শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৫

মানব জীবনে অমরতা

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
মানব জীবনে অমরতা

সুন্দর এ পৃথিবীতে আরও কিছুদিন বেঁচে থাকা প্রায় সব মানুষের কামনা। অনন্তকাল বাঁচার বাসনাও পোষণ করেন কেউ কেউ। ‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবার চাই’- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের মতো এমন ইচ্ছা পোষণ সহজ। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। বিজ্ঞান অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করলেও মানুষের মৃত্যুঞ্জয়ী হওয়ার পথ বের করতে পারেনি। তাই বলে বিজ্ঞানীরা যে সে চেষ্টা বিসর্জন দিয়েছেন, তা-ও নয়। মধ্যযুগের খ্রিস্টধর্মের মূলকথা ছিল, ‘মরিয়া অমর হও’। পুরোহিতদের বিশ্বাস ছিল, দেহের বিনাশ সাধন করে আত্মময় জীবনযাপনই মানুষের কর্তব্য হওয়া উচিত। তাদের বিশ্বাস ছিল, দেহ ও আত্মা পরস্পরবিরোধী। কাজেই দেহের ধ্বংসসাধন করেই আত্মাকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব। প্রবৃত্তির কবলমুক্ত জীবনকেই তারা কাক্সিক্ষত বলে মনে করতেন। ইসলামের সুফিবাদীরা ইহকালকে দুদিনের মুসাফিরখানা হিসেবে ভাবেন। তাদের মতে, পরকালই আসল জীবন। যে জীবনে রয়েছে অমরতা। ইহকালে পুণ্যের কাজ করলে পরজীবনে জান্নাতে ঠাঁই পাওয়া যায়। অর্জন করা যায় অমরতা। পাপীদের জীবনও অমরতায় ভরা। তবে তা যেমন ভীতিকর তেমন গ্লানিময়। যা কারও কাম্য হতে পারে না।

মানুষমাত্রই মরণশীল এ ধারণা এখনো সুপ্রতিষ্ঠিত। মানুষ দৈহিক মৃত্যুকে মেনে নিলেও সেটি নাকি শেষ কথা নয়। পৃথিবীর সব ধর্মে আত্মার অমরতার কথা বলা হয়েছে। মরণশীল মানুষের জন্য এ এক সান্ত্বনা। বলা হয়, মৃত্যুর মধ্য দিয়ে জড়দেহের পতন ঘটে। আত্মা দেহত্যাগ করলে আসে মৃত্যু। মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদিরা মৃত ব্যক্তির সৎকারে কবর দেওয়ার পদ্ধতি অনুসরণ করে। বলা হয়, কবর দেওয়ার পদ্ধতি মানুষ শিখেছে কাকের কাছ থেকে। এ তিনটি ধর্ম অনুসারে দুনিয়ার প্রথম মানবমানবী আদম-হাওয়া। তাদের পুত্র হাবিল ও কাবিল। প্রেমঘটিত ঈর্ষায় কাবিল হত্যা করেন হাবিলকে। ভাইয়ের মৃতদেহ নিয়ে তিনি মহা সমস্যায় পড়েন। এমন সময় দুটি কাকের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। সংঘর্ষে মারা যায় একটি। জীবিত কাকটি ঠোঁট দিয়ে মাটি খুঁড়ে তার সাথিকে মাটিচাপা দেয়। কাবিলও অনুসরণ করেন একই পদ্ধতি।

মুসলমান, খ্রিস্টান, ইহুদিরা মৃত ব্যক্তিকে কবর দেন বিশেষ সম্মানের সঙ্গে। মৃত ব্যক্তিকে সসম্মানে কবর দেওয়ার পদ্ধতি চালু ছিল প্রাচীন মিসরেও। ফেরাউন বা রাজ পরিবারেরBP সদস্যদের কবর দেওয়ার পদ্ধতি ছিল অন্যরকম। মিসরের শাসক ফেরাউন বা ফারাওরা নিজেদের দেবতা বলে দাবি করতেন। মিসরীয়দের বিশ্বাস ছিল, দেবতারা অবিনশ্বর। মৃত্যুর দ্বারা লোকান্তরিত হলেও তা শুধু এ জগৎ থেকে পরজগতে যাওয়া। পরজগতে ফারাওদের প্রভাব-প্রতিপত্তি নিশ্চিত করতে তাদের লাশ দাফনকে কেন্দ্র করে চলত হরেক আনুষ্ঠানিকতা। লাশে যাতে পচন না ধরে সে জন্য রাসায়নিক পদ্ধতি প্রয়োগ করে বানানো হতো মমি। যে মমি রাখা হতো পিরামিডের ভিতর।

পিরামিড তৈরি হতো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে। মিসরীয়রা রাজা বা রাজপরিবারের সদস্যদের লাশ মমি করে তাদের দেহের অমরত্ব নিশ্চিত করত। পরজীবনে তাদের সেবার জন্য শত শত দাসদাসীকে হত্যা করে একই সঙ্গে কবর দিত। জৈবিক প্রয়োজন মেটাতে দেওয়া হতো সুন্দরী নারী। হতভাগীদের হত্যা করে তাদের লাশ দাফন করা হতো। কবরে দেওয়া হতো খাদ্যদ্রব্য, কাপড়চোপড়, মণিমুক্তা, ধনসম্পদ। এমনকি অস্ত্রশস্ত্র। ১৯৯৭ সালে চীনে আবিষ্কৃত একটি প্রাচীন কবরস্থান প্রমাণ করেছে মৃত্যু-পরবর্তী জীবন সম্পর্কে প্রাচীনকালের মিসরীয় বিশ্বাসের সঙ্গে চীনাদের ধ্যানধারণার মিল ছিল। মিসরীয়দের মতো চীনারাও বিশ্বাস করত কবর দেওয়ার পর দেহ ছেড়ে যাওয়া আত্মারা যদি ফিরে আসে, তখন জীবিত লোকদের মতো মরদেহেরও ভোগবিলাসের চাহিদা থাকবে। চীনের হুনান প্রদেশে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ বছর আগের একটি কবরস্থান আবিষ্কৃত হয়েছে। যেখানে অন্তত ১ হাজার কবর ছিল। এর প্রতিটি কবরে অস্ত্র, গহনাসহ অন্যান্য জিনিসপত্রও পাওয়া গেছে।

মানুষ মৃত্যুর পর জাগতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে চলে যায়। মৃতের প্রতি সম্মান দেখানো ইসলামে অলঙ্ঘনীয় প্রথা। কিন্তু কখনো কখনো এ নিয়মেরও ব্যতিক্রম ঘটে। শিয়ারা হজ পালনকালে একসময় খলিফা হজরত ওমর (রা.) ও হজরত ওসমান (রা.) প্রমুখের কবরের ওপর আবর্জনা ফেলার চেষ্টা করত। তাদের দৃষ্টিতে এটি নাকি মহাপুণ্যের কাজ। উগ্রবাদী সুন্নিরা এখনো হজরত আলী (রা.)-এর মাজারে হামলা চালানোকে পুণ্যের কাজ মনে করে। ধর্ম যখন ধর্মান্ধতার কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে তখন এমন অনাচারেরই চর্চা হয়। মমি করার পদ্ধতি চালু হয় আড়াই থেকে ৫ হাজার বছর আগে। মিসরীয়দের মমিপ্রথা এখনো কালের সাক্ষী। লাতিন আমেরিকার ইনকা সভ্যতায়ও লাশ মমি করে রাখার রেওয়াজ ছিল। আধুনিক এ যুগেও লাশ মমি করে রাখার ঘটনা খুব একটা কম নয়। রাশিয়ার অক্টোবর বিপ্লবের নায়ক ভøাদিমির ইলিচ লেনিন। লেনিন মারা যান ১৯২৪ সালে। তাঁর লাশ মস্কোর রেড স্কয়ারে কাচের এক বাক্সে মমি করে রাখা হয়। লাশ রাখা হয় এমনভাবে যা দেখলে মনে হবে হয়তো এই মাত্র লেনিন ঘুমিয়ে পড়েছেন। ঘুমিয়ে আছেন কোট-প্যান্ট পরা অবস্থায়। সোভিয়েত আমলে রেড স্কয়ারের লেনিন মিউজিয়াম ছিল প্রকৃত অর্থে কমিউনিস্টদের এক তীর্থকেন্দ্র। প্রতিদিন দেশবিদেশের হাজার হাজার লোক লেনিনের লাশ দর্শন করত। রাশিয়ায় কমিউনিজমের পতনের পরও লেনিন মিউজিয়াম দেখতে আসা লোকের সংখ্যা খুব একটা কমেনি। লেনিন ছিলেন মননে-মগজে নিরীশ্বরবাদী। সোভিয়েত ইউনিয়ন টিকে থাকা অবস্থায় সমাধিস্থলে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানো হতো সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা হিসেবে। তবে এখন পারলৌকিকতায় বিশ্বাসী অনেকেই সমাধিস্থলে গিয়ে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা করেন। চীনা নেতা মাও সে তুংয়ের লাশও রাখা হয়েছে মমি করে। চীন মাওয়ের কট্টর সমাজতন্ত্রী পথ থেকে সরে এলেও তাঁর প্রতি তাদের শ্রদ্ধাবোধের অবসান ঘটেনি। যে কারণে প্রতিদিনই মাও সে তুংয়ের মমি দেখতে হাজারও লোকের ভিড় জমে।

বিশ্বের এ যাবৎকালের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ বীর হিসেবে ধরা হয় চেঙ্গিস খানকে। ১২১৭ সালে ৬৫ বছর বয়সে প্রাণ হারান এ মোঙ্গল বীর। প্রতিপক্ষের হাতে চেঙ্গিসের সমাধির অবমাননা হতে পারে এ ভয়ে তাঁকে কবর দেওয়া হয় গোপনীয়ভাবে। তাঁর লাশের সঙ্গে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র, রাষ্ট্রীয় দলিলের পাণ্ডুলিপি, বিভিন্ন শিল্পকর্ম ও সোনার তৈরি জিনিসপত্রও কবর দেওয়া হয়। বলা হয়, চেঙ্গিস খানের সঙ্গে ৪০ জন সুন্দরী রমণী এবং তাঁর পছন্দের ঘোড়াগুলো কবর দেওয়া হয়। পশ্চিম চীনের জিজিয়া প্রদেশ অবরোধের সময় তিনি ঘোড়ার পিঠে থাকা অবস্থায় মারা যান। গোপনীয়তার জন্য তাঁর লাশের শেষকৃত্য শোভাযাত্রার সামনে যাকে পাওয়া গেছে তাকেই হত্যা করা হয়। তবে চেঙ্গিসের এক উত্তরাধিকারী মোঙ্গল শাসক মংকের রেকর্ড আরও জাঁকালো; যার শবযাত্রায় ২০ হাজার লোককে প্রাণ হারাতে হয়। মোঙ্গলদের বিশ্বাস ছিল, এসব লোক এবং জ্যান্ত কবর দেওয়া প্রাণীগুলো পরজীবনে সম্রাটের সেবা করবে। চেঙ্গিস খানের সমাধি আবিষ্কারের চেষ্টা কম হয়নি। এ প্রচেষ্টায় এ যাবৎ শত শত কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ব্যবহৃত হয়েছে বিমান, হেলিকপ্টারসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি। প্রত্নতাত্ত্বিকরা এ জন্য যে কসরত করেছেন তার তুলনা নেই। মজার ব্যাপার হলো, মোঙ্গলরা চেঙ্গিস খানের সমাধিস্থল আবিষ্কারের চেষ্টা কখনো ভালো চোখে দেখেনি। এ ব্যাপারে তাদের কাছ থেকে বিদেশিরা কার্যত কোনো সহযোগিতা পায়নি। মোঙ্গলদের বিশ্বাস, চেঙ্গিসের সমাধিস্থল আবিষ্কৃত হলে তাদের ওপর মহাদুর্যোগ নেমে আসবে। তাদের আস্থা, যত চেষ্টা চলুক কারও পক্ষে গ্রেট খানের সমাধি আবিষ্কার করা সম্ভব হবে না। মিসরীয়দেরও বিশ্বাস ছিল ফেরাউনদের কবর বা মমি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি একটি অভিশপ্ত কাজ। ফারাওয়ের অভিশাপে অনেক আবিষ্কারক জীবন হারিয়েছেন, এমন কুসংস্কারও রয়েছে।

পারলৌকিকতায় যাদের আস্থা নেই, তারা মৃত্যুর পর লাশ সৎকারের গরজ অনুভব করেন না। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় কমিউনিস্ট নেতা কমরেড জ্যোতি বসু ছিলেন তাঁদেরই একজন। তিনি মৃত্যুর আগে উইল করে যান তাঁর লাশ যেন গবেষণার কাজে চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের দান করা হয়। জ্যোতি বসু নাস্তিকতায় বিশ্বাসী হলেও তাঁর ব্যবসায়ী পুত্রের আস্থা আস্তিকতায়। তবে বাবার ইচ্ছাকে মূল্য দিতে তাঁর লাশ হাসপাতালে দান করেন। বাংলাদেশের কোনো কোনো ইহলৌকিকবাদীও মৃত্যুর পর তাঁদের লাশ হাসপাতালে দান করার নজির রেখেছেন। তাঁদেরই একজন ড. আহমদ শরীফ। গবেষক হিসেবে যার তুলনা তিনি নিজেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অধ্যাপক সারা জীবন প্রাচীন পুথিসাহিত্য নিয়ে গবেষণা করেছেন। অন্ধকার থেকে পাদপ্রদীপের নিচে এনেছেন মধ্যযুগের মহামূল্যবান মুসলিম সাহিত্য। ড. আহমদ শরীফ মৃত্যুর পর তাঁর লাশ চিকিৎসকদের গবেষণার জন্য দান করার সিদ্ধান্ত নেন। মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি ঘনিষ্ঠজনদের মজা করে বলতেন, ধর্মান্ধদের ভয়ে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁর ভয়, মৃত্যুর পর গবেষণাধর্মী লেখা পড়ে মোল্লারা হয়তো তাঁকে বড় কোনো পীর ভেবে বসবেন। হয়তো তাঁর কবরকে ওরা মাজার বানিয়ে ব্যবসাও ফাঁদবেন। সে দুর্গতি থেকে রেহাই পেতেই মৃত্যুর পর লাশ যাতে দাফন করা না হয় সেই উইল নাকি করে যান।

হিন্দুধর্মে লাশ সৎকারে দাহ করা হয়। বৌদ্ধ ও শিখদের মধ্যেও চালু রয়েছে অভিন্ন রীতি। পারসিকদের লাশের সৎকারে রয়েছে বিচিত্র নিয়ম। উঁচু টাওয়ার অথবা পাহাড়ের ওপর তারা রেখে দেয় মৃতদেহ। শেষ পর্যন্ত তা শকুনের খাদ্যে পরিণত হয়।  মৃতদেহ সৎকারে কবর দেওয়া, শ্মশানে নিয়ে পোড়ানো কিংবা টাওয়ারে রেখে শকুন দিয়ে খাওয়ানো যে পদ্ধতিই অবলম্বন করা হোক, আসল উদ্দেশ্য একটাই। জীবিতের দৃষ্টি থেকে মৃতকে আড়াল করা।

আমরা কেউ মরতে চাই না। তবু মৃত্যু এক অনিবার্য সত্য। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মানবদেহ বিলীন হয়। ধর্মীয় বিশ্বাসমতে, দেহ বিলীন হলেও আত্মার মৃত্যু হয় না। মানুষের মানবিক অবদানেরও রয়েছে অবিনশ্বর সত্তা। জীবদ্দশায় যারা মানুষের কল্যাণে নিজেদের উৎসর্গ করেন, তারা লাভ করেন অমরতা। মৃত্যুর পরও তাদের উপস্থিতি অনুভব করে প্রতিটি মানুষ। মানবজীবনের অমরতা সেখানেই।           

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা