শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৫২, সোমবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

রাধাচক্রের রাজনীতি! সর্বনাশা পরিণতি!

গোলাম মাওলা রনি
প্রিন্ট ভার্সন
রাধাচক্রের রাজনীতি! সর্বনাশা পরিণতি!

প্রথমে একজন অসহায় ব্যবসায়ীর গল্প বলি। ভদ্রলোকের বয়স ৭৩ বছর।  ব্যবসাবাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত আছেন ৫০ বছর ধরে। নারায়ণগঞ্জে বেশ বড়সড় একটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি চালাতেন। করোনার ধাক্কায় প্রায় ৩৫ কোটি টাকার লোকসানের কবলে পড়েন। তারপর সেই লোকসানকে কেন্দ্র করে শুরু হয় একের পর এক বিপদ-বালামুসিবত। প্রথমে কোম্পানির পরিচালকদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব। তারপর ব্যাংক-বিমা-ক্রেতা-দেনাদার-পাওনাদার সবাই মিলে এমন চাপ দেয় যা তার শরীর-মন-মস্তিষ্ক ধারণ করতে পারে না। হঠাৎ করে একদিন স্ট্রোক করে বসেন। দেশবিদেশে চিকিৎসা করে একটু সুস্থ হয়ে আবার ব্যবসার হাল ধরার চেষ্টা করেন। কারণ ব্যাংকের দায়দেনার একটা দফারফা না হলে তিনি এবং তাঁর ছেলেকে জেলে যেতে হবে, এই ভয়ে নিজের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ব্যাংকে বন্ধক দিয়ে  দুই বছর ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং তাঁর ব্যাংকে ঘুরতে গিয়ে তিনি আরেক দফা স্ট্রোকের কবলে পড়েন।

২০২৩ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দুর্নীতিবাজরা টাকা খেয়ে তাঁকে যে আশ্বাস দিয়েছিল এবং তাদের আশ্বাসে তিনি যেভাবে নিজের শেষ সম্বল ব্যাংকের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন, তা  ২০২৪ সালের পট পরিবর্তনের পর উল্টে যায়। নতুন যারা এসেছেন তাদের সঙ্গে সমঝোতা করতে গিয়ে তিনি আবার স্ট্রোকের কবলে পড়েন এবং একটু সুস্থ হয়ে আমার কাছে আসেন দেশের রাজনীতির খবরাখবর জানার জন্য।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভদ্রলোকের মুখের দিকে তাকিয়ে আমার কান্না আসছিল। স্ট্রোকের কারণে তাঁর পুরো মুখ বাঁকা হয়ে গেছে। তাঁর স্ত্রী অনেক আগেই মারা গেছেন। বড় ছেলে দেশের বাইরে থাকে। আর ছোট ছেলে ও ছেলের বউকে নিয়ে উত্তরাতে নিজের বাড়িতে থাকেন, যা কিনা ব্যাংকের কাছে বন্ধক দেওয়া। তাঁর ২৮ বছর বয়সি ছোট ছেলে ব্যবসাবাণিজ্য এখনো বুঝে উঠতে পারেননি। অথচ ভদ্রলোক মারা গেলে তাঁকেই দেনার দায়ে জেলে যেতে হবে কোম্পানির পরিচালক হিসেবে। এই চিন্তায় ভদ্রলোক একবার অসুস্থ হয়ে পড়েন আবার একই চিন্তায় সেই অসুস্থতা নিয়ে ব্যাংকের হাতে-পায়ে ধরার জন্য ছয় মাস ধরে ছোটাছুটি করছেন। সুতরাং তাঁর সেই দুরবস্থার মধ্যে হঠাৎ তিনি কেন রাজনীতির খবরাখবর জানতে আমার কাছে এলেন, তা ভেবে আমি ভারি আশ্চর্য হলাম।

ভদ্রলোক আমার মনের অবস্থা বুঝতে পারলেন। তিনি জানালেন যে তাঁর ভাগ্য এখন রাজনীতির ওপর ঝুলছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রথম দুই-তিন মাস সবাই তৎপরতা শুরু করেছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ব্যাংক-বিমা, সরকারি অফিস-আদালত কোনো কাজ করছে না। উল্টো বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নিত্যনতুন ঝামেলা সৃষ্টি করছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি জানালেন, তাঁর ব্যাংকিং সমস্যাটি হয়তো ২০২৪ সালের জুলাই মাসেই শেষ হয়ে যেত। আবার তিনি যখন আগস্ট বিপ্লবের পর নতুন করে খরচাপাতি শুরু করলেন তখন সবাই ধরে নিয়েছিল যে  বর্তমান সরকার দুই-তিন বছর থাকবে। কিন্তু ২০২৫ সালের বাস্তবতা হলো, দেশের রাজনীতির সব হিসাব উল্টে গেছে এবং যে যার অবস্থান থেকে যে ঢিলেমি অথবা ঝিমুনি শুরু করেছে, তাতে করে দেশের সর্বনাশ ঘটে চলেছে ক্রমবর্ধমান হারে।

ভদ্রলোকের কথা শুনে আমি সংবিৎ ফিরে পেলাম। আমার নিজের ব্যবসাবাণিজ্য এবং রাজনীতিতে যে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে এবং আমার নিজের অবস্থান থেকে নিজেকে যেভাবে অনিরাপদ অনিশ্চিত গন্তব্যের যাত্রা এবং অগুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে, তা আমার জীবনে অতীতকালে ঘটেনি। কেবল আমি এই দেশের বড় বড় শিল্পপতি, শীর্ষ রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী থেকে শুরু করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর যার সঙ্গেই গত কয়েক মাসে দেখা হয়েছে, সবারই একই প্রশ্ন- কী হতে যাচ্ছে? এসব কী হচ্ছে! কীভাবে বাঁচব! কী করব! আমাদের কী হবে ইত্যাদি।

কয়েক দিন আগে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গে একটি ঘরোয়া বৈঠক ছিল। সেখানে রাজনীতিবিদ-কাম দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা হঠাৎ করে বললেন, ‘আচ্ছা রনি ভাই, বলেন তো আমাদের কী হবে, আমি কৌতুক করে বললাম, আরেক দফা দৌড়ানি খাবেন- আবার পালাবেন। আমার কথা শুনে ভদ্রলোকের মুখ শুকিয়ে গেল। পাশে বসা এক শীর্ষ নেতা বলে ওঠেন, লিখে রাখেন ২০২৫ সালেই নির্বাচন হবে এবং হতে হবে। আমি পাল্টা প্রশ্ন করলাম ধরুন ২০২৫ সালের মধ্যে নির্বাচন হলো না, তখন কী হবে। এবার তার আত্মবিশ্বাস কর্পূরের মতো উবে গেল। তিনি বললেন, যদি ২০২৫ সালের মধ্যে নির্বাচন আদায় করতে না পারি, তবে আগামী কত বছর পর নির্বাচন হবে, তা বলা যাচ্ছে না।

আমাদের উল্লিখিত কথোপকথনের মধ্যে আরেক শীর্ষ নেতা বললেন, আর পারছি না। কিছু ভালো লাগছে না। মনের জোর হারিয়ে ফেলছি। বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মতো অন্যান্য দলের শীর্ষ নেতারাও ভীষণ অস্বস্তিতে রয়েছেন। এমনকি সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীতে যাঁরা আছেন, তাঁদের কাউকে আমি এক দিনের জন্য নির্ভার, আত্মবিশ্বাসী এবং খোশমেজাজে দেখিনি। বরং সাধারণ আমজনতার মধ্যে যে ভয়ভীতি, আতঙ্ক ও অসহায়ত্ব বিরাজ করছে তা বহু গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ক্ষমতার প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতিমুহূর্তে কম্পন সৃষ্টি করছে। ফলে ফেসবুকে কে কী লিখল- ইউটিউবে কে কী বলল, তা নিয়ে টেনশন করতে গিয়ে অনেকের মেদ-ভুঁড়ি কমে গিয়েছে। কারও কারও অস্ত্রের নিশানা ক্ষণে ক্ষণে উল্টে যাচ্ছে এবং দৈনিক হাজার হাজার গুজব তৈরি হয়ে প্রকৃত সত্যকে মাটিচাপা দিচ্ছে।

আজকের দিনের নির্মম বাস্তবতা হচ্ছে, আমরা প্রায় সবাই রাজনীতির ট্রেন মিস করেছি। দ্বিতীয়ত আমাদের রাজনীতির ট্রেন এখন ট্রেন লাইন ছেড়ে সমভূমিতে চলছে নাকি খালবিল-নদীনালায় চলছে তা বুঝতে পারছি না। ট্রেনের ড্রাইভার কে তা যেমন জানি না, তেমনি ড্রাইভার কী ট্রেন চালাতে পারে, তা-ও জানি না। আমাদের প্রকৃতি ও পরিবেশ এমন হয়ে পড়েছে যে আমরা কেউ কাউকে চিনতে পারছি না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ যে এতটা বদলাতে পারে, তা আমরা ইতোপূর্বে কখনো কল্পনাও করিনি। সময়ের বিবর্তনে স্বঘোষিত বীরেরা কাপুরুষের মতো থরথর করে কাঁপছে। আর যারা আগে কাঁপতে কাঁপতে পারকিনসন্স রোগীতে পরিণত হয়েছিল তারা কেউ কেউ বাঘ, কেউবা সিংহের মতো গর্জন শুরু করেছে এবং অনেকে বুনো মহিষ অথবা দাঁতাল শুয়োরের মতো ভয়ংকররূপে সমাজকে আফ্রিকার অরণ্য বানিয়ে ফেলার জন্য তাণ্ডব শুরু করেছে।

দেশ-কাল-সমাজে শব্দসন্ত্রাসের যন্ত্রণা অসহ্যকর হয়ে পড়েছে। যার জিহ্বা আছে সে-ই চেষ্টা করছে কথা বলার জন্য, আর কথা বলতে গিয়ে যে যেভাবে পারছে ইচ্ছামতো জলহস্তির মতো হাঁ করে প্রতিপক্ষকে ভয় দেখাচ্ছে। শিশুরা বুড়োদের জীবনজীবিকা, রাজনীতি-অর্থনীতি শেখাচ্ছে। আর বুড়োরা শিশুদের ভয়ে কম্পমান হয়ে একের পর এক ভীমরতি ঘটাচ্ছে। ফলে সর্বত্র দেখা দিয়েছে অরাজকতা। এখানে সন্ত্রাসীরা থানা আক্রমণ করছে। সন্ত্রাসীদের ভয়ে থানার ওসি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ছাত্ররা শিক্ষকদের ওপর মাতব্বরি করছে, ভিক্ষুকরা কাঙ্খিত ভিক্ষা না পেয়ে ভিক্ষাদাতার গাড়িতে সজোরে লাথি মারছে আর সন্তানদের ভয়ে অভিভাবকরা থরথর করে কাঁপছেন।

উল্লিখিত অবস্থায় দেশের রাজনীতি যে কত বড় রাধাচক্রের কবলে পড়ছে, তা অনুধাবন করার জন্য আপনাকে রাধাচক্রের আরোহী হিসেবে শৈশবের স্মৃতি স্মরণ করতে হবে। গ্রাম্য মেলায় গিয়ে শিশুটি যখন রাধাচক্রে ওঠার জন্য বায়না ধরে তখন যে আগ্রহ তাকে তাড়িত করে তা রাধাচক্রে ওঠার পর যেভাবে ভয় ও আতঙ্কের চিৎকারে পরিণত হয় তা ভুক্তভোগীর কাছে যতই যন্ত্রণাদায়ক হোক না কেন দর্শক-শ্রোতারা কিন্তু ব্যাপক বিনোদন পেয়ে থাকে। দ্বিতীয়ত রাধাচক্রের আরোহীরা যেমন ইচ্ছা করলেই মাঝপথে চক্রযান থামিয়ে নেমে যেতে পারে না- তদ্রুপ  দর্শকরাও আরোহীদের কান্নায় বিগলিত হয়ে কোনোকালে নিজেদের হাসি থামিয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করার চেষ্টা করেছে তার নজির কোথাও দেখা যায়নি। কাজেই বাংলাদেশের রাজনীতি এখন যেভাবে রাধাচক্রের কবলে পড়েছে, তা আমাদের অনেককে যেভাবে কাঁদাবে তদ্রুপ অনেককে ব্যাপকভাবে বিনোদিত করবে। আমরা আজকের আলোচনার শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। চলমান রাজনীতি আমাদের জাতিসত্তা, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, আত্মপরিচয়, সামাজিক বন্ধন, পারিবারিক সম্পর্ক এবং ব্যক্তির পরিচয়কে যেভাবে জটিল থেকে জটিলতর করে তুলছে তা নিশ্চিতভাবে পুরো দেশকে যে সর্বনাশা পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে, সেখান থেকে কবে যে ইতিবাচক ধারায় ফিরবে তা কেবল বিশ্বজাহানের মালিক আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই বলতে পারবেন।

 

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৫০ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা