শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

ভারতীয় ভিসা এবং ধান খেত দিয়ে সীমান্ত পার

শিমুল মাহমুদ
প্রিন্ট ভার্সন
ভারতীয় ভিসা এবং ধান খেত দিয়ে সীমান্ত পার

কেন এই পাসপোর্ট পাসপোর্ট, কাঁটাতার কাঁটাতার খেলা/পৃথিবী আমার আমি হেঁটে যাব। কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ কোন বর্ডারে আটকে গিয়ে এই কবিতা লিখেছিলেন জানা নেই। তবে বিদেশ ভ্রমণে গিয়ে একবারই আমাকে সীমান্তে আটকে যেতে হয়েছিল। একমাত্র সন্তান পঞ্চম শ্রেণির শিশুপুত্র মুশফিক মাহমুদকে দার্জিলিংয়ে পড়তে পাঠিয়ে বুকের ভিতর হাহাকার চলছিল। তখন ভারতের ভিসা পাওয়া ছিল বেশ কঠিন। বর্ডারের লোকজন বলেছিল, ভিসা না পাইলে শুধু পাসপোর্ট নিয়ে চইলা আসবেন। পার করে দেব। খরচ একটু বেশি হবে। এক ঈদে তো ভিসা ছাড়াই দার্জিলিং রওনা দিয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত অবশ্য যাওয়া হয়নি।

২০১৮ সালের আগস্টে ভুটান যাওয়ার পথে ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা বর্ডারে গিয়ে পাওয়া গেল মনোজ কুমার কানুকে। তিনি শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীদের পাসপোর্ট পরিষেবার কাজ করেন অনেক বছর ধরে। ইদানীং একটি মানি এক্সচেঞ্জের এজেন্সিও দিয়েছেন। ২০১৩ সালের নভেম্বরে এক শীতের রাতে বর্ডার পার করে দিয়েছিলেন ধান খেত দিয়ে। সেই দিনের ঘটনা মনে করিয়ে দিয়ে জড়িয়ে ধরলাম। একসঙ্গে ছবিও তুললাম। সন্তানকে দার্জিলিংয়ের স্কুলে পড়তে পাঠানোর কারণে বছরে কয়েকবার সেখানে যেতে হতো। সেদিন বর্ডার ক্লোজ করার এক ঘণ্টা পর মনোজের সহায়তায় দেশে ফিরতে পেরেছিলাম। মনোজ বললেন, ভুলেই গেছিলাম, আসলেই সেটি ছিল বড় ঘটনা।

২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর। ছেলেকে স্কুলে রেখে ফিরে আসব। ফেরার সময় মনে হলো, হাতে অনেক সময়। ভাবলাম, একটু রয়েসয়ে যাই। দুপুরের বেশ আগেই দার্জিলিং থেকে জিপে উঠলাম। শিলিগুড়ি পৌঁছার সাত-আট কিলোমিটার আগে জিপের চাকা পাংচার হয়ে গেল। সেটি ঠিক করে আবার জিপ চালু হতে এক ঘণ্টা লেগে যায়। শিলিগুড়িতে জিপ থেকে নেমে ভাবলাম, এই পথে কখনো বাসে চড়া হয়নি। বাসে করে ফিরব চ্যাংড়াবান্ধা। চারপাশ দেখতে দেখতে যাওয়া যাবে। সে রকম ভাবনা থেকেই বাসে উঠলাম।

চলছি তো চলছি। সময় যেন আর ফুরায় না। বর্ডার ক্লোজ হয়ে যায় সন্ধ্যা ৬টায়। শীতের বিকাল। সাড়ে ৫টার দিকেই অন্ধকার ঘনিয়ে আসে। এ সময় যাত্রীও কমে আসে। ৪টার পর থেকে আমার টেনশন বাড়তে থাকে। বাসের সহযাত্রীদের জিজ্ঞেস করি, ভাই, ময়নাগুড়ি কত দূর? এদিকে মনোজকেও ফোন দিচ্ছি বারবার। তাকে আশ্বস্ত করছি, আমি আসছি। বর্ডার পেরোতেই হবে। যখন বাস থেকে নামি তখন সন্ধ্যা সোয়া ৬টা। তীরে এসে তরি ডুবল মনে ভারতীয় ভিসা এবং ধান খেত দিয়ে সীমান্ত পারহলো। সেদিনের জন্য বাংলাদেশে ঢোকার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছি। কিন্তু থাকব কোথায়? মনোজ ফোনে বললেন, দাদা, আমি ইমিগ্রেশনের স্যারদের বসিয়ে রেখেছি। আসেন, দেখি কিছু করা যায় কিনা। মন আমার বুড়িমারীর ওপারে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে পড়ে আছে। আমি ভারতের চ্যাংড়াবান্ধায়। ঠিক সাড়ে ৬টায় চেকপোস্টে পৌঁছলাম। মনোজ বললেন, দ্রুত পাসপোর্ট দেন। তিনি পাসপোর্টসহ আমাকে নিয়ে ইমিগ্রেশনের রুমে গেলেন। ইমিগ্রেশন অফিসার পাসপোর্টে সিল মারবেন। হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন। সিল হাতে নিয়েই বললেন, আমি সিল দিয়ে দিলে কিন্তু আপনাকে ওপাড়ে চলে যেতেই হবে। এপাড়ে আপনি অবৈধ হয়ে যাবেন। আমার মনে তখন ভয় ধরে গেল। পাসপোর্টে ডিপারচার সিল মারলে আমি এপাড়ে কোথাও থাকতে পারব না। শুনেছি, বর্ডারে সরকারের অনেক এজেন্সি কাজ করে। এক গ্রুপের সঙ্গে অন্য গ্রুপের সাধারণত সদ্ভাব থাকে না। সুযোগ পেলেই একে অন্যকে ফাঁসাতে চায়। সিল দিয়ে অবৈধ হয়ে গেলে ধরা পড়ে জেলেও যেতে হতে পারে। ইমিগ্রেশন অফিসার বললেন, আমরা ছেড়ে দেব। বিএসএফ (বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স) ছাড়বে কি না, জেনে আসুন। ততক্ষণে পৌনে ৭টা বেজে গেছে। বিএসএফ তাদের ডিউটি ক্লোজ করে পথে ব্যারিকেড দিয়ে চলে গেছে। মনোজ আমাকে অদূরে বিএসএফ কমান্ডারের কাছে নিয়ে গেলেন। তিনি দেরি হওয়ার কারণ জানতে চাইলেন। পেশা জানতে চাইলেন। বললাম, সাংবাদিক। পুত্রকে দার্জিলিং রেখে আসতে গিয়েছিলাম। তিনি স্কুলের নাম জানতে চাইলেন। সব শুনে তার যেন দয়া হলো। হিন্দিতে মনোজকে বললেন, ইমিগ্রেশনের লোকজন আছে? হ্যাঁ-সূচক জবাব পেয়ে বললেন, রাস্তায় তো ব্যারিকেড। ইমিগ্রেশন ছাড়লে ধান খেত দিয়ে পার করে দাও। বিএসএফ কমান্ডারের সম্মতি পেয়ে দৌড়ে ইমিগ্রেশনে গেলাম। তারা সিল মেরে দিল। অবশ্য কাস্টমসের লোকজন সন্ধ্যা ৬টার পরপরই চলে গেছেন। মনোজ বললেন, দাদা, ধান খেত দিয়ে পার হয়ে চলে যান। রাস্তা দেখিয়ে দিলেন। উত্তেজনায় আমার কথা বেরোচ্ছে না। মনোজকে টাকা দিতে চাইলাম। মনে হলো, তিনি যা চাইবেন তাই দেব। মনোজ বললেন, টাকা লাগবে না দাদা। আপনাকে পাঠাতে পারছি, এতেই খুশি।

কুয়াশা ভেজা ধান খেত পেরিয়ে যখন এপাড়ে আসব, হঠাৎ মনে পড়ল, ধান খেত দিয়ে রাতের বেলা সীমান্ত পার হচ্ছি, যদি বিএসএফ গুলি করে দেয়। এ ভাবনাতেই যেন শিরদাঁড়া বেয়ে ঘাম ঝরে গেল। শীতের রাতেও অজানা ভয়ে আমি ঘামতে শুরু করলাম। দ্রুত পায়ে ধান খেত পেরিয়ে এপাড়ে এলাম। তখন ৭টা পেরিয়ে গেছে। সূর্য ডোবার পর প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা। বুকভরে নিঃশ্বাস নিলাম, বাংলাদেশের মুক্ত বাতাসে। এপাড়ে বুড়িমারীতে ঢাকায় ফেরার শেষ বাসটিও যেন শুধু আমার জন্য অপেক্ষা করছিল। এই অভিজ্ঞতা গত এক দশকেও স্মৃতিতে অমøান। বাকি জীবনেও ভোলার নয়। যে ছেলেকে দার্জিলিংয়ের স্কুলে রেখে আসতে গিয়ে এত বিপত্তি, সে এখন জার্মানির এক বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।

২. বলা হয়ে থাকে, ভারত ঘুরে দেখলে সারা বিশ্ব দেখা হয়ে যায়। ভারত ছিল আমাদের বাড়ির কাছের বিদেশ। আমাদের বিদেশযাত্রার প্রথম পছন্দ। ছিল বলছি এই কারণে যে সেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা চলছে এখন। আস্থার সংকটে দুই দেশের সম্পর্ক এখন তলানিতে। ঢাকা থেকে ভারতীয় ভিসা দেওয়া প্রায় বন্ধ। এতে ভারতেরই বেশি ক্ষতি মনে করা হচ্ছে। তাদের পর্যটন ও চিকিৎসা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কলকাতার শত শত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশি ক্রেতার অভাবে ধুঁকছে। দিল্লি, কলকাতা, মুম্বাই, চেন্নাই, ভেলরের হাসপাতালগুলো বাংলাদেশের রোগী পাচ্ছে না। তবে বাংলাদেশের লোকজন তো বসে নেই। তারা ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর যাচ্ছে বেড়াতে, ডাক্তার দেখাতে। চিকিৎসা নিতে। খরচ একটু বেড়ে গেলেও ভারতমুখিতা বন্ধ হয়েছে। পর্যটন ভিসা বন্ধ হলেও দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য তো বন্ধ নেই। ভারত থেকে নিত্যপণ্য আসছে বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে। বাংলাদেশ থেকেও যাচ্ছে নির্দিষ্ট কিছু পণ্য। বাংলাদেশের জন্য ভারত এবং ভারতের জন্য বাংলাদেশ অনেক বড় বাজার। কিন্তু বাংলাদেশ সারা বিশ্বে অসংখ্য পণ্য রপ্তানি করলেও ভারতের বাজারে সুবিধা পায়নি অশুল্ক বাধার কারণে। ফলে বাংলাদেশ থেকে ভারত যে সুবিধা পাচ্ছে সে তুলনায় বাংলাদেশের প্রাপ্ত সুবিধা অনুল্লেখ্য। শেখ হাসিনার সরকারের শেষ ১০ বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ছিল সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ। এই সময়ে ভারত তাদের স্বার্থের অনুকূলে অনেক সুবিধা নিয়ে গেছে।

ছোট প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি ভারতের আচরণ কখনোই ইতিবাচক ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের সহায়তাকারী হিসেবে ভারত বাংলাদেশের আনুগত্য প্রত্যাশা করে। কিন্তু একতরফা সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের প্রতি তাদের সীমাহীন বৈরিতার প্রকাশ। বারবার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সীমান্তে কখনো প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করবে না ভারত। কিন্তু তারা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না। সীমান্তের বিভিন্ন অংশে প্রতি বছর অসংখ্য বাংলাদেশি খুন হন ভারতীয় রাষ্ট্রীয় বাহিনীর গুলিতে। বাংলাদেশে ভারতবিদ্বেষী মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ তাদের আচরণ। সর্বশেষ নিজেদের ৯৫ জেলেকে মুক্ত করতে তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অনেক ভিতরে ঢুকে আমাদের ৭৮ জেলেকে ধরে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে বন্দি ছিলেন আরও ১২ জেলে। সম্প্রতি ভারতের ৯৫ জেলের বিনিময়ে বাংলাদেশের ৯০ জেলেকে মুক্তি দেয় ভারত।

একটা সময় ছিল ভারতের গরু ছাড়া কোরবানি হতো না বাংলাদেশে। সেই নির্ভরতা কাটিয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। ১৮ কোটি মানুষের এই দেশ চাইলে অনেক কিছুই করতে পারে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক অনেক সূচকে বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে এগিয়ে আছে। ভারতকে তার কট্টর হিন্দুত্ববাদ, চরম সাম্প্রদায়িকতা, সামাজিক বৈষম্য ও জাতপাত ভেদাভেদ নিয়ে এগোতে হয়। বাংলাদেশের সে রকম কোনো সমস্যা নেই। এ দেশে সব ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায়ের মানুষ মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করে। আমাদের নেতৃত্ব যদি ঠিক হয়, তাহলে পরবর্তী ২০ বছরে ভারতকে অনেক পেছনে ফেলে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। তখন হয়তো সীমান্তের চিত্রটা আরও ভিন্নতর হবে। সীমান্তে হয়তো আমাদেরই কাঁটাতারের বেষ্টনী দিয়ে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হবে। বাংলাদেশ তো আর ভুটান, মালদ্বীপ নয়। নেপালও নয়। রক্ত দিয়ে মাতৃভাষা অর্জনের দেশ বাংলাদেশ। যুদ্ধ করে হানাদার হটিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখার চিন্তা করাই বোকামি। প্রিয় প্রতিবেশী ভারতকে সেই বাস্তবতা বুঝতে হবে।

লেখক : সাংবাদিক

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা