শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৮ জানুয়ারি, ২০২৫

ইয়াজিদের বানর ও জেনারেল মইনের ঘোড়া

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
ইয়াজিদের বানর ও জেনারেল মইনের ঘোড়া

উমাইয়া খলিফা ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়াকে নৃশংসতার প্রতীক বলে ভাবা হয়। হজরত ইমাম হোসাইন (রা.)-সহ নবী (সা.) বংশের হত্যাকাণ্ডে তাঁর শাসনামল ব্যাপকভাবে সমালোচিত। কাবাঘরে আগুন লাগানো ও মদিনায় লুটপাট চালানোর ঘটনা উমাইয়া হুকুমতের একটি কলঙ্কিত অধ্যায়। বলা হয়ে থাকে, নৃশংসতার মনোভাব ইয়াজিদ পেয়েছেন উত্তরাধিকার সূত্রে। ওহুদের যুদ্ধে শহীদ হন রসুল (সা.)-এর চাচা মহাবীর হামজা (রা.)। তাঁর বুক চিরে কলিজা চাবিয়ে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করেন যে হিন্দা, তিনি ইয়াজিদের দাদি। এই উমাইয়া শাসকের পোষা বানরের নাম ছিল আবু ক্বাইস। রাজধানী দামেস্কের দরবারে সিংহাসনের পাশে ছিল বানরের আসন। উমাইয়া আমির-উমরাহ ও দর্শনার্থীদের ইয়াজিদের পাশাপাশি তাঁর পোষা বানরকেও কুর্নিশ করতে হতো। বানরটি মারা গেলে তাকে দাফন করা হয় কাফন পরিয়ে। খলিফার নির্দেশে সিরিয়াবাসীকে শোক পালনে বাধ্য করা হয়। জানামতে, প্রায় ১৪০০ বছর আগে কোনো প্রাণীকে জাতীয় পশু হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার রেওয়াজ ছিল না। থাকলে হয়তো বানর উমাইয়া হুকুমতের জাতীয় পশুর স্বীকৃতি পেত।

বাংলাদেশের জাতীয় পশু বাঘ। যে সে বাঘ নয় রয়েল বেঙ্গল টাইগার। বলা হয়, বাঘের মাসি বিড়াল। সারা দুনিয়ায় বিড়ালপ্রেমী মানুষের সংখ্যা কম নয়। জানামতে, বিড়াল কোনো দেশের জাতীয় পশুর স্বীকৃতি পায়নি। দক্ষিণ এশিয়ায় জনসংখ্যা ও আয়তনে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ পাকিস্তান। পাকিস্তানের জাতীয় পশু ছাগল। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বিচরণভূমি বাংলাদেশও একসময় ছিল পাকিস্তানের অংশ। ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে ঠাঁই পায়। মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি দখলদারদের বিরুদ্ধে বাঙালিরা জিতেছে বাঘের মতো শৌর্যবীর্য দেখিয়ে! আমাদের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ভারত জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ। সে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ সনাতন ধর্মের অনুসারী। যাদের গো-প্রেমের কোনো তুলনা নেই। তারপরও গরু ভারতের জাতীয় পশুর স্বীকৃতি পায়নি। যে স্বীকৃতি দিয়েছে পাশের দেশ নেপাল। জাতীয় পশু হওয়া সত্ত্বেও নেপালে গো-রক্ষার নামে মানুষ হত্যা কেউ কখনো করেনি। ধর্মের নামে ভারতে সেটি অহরহই ঘটে। অথচ সনাতনী ধর্মগ্রন্থ বেদ-এ বিভিন্ন যজ্ঞে গো-বলীর তথ্য রয়েছে।

দুনিয়ায় কুকুরপ্রেমী লোকের সংখ্যা অগুনতি। তবে একমাত্র মেক্সিকোয় কুকুর জাতীয় পশুর স্বীকৃতি পেয়েছে। সে দেশের প্রাচীন সভ্যতার সঙ্গে রয়েছে এ প্রাণীটির সম্পর্ক। গ্রিনল্যান্ডে যাতায়াতের জনপ্রিয় মাধ্যম সেøজ গাড়ি। বরফের ওপর দিয়ে যে গাড়ি টেনে নিয়ে যায় পোষা কুকুরের দল। বিশ্বনেতাদের মধ্যে একমাত্র কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সেøজ গাড়িতে চড়েছেন। ২০২৪ সালের ২০ জানুয়ারি জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির এক প্রচার অভিযানে। জাস্টিন ট্রুডোর বাবা পিয়েরে ট্রুডোও ছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু। ১৯৮৩ সালে বাবার সফরসঙ্গী হয়ে জাস্টিন ১২ বছর বয়সে বাংলাদেশ সফর করেন। এ লেখা যখন লিখছি তখন খবর পেলাম জাস্টিন ট্রুডো প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ইসলামে কুকুর নাপাক জীব হিসেবে বিবেচিত। তবে নিরাপত্তার কাজে কুকুর পোষা নিষিদ্ধ নয়। ইসরায়েলের সঙ্গে ইউরোপ-আমেরিকার হরিহর আত্মার সম্পর্ক সবার জানা। তবে কুকুর নামের প্রাণীটির ক্ষেত্রে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি একেবারে বিপরীত। ইহুদিরা ধর্মীয়ভাবে কুকুরবিদ্বেষী। খ্রিস্টানদের মধ্যে তা একেবারেই অনুপস্থিত। ইসরায়েলের ধর্মীয় আদালতে কুকুরকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার একাধিক নজির রয়েছে। ইসরায়েলের বাইরে একমাত্র তানজেনিয়ায় একবার এক কুকুরকে আদালতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপারের শখ ছিল বিড়াল পোষা। ২০১১ সালে তাঁর সরকারি বাসভবনে নতুন অতিথি হিসেবে যোগ দেয় একটি বিড়াল। হারপার ফেসবুকে তাঁর নতুন বিড়ালের জন্য একটি পছন্দনীয় নাম চান দেশবাসীর কাছে। তাঁর আহ্বানে বেশ সাড়াও পড়ে। অনেকেই প্রধানমন্ত্রীর বিড়ালের জন্য নাম পাঠান। সেসব নামের একটি হলো মেজরিটি। হারপারের রক্ষণশীল দল নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসার সুযোগ পেয়েছিল। সে অভাবনীয় সাফল্যকে স্মরণ করে এক কানাডীয় বিড়ালটির নাম মেজরিটি রাখার প্রস্তাব করেন।

পাকিস্তানের জাতীয় পশু ছাগল। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বিচরণভূমি বাংলাদেশও একসময় ছিল পাকিস্তানের অংশ। ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে ঠাঁই পায়। মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি দখলদারদের বিরুদ্ধে বাঙালিরা জিতেছে বাঘের মতো শৌর্যবীর্য দেখিয়ে

ইয়াজিদের বানর ও জেনারেল মইনের ঘোড়াবাংলাদেশের একসময়ের দাপুটে মন্ত্রী প্রয়াত মতিয়া চৌধুরী পরিচিত ছিলেন বিড়ালপ্রেমী হিসেবে। নিঃসন্তান এই রাজনৈতিক নেত্রী শতব্যস্ততার মধ্যেও পোষা বিড়ালের যত্ন নিতে ভুলতেন না। এমনকি বাইরে কোথাও বিড়াল নামের নিরীহ প্রাণী দেখলে তাঁর স্নেহাতুর মনোভাব উথলে উঠত। বিষয়টি কখনো কখনো পত্রপত্রিকায় খবর হিসেবেও ছাপা হয়েছে। মার্কিন ও ব্রিটিশ নেতাদের প্রায় সবাই কুকুরপ্রেমী হিসেবে পরিচিত। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামা তাঁর দুই কন্যাকে নিয়ে পোষা কুকুরের সঙ্গে খেলা করছেন এমন চিত্রও দেশবিদেশের পত্রপত্রিকায় ছাপা হয়েছে। সে দেশের আরেক সাবেক প্রেসিডেন্ট সিনিয়র বুশও ছিলেন কুকুরপ্রেমী। ১৯৯২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ক্লিনটনের কাছে হেরে যান। নির্বাচনি প্রচারণায় আত্মগর্বী বুশ বলেছিলেন, ক্লিনটনের চেয়ে তাঁর পোষা কুকুরও পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে বেশি অভিজ্ঞ। ভাসানী ন্যাপ নেতা মসিয়ুর রহমান যাদু মিয়ার পুত্র সাবেক মন্ত্রী শফিকুল গাণি স্বপনের শখ ছিল কুকুর পোষা। আশির দশকে তিনি তাঁর শারমেয়র পেছনে মাসে ১০ হাজার টাকারও বেশি ব্যয় করতেন। তাঁর এক ঘনিষ্ঠজনের কাছ থেকে শোনা গল্প। স্বপন সাহেব একবার গিয়েছেন গ্রামের বাড়িতে। কুকুরের পেছনে তাঁর এই বিপুল ব্যয়ের বিষয়টি কেমন করে যেন রটে যায়। পরিণতিতে এলাকায় দেখা দেয় গুঞ্জন। পরিণতিতে দুর্জনরা বিষপ্রয়োগে হত্যা করে কুকুরটিকে। নিরপরাধ একটি পশুকে প্রাণ দিতে হয় এভাবে।

লাইবেরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট স্যামুয়েল ডো নিজেকে সিংহের মতো ক্ষমতাধর বলে ভাবতেন। তিনি তাঁর বাসভবনে সিংহ পুষতেন। সিংহের খাঁচায় বিরোধী মতের লোকদের নিক্ষেপ করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ক্ষুধাতুর সিংহ অসহায় মানুষকে যখন ছিন্নভিন্ন করে ভক্ষণ করত স্যামুয়েল ডো তা দেখে উল্লাস করতেন। সঙ্গীদের নিয়ে তিনি মেতে উঠতেন আদিম আনন্দে। ইথিওপিয়ার শেষ সম্রাট হাইলে সেলাসি। ইহুদিদের ধর্মগ্রন্থ তাওরাত বা বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টে উল্লেখিত সলোমন ও সেবা বংশের শেষ উত্তরসূরি তিনি। সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারান এই সম্রাট। ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবা উত্তাল হয়ে ওঠে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভে। সে সময় রাজপ্রাসাদে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন সম্রাট। সে সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন এক ইতালীয় সাংবাদিক। অধুনালুপ্ত বাংলাদেশ টাইমস-এর সম্পাদক মরহুম আলহাজ শামসুল হুদার সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব ছিল। হুদা ভাই এক আড্ডায় বলেছেন, ওই সংবাদ সম্মেলনের সময় রাজপ্রাসাদে সিংহের গর্জন শুনেছেন ইতালীয় সাংবাদিক। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকরা যখন বৃদ্ধ সম্রাটের ভাষণ শুনছিলেন তখন তাঁর কণ্ঠ মাঝেমধ্যে ঢাকা পড়ছিল সিংহের গর্জনে।

উগান্ডার ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসক ইদি আমিনও ছিলেন পশুপ্রেমী। দেশের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা নিয়ে সংশয় থাকলেও পশুপাখি ও সামুদ্রিক জীবের প্রতি তাঁর মমত্ব ছিল নিখাঁদ। ইদি আমিন ছিলেন সেনাবাহিনীর একজন সামান্য করপোরাল। উগান্ডা স্বাধীন হওয়ার পর ইদির ভাগ্য খুলে যায়। রাতারাতি জেনারেল বনে যান। তারপর সুযোগ বুঝে মিল্টন ওবাটেকে হটিয়ে নিজেকে উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। পাকিস্তানের একসময়ের সেনাশাসক আইয়ুব খানের মতো ফিল্ড মার্শাল সাজেন তিনি। অনেকের মতে, মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট বোকাসোকে অনুসরণ করে উগান্ডার সম্রাট হতে চেয়েছিলেন ইদি। তবে শেষ পর্যন্ত সাহস পাননি বিরূপ প্রতিক্রিয়ার ভয়ে। দুধের স্বাদ ঘোল দিয়ে মেটাতে প্রেসিডেন্ট ইদি আমিন রাষ্ট্রীয় ফরমান জারি করে নিজেকে পৃথিবীর সব পশুপাখি, সাগরের মাছ ও অন্যান্য প্রাণীর সম্রাট ঘোষণা করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাহি পরিবারের ঈগল পোষার কাহিনি জগৎবাসীর জানা। ঈগলের পেছনে তারা যে অর্থ ব্যয় করেন তা শুনলে ভিরমি খেতে হবে। ভারতের রাষ্ট্রপিতা মহাত্মা গান্ধী ছাগল পুষতেন। ছাগীর দুধ ছিল তাঁর নিত্যদিনের খাদ্যতালিকার অপরিহার্য উপাদান। ব্যক্তিগত জীবনে মহাত্মা গান্ধী ছিলেন চরম সংযমী। কোনো কোনো সময় শুধু দুধ পান করেই দিন কাটাতেন।

রাষ্ট্রনেতা, মন্ত্রী বা রাজনীতিকরা পশুপ্রেমী হবেন এতে আপত্তির কিছু নেই। ধর্ম বিশ্লেষকদের মতে, সব জীবই যেহেতু উপরওয়ালার সৃষ্টি, সেহেতু সৃষ্ট জীবের প্রতি ভালোবাসা স্রষ্টার সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসার অংশ। তবে মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও দায়বোধকে উপেক্ষা করে যারা পশুপ্রেমের পরকাষ্ঠা দেখান, তাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষের প্রতি মানুষের মমত্ববোধ থাকতেই হবে। যারা রাষ্ট্রনেতা, সমাজনেতা, মন্ত্রী কিংবা রাজনীতিক তাঁদের সে দায়বোধ বেশি থাকাই উচিত।

পাদটীকা : বাংলাদেশের এক সাবেক শাসক (?) জেনারেল মইন উ আহমেদ পশুপ্রেমী ছিলেন কি না, জানি না। তবে তিনি ভারত সফরকালে তাঁকে ঘোড়া উপহার দেওয়া হয়। এ সফরের সময় ভারতের ঘোড়া কূটনীতি নিয়ে দুর্জনরা অনেক কথাই বলেছেন। বলা হয়, ২০০৭ সালে ফখরুদ্দীন-মইন উদ্দিনের নেতৃত্বে জাতির ঘাড়ে যে ওয়ান-ইলেভেনের মসিবত নেমে আসে তার পেছনে প্রতিবেশী দেশেরও ইন্ধন ছিল। ভারতীয়রা ওই জেনারেলকে তাদের ঘোড়ার সহিস হিসেবেই ভেবেছে। ঘোড়া উপহার দেওয়ার পেছনে সে মনস্তত্ত্ব কাজ করেছে এমন ধারণা অনেকের।

তবে ভাগ্য ভালো, জেনারেল মইন ভারতীয়দের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ঘোড়ার জন্য পিএইচডির আবদার করেননি। টাকা দিয়ে পিএইচডি ডিগ্রি কেনাসংক্রান্ত অতি বিখ্যাত কৌতুকটি এ প্রসঙ্গে স্মর্তব্য। এক লোক কোথাও যাচ্ছিল ঘোড়ায় চড়ে। যাওয়ার পথে জানতে পারল ধারেকাছে একটা ইউনিভার্সিটি আছে। সেখানে টাকার বিনিময়ে পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়া হয়। লোকটি ছিল বেশ ধনী। সে ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে বলল তার একটা পিএইচডি ডিগ্রি চাই। টাকার বিনিময়ে সে সহজেই ডিগ্রি পেয়ে গেল। খুশিতে বাকবাকুম লোকটি ঘোড়ায় চড়ে বসল। হঠাৎ মনে হলো, প্রিয় ঘোড়াটার জন্যও একটা ডিগ্রি নিই না কেন। লোকটা আবার গেল ইউনিভার্সিটিতে। বলল, এই নিন টাকা, আমার ঘোড়ার জন্য একটা পিএইচডি ডিগ্রি দিন।

ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের জবাব, দুঃখিত, আমরা শুধু গাধাদের ডিগ্রি দিই, ঘোড়াদের না।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা