শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৯:১১, শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

মাদারীপুরের মর্মবেদনা

মেজর নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ (অব.) পিএইচডি
প্রিন্ট ভার্সন
মাদারীপুরের মর্মবেদনা

দেশপ্রেমিক নাগরিকেরা আবেগের বশে দেশকে মায়ের মর্যাদা দেয়। তখন দেশের নাম হয়ে যায় মাতৃভূমি, যার ইংরেজি রূপ মাদারল্যান্ড। বাংলাদেশ নামের আমাদের এ মাদারল্যান্ডে গত সপ্তাহে বারবার উচ্চারিত হয়েছে দক্ষিণের জেলা মাদারীপুরের নাম। তবে দুঃখের বিষয় এ নাম কোনো সুখবর বা কারও কোনো ইতিবাচক অর্জনের জন্য নয় বরং উচ্চারিত হয়েছে মর্মান্তিক, কলঙ্কজনক ও নেতিবাচক কিছু মর্মকথা নিয়ে।

৩০ জানুয়ারি ২০২৫ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র-২০২২ প্রকাশিত হয়, যেখানে দেখা যায় দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে মাদারীপুরে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি। এ জেলার প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৫৪ দশমিক ৫ জন অর্থাৎ ৫৪ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। এ জেলার ডাসা উপজেলার অবস্থা সবচেয়ে করুণ, যেখানে ৬৩ দশমিক ২১ শতাংশ মানুষ অর্থাৎ প্রতি তিনজনের মধ্যে প্রায় একজনই দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে।

২ ফেব্রুয়ারি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের মূল খবরে দেখা যায়, সম্ভবত ২৫ জানুয়ারি লিবিয়া থেকে নৌযানে করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন ৫৬ জন আরোহী। এরপর ২৮ থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ২৩টি মৃতদেহ লিবিয়ার সৈকতে ভেসে আসার পরিপ্রেক্ষিতে ওই নৌযানটি ডুবে যাওয়ার এবং অধিকাংশের করুণ মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। লিবিয়ার দূতাবাসসূত্র মৃত ২৩ জনের দেহের সঙ্গে কোনো পাসপোর্ট বা পরিচয়পত্র বা অন্য কোনো ডকুমেন্ট না থাকায় অবয়ব (চেহারা) দেখে তাদের বাংলাদেশি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছে।

বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইন পোর্টালের অনুসন্ধানে দেখা যায়, এ নৌকাডুবির ঘটনার পর থেকে দেশের দরিদ্রতম জেলা মাদারীপুরের অনেক বাড়িতেই চলছে শোকের মাতম। যারা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন তাদের অনেকেই নৌকায় ওঠার আগে শেষবারের মতো টেলিফোনে কথা বলেছিলেন আপনজনদের সঙ্গে। এরপর থেকেই সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

এমন করুণ মৃত্যু আমাদের অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে। উন্নয়নের জোয়ার, ঘরে ঘরে চাকরি, দারিদ্র্যবিষয়ক নিম্নমুখী সূচক, ১০০টি শিল্পাঞ্চলে ব্যাপক চাকরির সুযোগ, পদ্মা সেতুর ম্যাজিকে দক্ষিণাঞ্চলের ব্যবসাবাণিজ্য ও শিল্পকারখানার বাম্পার ইত্যাদিই ছিল বিগত বছরগুলোতে দিনে-রাতে হাজারবার শোনা শব্দ, বাক্য, সুর, এমনকি ওয়াজ মাহফিলের হেদায়েতের বাণী। এর বিপরীতে মাদারীপুর জেলার সিংহভাগ মানুষের গরিব থাকা ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ২০ থেকে ৩০ বছরের যুবকদের স্বাচ্ছন্দ্যের আশায় নৌকায় সাগর পাড়ি দেওয়ার আপ্রাণ প্রচেষ্টা এ উন্নয়নগুলোকে অসার গণ্য করে। দেশে যদি উন্নয়নের এত জোয়ার সত্যি হতো তবে ইউরোপ থেকে ঝুঁকি নিয়ে মানুষ বাংলাদেশে আসত। বাস্তবে ঘটছে উল্টো ঘটনা।

বরিশাল, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও শরীয়তপুর জেলা চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে মাদারীপুর জেলাকে। তাই অন্য চারটি জেলার মতো মাদারীপুরেও ছিল আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ দখলে। মাদারীপুরের মোট তিনটি নির্বাচনি এলাকার মধ্যে মাদারীপুর-১ আসনে ১৯৯১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ৩৩ বছর সংসদ সদস্য ছিলেন আওয়ামী লীগের নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন। এর আগে এখানে সংসদ সদস্য ছিলেন তারই বাবা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী।

মাদারীপুরের মর্মবেদনাএই ইলিয়াস আহমেদের মা চৌধুরী ফাতেমা বেগম ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমানের বড় বোন। ফলে শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে (ভাতিজা) হিসেবে লিটন ছিলেন শেখ হাসিনার কাছের মানুষ এবং মহান সংসদের দীর্ঘদিনের চিফ হুইপ। এত সুযোগ থাকার পরও ৩৩ বছরে তিনি এলাকার মানুষকে কেন সবচেয়ে দরিদ্র বানিয়ে ছাড়লেন তার জবাব খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে যা পাওয়া যাবে তা হলো, তার ৩৩ বছর এবং তার আগে তার বাবা ও দাদার আমলে হওয়া এলাকার উন্নতির ফিরিস্তি। তবে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর জানা যায়, লিটনের সাজানো প্রকল্পের প্রস্তাব পরিবর্তন করে চর এলাকার খাসজমি ব্যক্তিমালিকানাধীন দেখিয়ে ৯০০ কোটি টাকায় ক্রয় করে তৎকালীন সরকার। (সূত্র : ডেইলি খবর ২৪ জানুয়ারি ২০২৫)। এখন সেই চর পদ্মায় বিলীন হয়েছে এবং চরের জমি বিক্রি করা সাজানো ভূমিমালিকরা লাপাত্তা। আর দুদক লিটনকে জিজ্ঞাসা করছে ৯০০ কোটি টাকা হিসাবের ব্যাপারে। শুধু এ ৯০০ কোটি টাকাই যদি মাদারীপুরের সাধারণ মানুষ পেত তবে দারিদ্র্যের হার ৫০ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে একটু হলেও কমত।

১৯৯১ থেকে ২০১৪- এই ৩৩ বছর মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন শাজাহান খান। তার বড় পরিচয় তিনি ছিলেন পরিবহন খাতের সম্রাট শাজাহান। পরিবহন শ্রমিক নামে খানসেনারা সড়কে যা চাইতেন তাই হতো। এ খাতে চাঁদার বিশাল সংগ্রহ নিয়ন্ত্রণ করতেন শাজাহান খান। চাঁদার এ টাকা কোথায় যায়, এমন প্রশ্ন যাদের মনে ছিল তাদের প্রশ্নের উত্তর জানিয়ে দৈনিক কালবেলা ২ ফেব্রুয়ারি লিখেছে যে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শাজাহান, তার স্ত্রী রোকেয়া ও ছেলে আসিবুরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। আর মেয়ে ঐশীকে দিয়েছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিস। দুদকের দাবি, শাজাহান খান ১১ কোটি ৩৬ লাখ ৫১ হাজার ৫৫৫ টাকা, স্ত্রী রোকেয়া ৪ কোটি ৪৭ লাখ ১৯ হাজার ৮৪৬ টাকা, ছেলে আসিবুর ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫ টাকা ও মেয়ে ঐশী ১ কেটি ৭১ লাখ ১৮ হাজার ৯২ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত থেকে অর্জন করেছেন। আর শাজাহানের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সন্দেহজনকভাবে লেনদেন হয়েছে ৮৬ কোটি ৬৯ লাখ ৩২ হাজার ৭৬৯ টাকা। সব মিলিয়ে দেখা যায়, দেশের সবচেয়ে গরিব জেলার একটি নির্বাচনি এলাকার সংসদ সদস্যের পরিবারের চারজনের প্রকাশিত বা সূত্র মূলে খুঁজে পাওয়া সন্দেহজনক সম্পদের মূল্য ১১৪ কোটি টাকার বেশি।

গরিব জেলা মাদারীপুরের সংসদীয় আসন-৩-এ সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ও প্রুভেন অনেস্ট ম্যান খ্যাত সৈয়দ আবুল হোসেন তিনবার, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম একবার এবং শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. আবদুস সোবহান গোলাপ একবার নির্বাচিত হন। এর মধ্যে সৈয়দ আবুল হোসেন পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় দুর্নীতির প্রশ্ন ওঠায় দায়িত্ব থেকে আদেশক্রমে অব্যাহতি নেন। আজ তিনি আর আমাদের মাঝে নেই।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও তার স্ত্রীর কেবল নগদ টাকাই ১০ বছরে বেড়েছে ১৬ থেকে ১৭ গুণ। বাহাউদ্দিন নাছিমের টাকা ৪৪ লাখ ৪৫ হাজার থেকে বেড়ে হয় ৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। অন্যদিকে তার স্ত্রীর টাকা ১৮ লাখ ৯৬ হাজার থেকে বেড়ে হয় ৩ কোটি ৪ লাখ। গরিব জেলার এ আসনের অপর সংসদ সদস্য আবদুস সোবহান মিয়ার অন্তত ৯টি বাড়ি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। দেশেও নানা নামে অঢেল সম্পত্তির মালিক হয়েছিল তার পরিবার, যা তদন্ত করছে দুদক।

দুর্নীতির কশাঘাতে একটি জনপদের মানুষের কী হাল হতে পারে, তার নজির হয়ে থাকবে মাদারীপুর। ৩৩ বছর এ এলাকা একটি দলের এবং প্রায় ক্ষেত্রে একই সংসদ সদস্যের ছায়াতলে থেকে একটা বড় সময় দেশশাসনের দায়িত্বে থাকা দলের আশীর্বাদপুষ্ট হয়েও দেশের সবচেয়ে দরিদ্র জেলা হওয়ার কোনো কারণ থাকতে পারে না। যদি এ এলাকাটি খরাপীড়িত, লবণাক্ত বা অনাবাদি জনপদ হতো বা যুদ্ধে জর্জরিত থাকত তাহলে হয়তো এমনটা মানা যেত। একটি সম্ভাবনাময় জেলার এমন করুণ দৃশ্য ক্ষমার অযোগ্য।

মাদারীপুরের ঘরে ঘরে যখন শোকের মাতম তখনো অজ্ঞাত স্থান থেকে আসা অপ্রত্যাশিত ভাষণ শুনতে হয় মাদারীপুরবাসীকে। এর আগে তাদের এলাকার সংসদ সদস্য বাহাউদ্দিন নাছিম একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকার ও ভেরিফায়েড ফেসবুকে জানিয়েছিলেন, প্রকৃতপক্ষেই আমরা যদি ভুল বা অন্যায় করে থাকি তবে সেই অন্যায়ের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে আমাদের কোনো আপত্তি অথবা আমরা ক্ষমা চাইব না- এ ধরনের গোঁড়ামি আমাদের ভিতরে কাজ করে না।

এখানে লক্ষণীয় সবচেয়ে দরিদ্র জেলার এই সংসদ সদস্য এখনো যদি ভুল করে থাকি-জাতীয় ভুলের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছেন না। নিজ জেলাকে সবচেয়ে গরিব দেখে তিনি হয়তো ভাবছেন :

হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান।

তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রিস্টের সম্মান

কণ্টক-মুকুট শোভা। -দিয়াছ, তাপস,

অসঙ্কোচ প্রকাশের দুরন্ত সাহস;

উদ্ধত উলঙ্গ দৃষ্টি, বাণী ক্ষুরধার,

বীণা মোর শাপে তব হল তরবার!

তবে এ কথাও সত্য, এ মাদারীপুরেরই কৃতী সন্তান ফরায়েজি আন্দোলনের অগ্নিপুরুষ মুহাম্মাদ মহসিন উদ্দিন দুদু মিয়া, প্রথম শহীদ মিনারের রূপকার ও ভাষাসৈনিক ডাক্তার গোলাম মাওলা, বাংলা ভাষার অহংকার কবি, সাহিত্যিক ও উপন্যাস রচয়িতা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (ভারত), বিজ্ঞানলেখক ও বর্তমান বিশ্বের সুপরিচিত পদার্থবিজ্ঞানী স্বপন কুমার গায়েন (আমেরিকা) এবং জগৎখ্যাত প্রকৌশলী এফ আর খান (আমেরিকা) প্রমুখ। মাদারীপুরের ভবিষ্যৎ নেতারা জেলাটিকে মাদারল্যান্ড ভেবে শাজাহান খানের বদলে এফ আর খান, লিটনের বদলে স্বপন, বাহাউদ্দিনের বদলে মহসিন উদ্দিনের জন্ম ও বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দেবেন- এটাই প্রত্যাশা। আবদুস সোবহান গোলাপ নয়, সত্যিকারের গোলাপ ফুটুক মাদারল্যান্ড মাদারীপুরের ঘরে ঘরে।

লেখক : গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৫৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা