শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

মব কর্তৃত্ব : গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অবক্ষয়

সাঈদ খান
প্রিন্ট ভার্সন
মব কর্তৃত্ব : গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অবক্ষয়

মব-কর্তৃত্ব গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি- আইন, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের ওপর আঘাত হানে, যা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অবক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও জনমতের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার পরিবর্তে, মব-কর্তৃত্ব অস্থিরতা ও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। ফ্যাসিজম ঘরবাড়ি বা দালানে নয়, সিস্টেমে অবস্থান করে। স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদকে আরেক স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী কায়দায় মোকাবিলা কাম্য নয়। এ ধরনের ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক পন্থায় লড়াই করতে হয়। এজন্য প্রয়োজন অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র ও সংস্কৃতির, যা রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতিটি স্তরে নির্মাণ করতে হবে।

মব (mob) শব্দটি লাতিন mobile vulgus থেকে এসেছে, যার মানে ‘চলন্ত জনতা’ বা ‘উত্তেজিত জনগণ’। ১৭ শতকের দিকে এর ব্যবহার শুরু হয়। এটি সাধারণত উত্তেজিত বা বিশৃঙ্খল জনসমাগম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যখন তারা আইনি প্রক্রিয়া বা নিয়ম অগ্রাহ্য করে। মব কর্তৃত্ব বা জনরোষে মানুষ আইন ও সামাজিক কাঠামো উপেক্ষা করে নিজের হাতে ‘ন্যায়’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, যা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির বিরোধী। সাধারণত এটি ক্ষোভ, অশান্তি বা অবিচারের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ঘটে। কখনো কখনো নির্দিষ্ট শ্রেণি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সহিংসতা সৃষ্টি হয়।  

মব জাস্টিস হলো এমন একটি পরিস্থিতি, যেখানে উত্তেজিত জনতা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে অপরাধীকে শাস্তি দেয়, যা আইনানুগ বিচারপ্রক্রিয়ার পরিবর্তে ঘটে। এটি সাধারণত আইনের প্রতি অবিশ্বাস এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়ার চাহিদার কারণে ঘটে। এর ফলে বেশির ভাগ সময়ই নিরীহ মানুষ এর শিকার হয়, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থি এবং সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। মব জাস্টিস গণতন্ত্রের অবক্ষয়ের একটি উদাহরণ, যেখানে প্রতিক্রিয়াশীল নাগরিক প্রক্রিয়া কার্যকরী হয়ে ওঠে। মবোক্র্যাসি এমন একটি পরিস্থিতি, যেখানে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি বা আইন দুর্বল হয়ে যায় এবং জনতার উত্তেজনা বা ক্ষোভের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা আইনি প্রক্রিয়া ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং সমাজে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করে, ফলে জনগণ সঠিক বিচার পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়।

প্রাচীন গ্রিস ও রোমে আনুষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থা থাকলেও ‘মব বিচার’ প্রচলিত ছিল। এথেন্সে ‘অস্ট্রাকিজম’-এর মাধ্যমে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি মনে করা ব্যক্তিদের নির্বাসিত করা হতো এবং রোমে স্বৈরাচারী শাসকদের উৎখাত বা হত্যা করা হতো। মধ্যযুগে বিচারব্যবস্থা ছিল সামন্ত প্রভুদের নিয়ন্ত্রণে। তবে সাধারণ মানুষ সন্দেহভাজন অপরাধীদের শাস্তি দিত, বিশেষ করে ডাইনিদের হত্যা করা ছিল সাধারণ ঘটনা। পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীভূত শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেও জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ড ও ধর্মীয় সহিংসতা মব বিচারের রূপে টিকে ছিল।

১৮ শতকের ফরাসি বিপ্লবে ‘জনগণের আদালত’ ও গিলোটিন ব্যবহারের মাধ্যমে বিপ্লবের শত্রুদের শাস্তি দেওয়া হতো। রুশবিপ্লবেও মব বিচার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। যুক্তরাষ্ট্রে আইন প্রয়োগে দুর্বল থাকায় ‘ভিজিলেন্স কমিটি’ গঠিত হয়, যারা বিচার ছাড়াই শাস্তি দিত। গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী দক্ষিণে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের ‘লিঞ্চিং’ ব্যাপক আকার ধারণ করে। ২০ শতকে ফ্যাসিবাদের উত্থানের সঙ্গে মব বিচারও বৃদ্ধি পায়। নাৎসি জার্মানির ‘ক্রিস্টালনাখট’ ছিল রাষ্ট্র-সমর্থিত সহিংসতার একটি নজির; যেখানে ইহুদিদের ওপর হামলা চালানো হয়। আধুনিক বিশ্বেও আরব বসন্ত, ক্যাপিটল হিল হামলা বা জার্মানিতে রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে জনরোষ সহিংস রূপ নেয়।

বাংলাদেশেও বিভিন্ন সময় ‘মব বিচার’ স্বাধীনতা আন্দোলন, নব্বইয়ের স্বৈরাচার পতন থেকে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় ইস্যুতে মব সহিংসতা লক্ষণীয়। ২০১৩ সালে শাহবাগ আন্দোলন, ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, ২০২০ সালের ধর্মীয় উত্তেজনা, ২০২১ সালে ভাস্কর্য বিতর্ক ও গণপরিবহন খাতে অনিয়মের প্রতিবাদ মব বিচারের রূপ নেয়। ৫ আগস্ট ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানের পর ছয় মাস ধরে বিভিন্ন স্থানে মব ও বিক্ষোভ দেখা যায়। যা পরবর্তী সময়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, রাতে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য বা বিবৃতির প্রতিবাদে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বাড়ি ভেঙে ফেলা হলো। ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, ভোলা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, নাটোর ও পিরোজপুরসহ বিভিন্ন শহরে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ‘বাড়ি, চিহ্ন, প্রতীক ভেঙে রাগ দেখানো যায়, কিন্তু ফ্যাসিবাদ যায় না, বরং ফ্যাসিবাদের পুনরুৎপাদন হয়।’

বাম জোটের নেতারা বলেছেন, ২০২৪ সালের গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে গড়া গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যমুক্ত সমাজের আকাক্সক্ষা সামনে রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। তবে কিছু উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড পরিস্থিতি জটিল করছে। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ বিদেশে বসে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে, যা জনগণকে ক্ষুব্ধ করছে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িতে ভাঙচুর ও বুলডোজার ব্যবহার সরকারের নিষ্ক্রিয়তা প্রদর্শন করছে। যদি সরকার নীরব থাকে তাহলে গণ অভ্যুত্থানের চেতনা প্রশ্নবিদ্ধ করা হতে পারে। তারা সব গণতান্ত্রিক দল ও সচেতন মহলকে অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান জানান এবং ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার আহ্বান জানান।

ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ঢাকার ফজলুল হক মুসলিম হলে ছাত্রদের হাতে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা মব জাস্টিসের ভয়াবহ উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায়। তখনো জনগণ বলেছিল, এ ধরনের ঘটনা থামাতে হবে। কিন্তু সরকার তা থামাতে পারেনি; তবে চেষ্টা দেখা গেছে। এর ফলে শিক্ষকরা পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন, ধর্মীয় স্থাপনা ও মাজারে হামলা, হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে। গণপিটুনি, ব্যক্তিকে ছিনিয়ে মেরে ফেলা ও পদত্যাগে বাধ্য করা- এগুলো সবই অন্যায় বা মব জাস্টিসেরই উদাহরণ।

ড. ইউনূস বলেছিলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যে কোনো সহিংসতা ও বৈষম্যকে অগ্রহণযোগ্য। তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছিলেন, নির্যাতনকারী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে উত্তেজিত মব নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে। শিক্ষার্থীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে, কারণ মব জাস্টিস কখনো সমাধান আনবে না। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, ঢাবি ও জাবিতে যে মব জাস্টিসের ঘটনা ঘটেছে, সে ঘটনায় সরকার মর্মাহত। এ ধরনের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং মব জাস্টিস দমনে কঠোর অবস্থানে থাকবে অন্তর্বর্তী সরকার।

সে কথা কতটুকু রেখেছে সরকার! মবের কর্তৃত্ব রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক শক্তির মাধ্যমে তৈরি হয়, যার মাধ্যমে জনতাকে তাদের স্বার্থে ব্যবহার করা হয়। রাষ্ট্র, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ধর্মীয় গোষ্ঠী, ব্যবসায়ী এবং গণমাধ্যম এ কর্তৃত্ব তৈরিতে সাহায্য করে। সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রচারণার মাধ্যমে মব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক আন্দোলনে প্রভাব ফেলে। মব সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরি। মব জাস্টিসের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমালোচনামূলক চিন্তা উৎসাহিত করা প্রয়োজন। শিক্ষাব্যবস্থায় বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা ও গুজব সম্পর্কে সতর্কতা শেখানো উচিত। ডিজিটাল লিটারেসি ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া তথ্য শনাক্ত করার প্রশিক্ষণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইনের কঠোর প্রয়োগ, সুশাসন এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হবে। পুলিশ বাহিনীকে শক্তিশালী ও দক্ষ করে অপরাধীদের দ্রুত আটকানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি গুজব প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো উচিত। জনসাধারণের মধ্যে আইনি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নৈতিক শিক্ষার প্রচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে মানুষ বুঝতে পারে যে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া অনৈতিক। সরকারের উচিত, মব জাস্টিসের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া।

দেশের চলমান পরিস্থিতিতে বিএনপি এক বিবৃতিতে বলেছে, অন্তর্বর্তী সরকার পলাতক ফ্যাসিস্ট এবং তাদের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে এখনো যথেষ্ট সাফল্য দেখাতে পারেনি। ফলে অনেকেই বেআইনি কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত হচ্ছে। সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, কিন্তু ‘মব কালচার’ ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা বেড়ে গেছে। সরকারের দায়িত্ব ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানের শহীদদের সহায়তা, পলাতক নেতাদের দ্রুত বিচার এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিশ্চিত করা। ফ্যাসিবাদী আদর্শের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলা প্রয়োজন এবং দ্রুত নির্বাচনের আয়োজন করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব।

লেখক : সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা