শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০১:২৭, মঙ্গলবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

প্রশ্ন দেখে মানুষ যাচাই

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
প্রশ্ন দেখে মানুষ যাচাই

ঘোড়ায় টানা গাড়িতে মালবোঝাই করে বিক্রি করার জন্য ইরানি বণিকরা দূর-দূরান্তে যেতেন। ত্রিশ থেকে পঞ্চাশ গাড়ির বহর আবার ইরানে ফিরে আসতে পাঁচ-সাত মাস লেগে যেত। ফিরতি গাড়িতে থাকত বিদেশি পণ্য। তাঁদের গাড়ির এ বহরকে বলা হতো ‘কারওয়াঁ’। (ইংরেজি ‘ক্যারাভান’ শব্দটির উৎপত্তি  কারওয়াঁ থেকেই) মুঘল আমলে এ ধরনের কারওয়াঁ বহুবার ঢাকা শহরে যাতায়াত করেছে। গাড়িগুলো দোকান হয়ে যেখানে কাজ করেছে সেই জায়গাটিই আজকের কারওয়ান বাজার। সেকালের ইরানি বণিকরা মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বুঝে বিপণন করতেন। কথিত আছে এরকম এক বণিক কারওয়াঁ নিয়ে ভারতের দিকে বাণিজ্য যাত্রা করছিলেন। সঙ্গে রয়েছে তাঁর এক কিশোর ছেলে। পথিমধ্যে একটি বাজারে বিকিকিনির সময় ছেলেটি আম কিনে দেওয়ার আবদার করে। বণিক গেলেন আম কিনতে। তিনি দেখেন প্রতি কুড়ি আম দশ মুদ্রা। ছেলেকে বণিক বললেন, ‘বাপরে! এত চড়া দাম! নাহ এই বাজার থেকে কিনছি না। সামনে আরও অনেক বাজার পাব। তখন দেখা যাবে।’

সামনে যে সাতটি বাজার পেয়েছিলেন সেগুলোয়ও আমের দর চড়া। আম আর কেনা হয় না। ফিরতি পথে বাজারে বাজারে কেনার চেষ্টা করলেন। কিন্তু পাঁচটি বাজারের কোথাও আম নেই। শেষতক কারওয়াঁ এসে পৌঁছে গেল সেই প্রথম বাজারে। বণিক ছেলেকে বলেন, ‘ওই যে দেখ আমের দোকান। চল তোমায় কিনে দিই।’ দোকানির কাছে বণিক জানতে চান, দর কত। দোকানি জানায়, আমের কুড়ি চল্লিশ টাকা। বণিক বলেন, ‘দাও পাঁচ কুড়ি।’ বাপের কাণ্ড দেখে ছেলে চমকিত। দশ টাকা দর দেখে যিনি এক কুড়ি আমও কিনলেন না, সেই তিনি এখন দু’শ টাকায় পাঁচ কুড়ি আম খরিদ করছেন!

‘তুমি কৃপণতা করে আগে কিনলে না।’ ছেলে বলল বাবাকে, ‘এখন চার গুণ দরে কিনে ফেললে হাসতে হাসতে। এমন করলে কেন বাবা?’

মহামতি ভলতেয়ার বলে গেছেন, ‘উত্তর শুনে নয়, প্রশ্ন দেখে মানুষকে যাচাই কর।’ ছেলেকে যাচাই করে বণিক বুঝলেন, চড়া দামে অবলীলায় আম্রক্রয় পুত্রের কাছে বিরাট একটা রহস্য হয়ে ধরা দিয়েছে। তিনি ছেলেকে জানান, হিন্দুস্তান রওনা দেওয়ার সময় পথে যে মাল বেচেছেন তাতে মুনাফা তেমন হয়নি। সব মাল বেচার পর হিসাব করে দেখলেন, অনেক মুনাফা হয়েছে। এতে ক্রয়ক্ষমতা বেশ বেড়ে গেছে। তাই, ফিরতে পথে বেশি দরে আম কেনায় কোনো সমস্যা হয়নি।

২. সাংবাদিক সাহিত্যিক আফলাতুন (মৃত্যু : ১৪ মে, ২০০৬) বলতেন, পারচেজিং পাওয়ার বৃদ্ধির গতি মাঝে-মধ্যে মন্থর হওয়া সমাজের জন্য মঙ্গলকর। নইলে পাওয়া বাড়বার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকবে চাওয়া।BP খাই খাই আরও খাই বিমার তোমারে চুষতে চুষতে ফোকলা করে দেবে। চাওয়া আর পাওয়া আর খাই খাই হয়ে যাবে ফাঁস। করবে তোমার সর্বনাশ।

সে আবার কী? বৈকালিক আড্ডায় আমরা প্রশ্ন করি আফলাতুন দাদুকে। তিনি তাঁর এলাকা সন্দ্বীপে বাড়ি, বাস করে ঢাকায় এরকম এক ব্যক্তির সর্বনাশ হওয়ার বৃত্তান্ত দিলেন। লোকটার নাম মনতাজ আলী ফকির। সরকারি দপ্তরের নিম্নবর্গীয় অফিসার মনতাজের পদায়ন এমন জায়গায় হয়েছিল যে, বাতাসের সঙ্গে ভাসতে ভাসতে যাবতীয় ঘুষ নাক দিয়ে ঢুকে পাকস্থলীতে দাখিল হয়।

আফলাতুন দাদুর ভাষায়, ব্যাডায় চব্বিশ ঘণ্টা ননস্টপ হারাম খায়। ভুক্তভোগীরা তার বিরুদ্ধে নালিশ দিলে তাকে দূরতম অঞ্চলে বদলি করা হয়।

নতুন জায়গায় উচ্চ ফলনশীল চাষাবাদের সুযোগ পেয়ে ট্রিপল স্পিডে ঘুষ খেতে থাকে মনতাজ আলী ফকির। হারামির টাকায় তার তিনটি বাড়ি হয়ে গেল প্রধান তিন শহরে। প্রতিটি বাড়িই চার তলা। বউয়ের সংখ্যাও ৪-এ উঠল। রক্ষিতা পোষণের নেশা? হ্যাঁ, সেটাও চলমান রেখেছে সে। তবু তার খাই খাই যায় না। করাত কল, আটা-ময়দা কল, ইটখোলা, অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি-পাতিল তৈরির কারখানা, হাঁস-মুরগি আর মাছের খামার সবই হয়েছে। সহায়-সম্পত্তি খালি বাড়ছে আর বাড়ছে। এমন সময় আগা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খান নামক এক সেনাপতি পাকিস্তান রাষ্ট্রের দণ্ডধর রূপে আবির্ভূত হন।

দুনিয়ায় তো ভালো কাজের কত রকম সুযোগ! সেসব সুযোগের দিকে মনোযোগ না দিলে জেনারেল ইয়াহিয়া কেন শুধু দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করলেন তা একমাত্র আল্লাহ গাফুরুর রাহিমই জানেন। মনতাজের চাকরি গেল। আয়ের সঙ্গে মিলমিশ খায় না কিসিমের সম্পত্তি অর্জনের দায়ে হাফডজন মামলার আসামি হয় মনতাজ। উকিল ব্যারিস্টারের খাই মেটাতে গিয়ে মনতাজ আলী ফকির শাব্দিক অর্থেই ‘ফকির’ হতে শুরু করে।

ইয়াহিয়া আর মনতাজ স্বভাবগত একই ঘরানার ইনসান। আফলাতুন বুলেটিন থেকে আমরা জানতে পারলাম, দুজনেরই প্রশ্ন শুনে তাদের মতলব আঁচ করা যায়। সুবেশ প্রিয়দর্শিনী কাউকে দেখলে মনতাজ প্রশ্ন করত, বিয়া অইছেনি? ইয়াহিয়া কী জানতে চাইতেন? তিনি নাকি বলতেন, ‘শাদি হুয়াকে নেহি?’

৩. রাজধানীর মতিঝিল বাণিজ্য এলাকায় যে অফিসে একদা কাজ করতাম, সেখানে ঘটনাক্রমে বেতন অনিয়মিত হয়ে গেল। শৃঙ্খলা বিপন্ন হয়ে পড়লে কর্তৃপক্ষ প্রতি মাসে প্রতিদিন বেতন দেওয়ার সিস্টেম চালু করে। ধরা যাক, রবিবার বেতন দেওয়া হবে শুনে জড়ো হলো বেশ কয়েকজন। ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষার পর ঘোষণা- ‘যাদের বেতন পঁয়ত্রিশ হাজার শুধু তারা আজ পাবেন।’ ঠিক আছে। তা-ই দাও।

‘রেডি হোন। এশার নামাজের পর থেকে দেওয়া শুরু হবে।’ ঘোষণা দেন ম্যানেজার। পঁয়ত্রিশ হাজার বেতনধারী ১০ জন। চারজনকে দেওয়ার পর ঘোষণা, ‘তহবিল অকুলান। প্লিজ আগামীকাল আসুন।’

বকেয়া বেতন আগামীকাল পাওয়া যাবে- এই আশায় দিন যায় দিন আসে, বেতনের দিন আসে না। তবু কালের চাকা ঘোরে। আমরাও ঘুরি। এভাবে দেখতে দেখতে ঈদুল ফিতরের দিন ঘনায়। ‘শবেকদরের আগের দিন বোনাস ও বেতন হবে’ সংবাদ পেয়ে ওইদিন ইফতারের পর থেকে অপেক্ষা শুরু। রাত ১০টায়ও ইতিবাচক খবর আসে না।

প্রবীণ সহকর্মী আবদুল লতিফ ঠান্ডা প্রকৃতির মানুষ। অপেক্ষার ধকল তাঁকেও তপ্ত করে ফেলেছিল। তিনি বলেন, পাবো পাবো করে এই অপেক্ষার মতো যন্ত্রণা আর হয় নারে ভাই। চিৎকার করে আমার কী বলতে ইচ্ছে করছে জানো?’ তাঁর প্রশ্নের ধরনে আমরা বুঝলাম, তাঁর ধৈর্যের দেয়ালে চিড় ধরেছে। মুখে বললাম, বলে ফেলুন না! তিনি বলেন, ‘বলতে ইচ্ছে করে ‘আল ইন্তেজারু আশহাদু মিনাল মওতে’ (অপেক্ষা মৃত্যুর চাইতেও ভয়ংকর)।

৪. প্রশ্ন শুনে মানুষকে বোঝার চেষ্টা করছি অনেক দিন। সঠিক বুঝতে পারলে আনন্দ হয়। শেখাও হয়। প্রশ্নের উত্তর শুনেও অনেক কিছু শেখা যায়। প্রশ্ন দেখে কী শিখেছি, তা বলার আগে বলি, প্রশ্ন শুনে কী রকম কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিলাম।

প্রশ্ন করেছিল আমার ভাইজি নিশাত জেরিন শ্রুতি। অকালে তার প্রয়াণ ঘটেছে (২০২৩ সালের ২০ এপ্রিল)।

শ্রুতি যখন ক্লাস থ্রিতে পড়ে। সন্ধ্যায় এক টিউটর এসে তাকে পড়াতো। ঢাকা থেকে যখনই বাড়ি যেতাম সে কাকা কাকা করে সারাক্ষণ আমার কাছাকাছি থাকত। একবার বিকালে বাড়ি থেকে বেরুবো বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে। শ্রুতি বেরুবে কাকার সঙ্গে। জামাকাপড় পরে সে রেডি। ওদিকে টিউটর আসবে একটু পরেই। ওকে নিরুৎসাহিত করার জন্য বললাম, ‘গোফরানদের বাড়ির পাশে যে ঝোপ সেখানে বাঘ থাকে। ওই পথ দিয়ে যেতে তোমাকে দেখলে বাঘেতে খেয়ে ফেলবে।’

টেলিভিশনে শ্রুতি দেখেছে বাঘ কীভাবে হরিণ শিকার করে। তাই সে দমে গেল। কাকার সঙ্গে যাবে না। ঘরে ঢুকে জুতা খুলতে খুলতে শ্রুতি কী ভেবে দ্রুত এসে আমায় বলে, ‘তুমিও তো ওই পথে যাবে। বাঘ তোমাকে খাবে না? বাঘ তোমারে ডরায়?’

উত্তর শুনে শেখা : উত্তর শুনে শিখেছি, যে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া অসম্ভব সে প্রশ্নটির প্রশংসা করতে হয়। এরশাদীয় জমানার তথ্যমন্ত্রী ড. মিজানুর রহমান শেলী দৈনিক পত্রিকার বার্তা সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় করছিলেন। স্বৈরাচারী শাসনবিরোধী আন্দোলনকারীরা ময়মনসিংহে এক সরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলা করার পর দিন মতবিনিময়। সভায় মন্ত্রী পরামর্শ দেন, ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানবিষয়ক নেতিবাচক কোনো ‘সংবাদ এলে তার সত্যতা জেনে নেবেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসাররা সব সময় আপনাদের সেবায় প্রস্তুত।’

এক বার্তা সম্পাদক বলেন, মাননীয় তথ্যমন্ত্রী। আমরা লক্ষ্য করেছি, সরকারবিরোধী আন্দোলন দানা বাঁধতে শুরু করলে অফিসাররা আমাদের সেবা দেওয়ার জন্য চব্বিশ ঘণ্টা রেডি থাকেন। অন্য সময় আমরা চব্বিশ ঘণ্টা চেষ্টা করেও তাদের সঙ্গে কানেকটেড হতে পারি না। এমন হয় কেন?

জবাবে ড. শেলী বলেন, ‘ইটস আ নাইস কোশ্চেন।’ পরক্ষণেই বার্তা সম্পাদকদের মনোযোগ ঘোরানোর কৌশল নিলেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি তাঁর পেছনে দাঁড়ানো উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তাকে (ইনি পরে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা পদে উন্নীত হয়েছিলেন) বললেন, ‘কী হারুন সাহেব (হারুন অর রশিদ : মৃত্যু ৩ এপ্রিল ২০২১) চা-নাশতার কী করলেন। আমাদের খাওয়ান প্লিজ।’

লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৫৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা