শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আগা খান, জিন্নাহ ও হলিউড নায়িকা রিটা

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
আগা খান, জিন্নাহ ও হলিউড নায়িকা রিটা

আগা খান সম্পর্কে জানার সুযোগ হয় ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময়। আমাদের দুজন সহপাঠী ছিল ইসমাইলীয়। দক্ষিণ এশিয়া উপমহাদেশে যারা খোজা নামে পরিচিত। সহপাঠী দুই বন্ধুর কাছেই শুনি আগা খান তাদের আধ্যাত্মিক নেতা। ইসমাইলীয়রা শিয়া মুসলমানদের একটি ভিন্ন মতাবলম্বী শাখা। ইসলামের ইতিহাসে এই ধর্মীয় গোষ্ঠীর উৎপত্তি একটি বিতর্কিত বিষয়। খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ অধ্যাপক কে আলীর ইসলামের ইতিহাস-এ বলা হয়েছে, শিয়াদের ষষ্ঠ ইমাম জাফর সাদিক জ্যেষ্ঠ পুত্র ইসমাইলকে ইমাম মনোনীত করেন। কিন্তু তাঁর অসদাচরণের কারণে দ্বিতীয় পুত্র মুসা আল কাজিমকে উত্তরাধিকার ঘোষণা করা হয়। শিয়াদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এ পরিবর্তন মেনে নিলেও একটি দল ইসমাইলের অনুগত থাকে। তাদের বাতেনিও বলা হয়। কারণ তাদের মতে, ইসমাইল মদ্যপায়ী হলেও তাঁর আত্মিক সৌন্দর্য তাতে কোনোভাবে নষ্ট হয়নি। ইসমাইলের এই গোপন আধ্যাত্মিক শক্তিকে বাতেন বলা হয়।

ইসমাইলীয়রা পরে বিভিন্ন উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এদের একটি অংশের নাম ছিল কারামতি। হাসান কারামত যে গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা। আব্বাসীয় আমলে দলটি খুব শক্তিশালী হয়ে ওঠে। কারামতি নেতা আবু সাঈদ আল জানাবি বাহরাইন ও ধারেকাছের অনেক এলাকায় তাঁদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর পুত্র আবু তাহের আল জানাবি মক্কায় অভিযান চালিয়ে পবিত্র হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর লুট করে নিয়ে যান। হাজার হাজার হজযাত্রীকে হত্যা করেন এই পাষণ্ড। জমজম কূপে হাজিদের লাশ ফেলা হয়। ইসলামের ইতিহাসে যা একটি ট্র্যাজেডি হিসেবে বিবেচিত। বেশ কয়েক বছর পর আব্বাসীয় খলিফা বিপুল মুক্তিপণের বিনিময়ে হাজরে আসওয়াদ ফেরত আনেন।

 একসময় ইসমাইলীয়দের একাংশ উগ্রপন্থি হিসেবে শিয়া এবং সুন্নি দুই সম্প্রদায়ের কাছেই ছিল সমালোচিত। তাদের একটি শাখা নিজারি ইসমাইলিয়া নামে পরিচিত। অতীত যাই হোক, দেড় শ বছরেরও বেশি সময় তারা একটি শান্তিবাদী ধর্মীয় গোষ্ঠী হিসেবে দুনিয়াজুড়ে পরিচিত এবং প্রশংসিত। পাকিস্তান আমলে স্কুল পর্যায়ের সাধারণ জ্ঞানের পাঠ্যপুস্তকে পড়ানো হতো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির নাম আগা খান। যিনি পাকিস্তানের নাগরিক। আগা খান কিন্তু কোনো ব্যক্তির নাম নয়। এটি একটি উপাধি। ইসমাইলীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের নিজারি শাখার আধ্যাত্মিক নেতা প্রিন্স করিম আল হুসেইনী বা চতুর্থ আগা খান ৪ ফেব্রুয়ারি মারা গেছেন পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে। পৃথিবীর প্রায় দেড় কোটি ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের নতুন আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন প্রিন্স রহিম আল হুসেইনী। তিনি প্রিন্স করিম আল হুসেইনীর বড় ছেলে। প্রিন্স রহিম পঞ্চম আগা খান হিসেবে অভিহিত হবেন।

প্রিন্স রহিম আগা খান যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে তুলনামূলক সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। এবং দায়িত্ব পালন করেছেন আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের বিভিন্ন সংস্থার পরিচালনা পর্ষদে।

এ সংস্থা স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, শিক্ষা এবং গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে। ৩০টিরও বেশি দেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংস্থাটির বার্ষিক বাজেট প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার। অলাভজনক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে এ অর্থ ব্যয় হয়। প্রিন্স রহিম জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়েও বিশেষভাবে আগ্রহী।

আগা খান, জিন্নাহ ও হলিউড নায়িকা রিটাআগা খানদের পূর্বপুরুষদের বসতি পারস্য বা ইরানে। ১৮১৮ সালে পারস্যের কাজার রাজ্যের শাসক ফাতেহ আলি শাহ নিজারি ইসমাইলীয়দের ৪৬তম ইমাম হাসান আলি শাহকে সম্মানসূচক আগা খান উপাধিতে ভূষিত করেন। কারমানের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। এর দুই দশকের মধ্যে রাজপরিবারের সঙ্গে আগা খানের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ১৮৩৮ সালে কাজার রাজবংশকে উৎখাতের এক ব্যর্থ প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দেন তিনি। প্রাণ বাঁচাতে দলবলসহ ভারতে পালিয়ে আসেন আগা খান। ভারতের ব্রিটিশ শাসকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। এই উপমহাদেশের ব্যবসাবাণিজ্যে আগে থেকেই ইসমাইলীয় বা খোজা সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ ছিল। ১৮৮১ সালের এপ্রিলে প্রথম আগা খান ভারতের মুম্বাইয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে তিনি জ্যেষ্ঠ পুত্র আকা আলি শাহকে উত্তরসূরি মনোনয়ন করেন। দ্বিতীয় আগা খান মাত্র চার বছর খোজা সম্প্রদায়ের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান। ১৮৮৫ সালের ১৭ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর দ্বিতীয় আগা খানকে ইরাকের কুফায় হজরত আলি (রা.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়। দ্বিতীয় আগা খান ইসমাইলি সম্প্রদায়ের পাশাপাশি ভারতবর্ষের অন্য মুসলমানদের কাছেও জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকে ভেঙে পড়েন তাঁর অনুসারীরা।

দ্বিতীয় আগা খানের মৃত্যুর পর ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের ইমাম বা তৃতীয় আগা খান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সুলতান মোহাম্মদ শাহ। তখন তাঁর বয়স মাত্র সাত বছর। তৃতীয় আগা খানের জন্ম ১৮৭৭ সালের ২ নভেম্বর সিন্ধুর করাচি নগরীতে। মাত্র সাত বছর বয়সে তিনি বাবাকে হারান। ওই বয়সেই তাঁর হাতে একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক নেতার দায়িত্ব অর্পিত হয়। তাঁর মা নবাব আলিয়া শামসুল মুলক তাঁর একমাত্র পুত্রকে সুশিক্ষিত ও সুযোগ্য করে গড়ে তোলেন। তৃতীয় আগা খানের মা ছিলেন পারস্যের কাজার রাজ্যের শাহ ফতেহ আলি শাহের নাতনি। তৃতীয় আগা খান ছিলেন আধুনিকমনা এবং ক্যারিশমাটিক ব্যক্তিত্ব। তিনি শুধু ইসমাইলীয় সম্প্রদায় নয়, ভারতবর্ষের মুসলমানদের শীর্ষ নেতা হিসেবেও আবির্ভূত হন। ভারতীয় মুসলমানদের প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকায়- ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহর সভাপতিত্বে। সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তৃতীয় আগা খান সুলতান স্যার মোহাম্মদ শাহ। ভারতবর্ষের সাংবিধানিক সংস্কারের ওপর ইংরেজদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আন্তর্জাতিকভাবেও তৃতীয় আগা খান ছিলেন ব্যাপক সুনামের অধিকারী। ১৯৩৭ সালে তিনি লিগ অব নেশনস বা জাতিপুঞ্জের সভাপতি নিযুক্ত হন। স্মর্তব্য যে, জাতিসংঘের আগে লিগ অব নেশনস বা জাতিপুঞ্জ ছিল বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংগঠন।

তৃতীয় আগা খান ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা বা ইমাম হিসেবে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে যেমন ছিলেন সুশিক্ষিত, তেমন ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি নারী-পুরুষনির্বিশেষে ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের শিক্ষা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন। তৃতীয় আগা খানের নেতৃত্বগুণে তাঁর সম্প্রদায় শিক্ষাদীক্ষা ও ধনসম্পদে ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে ছিল এগিয়ে। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায়ও তিনি অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। ৭৭ বছর ধরে তিনি ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব দেন। ১৯৫৭ সালের ১১ জুলাই সুইজারল্যান্ডের ভার্সোইক্স শহরে তিনি মারা যান। মিসরের নীল নদের পশ্চিম তীরে আসওয়ানে তাকে দাফন করা হয়। মৃত্যুর তিন বছর আগে তিনি নিজের জন্য কবরের জায়গা ঠিক করে যান।

