারদিকে তাকালে ক্যাম্পাসের মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সবার দৃষ্টি কাড়ে। মূল ফটকে প্রবেশের পরই দীর্ঘ এক কিলোমিটার রাস্তার দুই পাশজুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের নয়নাভিরাম দৃশ্যকে ফুটিয়ে তুলেছে স্বচ্ছ পানির লেক। বিশ্ববিদ্যালয়টির দৃষ্টিনন্দন প্রবেশপথের রাস্তা আর চোখধাঁধানো শহীদ মিনার যেন দর্শনার্থীদের এক অনন্য ভ্রমণপিপাসু জায়গা। গৌরব ও সাফল্যের ৩৪ বছরে পা রেখেছে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও গবেষণায় সেরা এই বিশ্ববিদ্যালয়টি। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়টি তার ইতিহাস ঐতিহ্যকে লালন করে আসছে। ১৯৯১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনটি বিভাগে ১৩ জন শিক্ষক ও ২০৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাতটি অনুষদের অধীনে ২৮টি ডিপার্টমেন্ট, দুটি ইনস্টিটিউশন, চারটি অনুমোদিত (অ্যাফিলিয়েটেড) মেডিকেল কলেজ এবং একটি অনুমোদিত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে। আজ দুই দশকের বেশি সময়ে পাঁচ শতাধিক শিক্ষক ও ১২ হাজারের বেশি ছাত্রছাত্রী নিয়ে এক মহীরুহে পরিণত হয়েছে শাহজালালের পুণ্যভূমি সিলেটের এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ছাত্রদের জন্য তিনটি এবং ছাত্রীদের তিনটি আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন মোট ছয়টি আবাসিক হল রয়েছে। প্রতিটি হলের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন একজন প্রভোস্ট ও কয়েকজন সহকারী হল প্রভোস্ট। এটি দেশের সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে শিক্ষার্থী এবং স্টাফদের জন্য বিনামূল্যে সম্পূর্ণ ক্যাম্পাসে ওয়াই-ফাই সেবা চালু রয়েছে। শিক্ষার্থীদের সুপেয় পানির জোগান দিতে ইটিপি মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ছয়টি শিক্ষাভবন, দুইটি প্রশাসনিক ভবন, ছয়টি হল, একটি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, একটি অতিথি ভবন, তিনটি ওয়ার্কশপ, একটি মেডিকেল সেন্টার, শারীরিক শিক্ষা ভবন, জিমনেশিয়াম, কেন্দ্রীয় মিলনায়তন, গবেষণাগার ও ইউনিভার্সিটি সেন্টারসহ অসংখ্য ভবন রয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের জন্য প্রতিটি হলে একটি করে ডাইনিং ও একটি করে ক্যান্টিনের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে তৈরি করা হয়েছে দুই তলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন ক্যাফেটেরিয়া। বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, পরিবহন সুবিধাসহ রয়েছে নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রোগ্রাম, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এমনকি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রোগ্রামের জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক সৌন্দর্যমণ্ডিত সেন্ট্রাল অডিটোরিয়াম।
সাহিত্য ও বিজ্ঞানবিষয়ক প্রতিযোগিতা : আধুনিক শিক্ষার বিস্তার দেশের সর্বত্র পৌঁছে দিতে বিভিন্ন অলিম্পিয়াডসহ সাহিত্য ও বিজ্ঞানবিষয়ক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। শাবিপ্রবির আয়োজিত প্রতিযোগিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, জাতীয় মহিলা প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড, বাংলাদেশ বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, বাংলাদেশ পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, বাংলাদেশ জ্যোতির্বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ইত্যাদি।
উদ্ভাবনে এগিয়ে : প্রযুক্তির ব্যবহারে ফাইবার ক্যাবল স্থাপনের মধ্য দিয়ে নতুন যুগের উন্মোচন হয়েছে। এ ছাড়াও, রক্তের নমুনা পরীক্ষা করার মাধ্যমে ক্যান্সার শনাক্তকরণ পদ্ধতিও উদ্ভাবন করেছে শাবিপ্রবি। ‘ননলিনিয়ার অপটিকস’ নামের উদ্ভাবিত এ পদ্ধতিতে রক্তের একটি পরীক্ষার মাধ্যমে মাত্র ১০ থেকে ২০ মিনিটেই ক্যান্সার শনাক্ত করা সম্ভব হবে। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এটিই প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিন ‘পিপীলিকা’র উদ্ভাবন, যানবাহন ট্র্যাকিং ডিভাইস উদ্ভাবন, চালকবিহীন বিমান (ড্রোন) উদ্ভাবন, বাংলায় কথা বলা সামাজিক রোবট ‘রিবো’, হাঁটতে-চলতে সক্ষম রোবট ‘লি’, অনলাইনে ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের সুবিধা চালু, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কিবোর্ড তৈরি, তাৎক্ষণিক সার্টিফিকেট যাচাইয়ের জন্য ‘ব্লক চেইন’ পদ্ধতি, গবেষণায় নকল যাচাই করার জন্য ‘টার্ন-ইট-ইন’ পদ্ধতি চালু, পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সার নির্ণয়ের পদ্ধতি উদ্ভাবন ও সর্বশেষ তারবিহীন বৈদ্যুতিক গাড়ি উদ্ভাবনসহ অসংখ্য উদ্ভাবন রয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। যুক্তরাষ্ট্রের বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘টেসলা’-এর আদলে দেশে প্রথমবারের মতো চালকবিহীন গাড়ি তৈরিতেও সক্ষম হয়েছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন গাড়িটির নাম রাখা হয়েছে ‘অটোমামা’। এটি তিন থেকে চারজন যাত্রী বহন করতেও সক্ষম হবে।
প্রতিযোগিতায় সেরা : দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় আধিপত্য রয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাকাশ সংস্থা নাসা আয়োজিত স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়ে ৭৯টি দেশের বাছাইকৃত দুই হাজার ৭২৯টি দলের সঙ্গে লড়াই করে শীর্ষ চারে জায়গা করে নেয় শাবিপ্রবির দল ‘টিম অলিক’। সর্বশেষ দেশের প্রযুক্তি খাতে অবদানের জন্য ‘দেশসেরা ডিজিটাল ক্যাম্পাস অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। গত বছর ১৩ মে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কোডিং প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৬টি দলকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয় সফটওয়্যার প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের একটি দল ‘ডিফাইন কোডারস’। বিশ্বের বৃহত্তম ও জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং কনটেস্টে (আইসিপিসি) এশিয়া ওয়েস্ট কন্টিনেন্ট ফাইনালে ৩০০ দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন শাবিপ্রবির দল ‘সাস্ট ফ্যানাটিকস’। এমনকি আন্তর্জাতিক ইয়ুথ ম্যাথ চ্যালেঞ্জ-২০২৩ প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক অর্জন করেন তারা। শুধু শিক্ষা, গবেষণা ও প্রতিযোগিতায় নয়, দুর্দিনে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতায়ও অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে শাবিপ্রবি। অতিমারি করোনাকালে নিজস্ব অর্থায়নে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধীনে করোনা শনাক্তকরণ ল্যাব তৈরি করে এ অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ কমিয়েছে। চট্টগ্রামের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত মানুষের জন্য নিজস্ব ল্যাবে পাঁচ হাজার প্যাকেট খাবার স্যালাইন তৈরি করে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থীরা। পড়ালেখার পাশাপাশি কো-কারিকুলার অ্যাক্টিভিতেও বিগত কয়েক বছরে দেশে সুনাম অর্জন কুড়িয়েছে শিক্ষার্থীরা। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় অর্ধশত স্বেচ্ছাসেবী, বিজ্ঞানবিষয়ক, কালচারাল, দক্ষতা বৃদ্ধি, ভাষা চর্চা ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন বিষয়ক সংগঠন রয়েছে। মানুষের জীবন বাঁচানো ও পিছিয়েপড়া শিক্ষার্থীদের গুণগত শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সঞ্চালন, স্টুডেন্ট এইড সাস্ট, ক্বিন ও স্বপ্নোত্থান। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন, মহাকাশ গবেষণা, ভাষাচর্চা ও যুক্তি-তর্কের মাধ্যমে সৃজনশীল চিন্তার প্রয়াসে কাজ করছে সাস্ট ক্যারিয়ার ক্লাব, রোবো সাস্ট, সাস্ট অ্যারেনা, সাস্ট স্পিকার্স ক্লাব ও ডিবেটিং সোসাইটি ইত্যাদি।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এসএমএসভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ভর্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি উদ্ভাবন করে। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সেমিস্টার পদ্ধতি চালু করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রেডিট ট্রান্সফার পদ্ধতিরও যাত্রা শুরু হয় এখানে।
অনন্য ল্যাব সুবিধা : দেশের এই বিশ্ববিদ্যালয়টি এগিয়ে যাওয়ার পেছনে রয়েছে যোগ্যতা সম্পন্ন ও গবেষণাধর্মী শিক্ষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮টি বিভাগের প্রতিটিই উন্নতমানের ল্যাব সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা সংবলিত। বিশেষত শাবিপ্রবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ (সিএসই) এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে দেশের সেরা ল্যাব সুবিধা রয়েছে। সিএসই বিভাগের ল্যাব স্ট্রাকচার এমনভাবে সাজানো হয়েছে শিক্ষার্থীরা চাইলে সারা রাত ল্যাবে কাজ করতে পারেন ও ঘুমানোর ব্যবস্থাও রয়েছে।
দেশের সেরা রিসার্চ ইউনিভার্সিটি : ২০১৬ সালে দেশের সেরা রিসার্চ ইউনিভার্সিটি হিসেবে মনোনীত হয়েছিল যা বিশ্বের রিসার্চ ইউনিভার্সিটির মধ্যে ৬১০তম হয়েছিল। ২০১৯ সালে বিশ্বের ৩৪৭১টি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬১০তম ও এশিয়ার মধ্যে ৩৩৭তম স্থান অর্জন করে। স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েবমেট্রিক্সের বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিং-২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের সেরা ৫০টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে প্রথম স্থানে জায়গা করে নিয়েছিল শাবিপ্রবি। ২০২৪ সালে কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে দেশের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। জাতীয় পর্যায়ে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে প্রকাশিত সিন্যাপ্স র্যাঙ্কিংয়ে ২০২৪ এ প্রথম স্থান অর্জন করেছে। এ ছাড়া স্পেনের সিমাগো রিসার্চ গ্রুপ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্কপাসের যৌথ তালিকা অনুযায়ী বিজ্ঞান গবেষণায় দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় শাবিপ্রবি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সুশাসনে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছে। বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কাছে পছন্দের শীর্ষে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি।
আধুনিক লাইব্রেরি : নিরবচ্ছিন্ন পরিবেশে পড়ালেখা করতে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন একটি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি। যেখানে ৯০ হাজারের অধিক বই রয়েছে। এমনকি লাইব্রেরির মাধ্যমে গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অনলাইন জার্নাল, বিভিন্ন আর্টিকেল সম্পূর্ণ ফ্রিতে অ্যাক্সেস করার সুবিধা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা গবেষণা ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বমানের গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপক সুনাম রয়েছে। তাই তো গুচ্ছভর্তি পরীক্ষায় দেশের সর্বোচ্চ মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য ছুটে আসেন।
উপাচার্যের কথা : বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যের প্রশংসা করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে ইতোমধ্য আমরা ছেলেদের জন্য একটি ও মেয়েদের জন্য একটি হলের কার্যক্রম শুরু করছি। শাবিপ্রবিকে বিশ্বমানের একটি গবেষণাধর্মী ইউনিভার্সিটিতে রূপান্তরিত করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।