পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে সরকারের আলোচনায় কোনো সমাধান না আসায় দেশটির চলমান রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। একই সঙ্গে খানের মুক্তির দাবিতে আন্তর্জাতিক মহলে চাপ বাড়ছে। ২০২২ সালে অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া ইমরান খান গত বছর দুর্নীতি ও সহিংসতা উসকে দেওয়ার অভিযোগে কারাবন্দি হন। এ অভিযোগগুলোকে তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। চলতি মাসে একটি জমি-সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় ইমরানকে ১৪ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়। একই মামলায় তার স্ত্রীকেও কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ২০২৩ সালের মে মাসে দলীয় প্রধানকে কেন্দ্র করে হওয়া সহিংসতা তদন্তের জন্য বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিল।
এদিকে ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত পাকিস্তানি কমিউনিটি সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের উপদেষ্টা রিচার্ড গ্রেনেল এক টুইটে ইমরান খানকে ‘মিথ্যা অভিযোগে বন্দি’ আখ্যা দিয়ে বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক মামলা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। দক্ষিণ ক্যারোলিনার কংগ্রেসম্যান জো উইলসন সম্প্রতি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ইমরানের মুক্তির আহ্বান জানান। এর আগে, গত অক্টোবরে একদল ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে পাকিস্তানের ওপর চাপ প্রয়োগের অনুরোধ জানান। -নিক্কেই এশিয়া