তৃতীয় আগা খান সুলতান স্যার মোহাম্মদ শাহ পুত্র আলি খানকে উত্তরাধিকার থেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। আলি খান ছিলেন খোলামেলা জীবনধারায় বিশ্বাসী। যা একজন ধর্মীয় নেতার জন্য একেবারে বেমানান। বিশ্বখ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী রিটা হেওয়ার্থকে বিয়ে করেন তৃতীয় আগা খানের পুত্র আলি খান। আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউটের হিসাবে রিটা সর্বকালের ১০০ জন তারকার অন্যতম। লাইফ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে পাঁচবার তিনি ঠাঁই পেয়েছেন নিজ যোগ্যতা বলে। হলিউডের অভিনেত্রী রিটা ছিলেন চতুর্থ আগা খান করিম আল হুসেইনীর সৎমা। বর্তমান আগা খান প্রিন্স রহিমের সৎদাদি।

তৃতীয় আগা খান তাঁর নিজের পুত্র আলি খানকে বাদ দিয়ে পৌত্র করিম আল-হুসেইনি শাহ (১৯৩৬-২০২৫)-কে উত্তরসূরি হিসেবে বেছে নেন। ২০ বছর বয়সি চতুর্থ আগা খান সে সময় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। প্রিন্স করিম আল-হুসেইনি আগা খান ১৯৫৭ সালের জুলাই মাসে ব্রিটিশ রানি এলিজাবেথের কাছ থেকে হিজ হাইনেস উপাধি লাভ করেন। মাত্র দুই সপ্তাহ আগে তাঁর দাদা তৃতীয় আগা খান তাঁকে ইসমাইলি মুসলিম সম্প্রদায়ের পরবর্তী আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে ঘোষণার পর এটি ছিল তাঁর জন্য এক বিরাট সম্মান।

তৃতীয় আগা খান সুলতান স্যার সুলতান মোহাম্মদ শাহ ভারতবর্ষের শীর্ষ রাজনীতিকদের একজন বলে বিবেচিত হতেন। জাতিপুঞ্জের সভাপতি হিসেবে তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়েরও নেতৃত্ব দিয়েছেন। তবে তাঁর পৌত্র চতুর্থ আগা খান রাজনৈতিক বিষয় থেকে দূরে থেকেছেন সচেতনভাবে। ইসমাইলি মুসলমানদের আধ্যাত্মিক নেতা, সমাজসেবক ও ইসলামি সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধের সুরক্ষণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। মুসলমানদের সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বের সেতুবন্ধন রচনায় তিনি রেখেছেন অনন্য ভূমিকা।

চতুর্থ আগা খান একসময় ছিলেন বিশ্বের সেরা ধনী। তিনি বিভিন্ন পারিবারিক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। তাঁর সম্প্রদায়ের সিংহভাগ লোকজনও ব্যবসায়ী হিসেবে সমাদৃত। তারপরও প্রশ্ন ওঠে ব্যবসার পরিসর খুব বড় না হলেও আগা খান বিশ্বের সেরা ধনীদের একজন বিবেচিত হন কীভাবে? এর কারণ ইসমাইলীয় মুসলমানরা তাদের আয়ের সাড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত আগা খান ফান্ডে দান করেন। এটিকে তারা ধর্মীয় কর্তব্য বলে ভাবেন। দুনিয়াজুড়ে চিকিৎসা, শিক্ষা, সমাজসেবায় আগা খান যে বিপুল অর্থ ব্যয় করেন, তার উৎস অনুসারীদের দেওয়া অর্থ।

পাদটীকা : উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জন্মসূত্রে একজন ইসমাইলীয়। জিন্নাহর পূর্বপুরুষরা ছিলেন ভারতের গুজরাটের অধিবাসী। জাতিতে সনাতন ধর্মাবলম্বী। সাধারণভাবে যাদের হিন্দু বলা হয়। জিন্নাহর দাদা মাছ ব্যবসায়ে নামেন। ট্রলারে করে সমুদ্র থেকে ধরা হতো মাছ। এ ব্যবসায় তাঁরা বিপুল সম্পদের মালিক হন। কুলীন হিন্দুরা নিরামিষভোজী সম্প্রদায়ের কোনো সদস্য মাছ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়বেন, এটি ভালো চোখে দেখেনি। তারা তাদের সমাজচ্যুত করে। জিন্নাহর বাপ-দাদা ইসমাইলীয় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। গুজরাট থেকে তাঁরা চলে আসেন করাচিতে। জিন্নাহ অবশ্য ব্যক্তিজীবনে ধর্মের ধার ধারতেন না। কংগ্রেস থেকে তিনি মুসলিম লীগে যোগ দেন মহাত্মা গান্ধীর ওপর বিরক্ত হয়ে। স্বনামধন্য এই আইনজীবীর নেতৃত্বে ভারত ভেঙে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৭ সালে। মুসলমানদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি পাকিস্তান আন্দোলনের নেতৃত্ব দিলেও জিন্নাহ কখনো গোঁড়ামিতে বিশ্বাস করতেন না।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

২৫ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা