শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৭ জানুয়ারি, ২০২৫

মানসিক সমস্যা সহানুভূতির চোখে দেখা দরকার

আফরোজা পারভীন
প্রিন্ট ভার্সন
মানসিক সমস্যা সহানুভূতির চোখে দেখা দরকার

দিনের পর দিন মানসিক রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন ধরনের মানসিক সমস্যা তাদের। কেউ সারা দিনে একটি কথাও বলে না, কেউ অনর্গল কথা বলে, কেউ বাথরুমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকে। কেউবা সারা দিন ঘর ঝাঁট দেয়, কেউ রাস্তায় ঘোরে, চিৎকার, মারামারি, ভাঙচুর করে। এমন হাজারো রকম সমস্যা। এসবই মানসিক বিকলন। এদের আমরা ‘পাগল’ আখ্যা দিয়েই নিশ্চিন্ত থাকি। কিন্তু কেন পাগল, কী ধরনের পাগল, এর প্রতিকার কী এসব নিয়ে খুব কমই ভাবি। বেশি বাড়াবাড়ি হলে পাগলাগারদে পাঠিয়ে ঘাড় থেকে বোঝা নামাই, বাড়িতে শান্তি ফিরিয়ে আনি। এরা কেউ আমাদের ভাই, কেউ চাচা, ফুফু, মামা বা অন্য কোনো আত্মীয় কিংবা নিকটজন।

আমরা জানি, স্বাস্থ্য শারীরিক আর মানসিক স্বাস্থ্যের সমন্বয়। শরীর সুস্থ কিন্তু মনে হাজারটা রোগ থাকলে তাকে আমরা কোনোক্রমেই স্বাস্থ্যবান বলতে পারি না। তেমনি যিনি মানসিকভাবে সুস্থ কিন্তু শরীরে অসংখ্য রোগ তিনিও স্বাস্থ্যবান নন। নিটোল স্বাস্থ্যের জন্য দরকার শরীর ও মন সমভাবে সুস্থ থাকা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই দুই স্বাস্থ্যের সঙ্গে সামাজিক অবস্থাও যোগ করেছেন। অর্থাৎ স্বাস্থ্য এই তিনটির সুস্থ সমন্বয়।

একজন মানুষ তখনই স্বাস্থ্যবান যখন তার রোগবালাই থাকে না, সেই সঙ্গে ভয়, হতাশা, বিষণ্নতা, মানসিক চাপও থাকে না। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রধান অনুষঙ্গ চিন্তা, আবেগ ও আচরণ। যার মানসিক স্বাস্থ্য ভালো তিনি দৈনন্দিন কাজকর্ম ঠিকমতো করেন। দৃঢ়তার সঙ্গে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। পরিবার ও সমাজের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ যথোচিত আচরণ করেন। দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। নিজের ও সমাজের উন্নয়নে কাজ করেন।

মানসিক সুস্থতার জন্য নিয়মিত নিজের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। কোনো কারণে মনে কোনো কষ্ট বা আবেগের জন্ম হলে তা প্রকাশ করে ফেলা দরকার। এতে মানসিক চাপ ও জটিলতা কমে যায়। নিজের জন্য কিছুটা সময় আলাদা রাখতে হয়, নিজের মন কী বলছে সেটা বুুঝতে চেষ্টা করা এবং সেই অনুযায়ী কাজ করা, বই পড়া, গান শোনা দরকার। দরকার অতীত ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা না করে বর্তমানকে গুরুত্ব দেওয়া। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সুষম ও পুষ্টিকর খাবার শরীরকেই নয়, মনকেও ভালো রাখে। অন্যদিকে অস্বাস্থ্যকর ফ্যাটি খাবার বিষণ্নতা ও অবসাদের সৃষ্টি করে। ভিটামিন বি-১২, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ খাবার মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনগুলোকে চাঙা রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া তাজা ফলমূল ও সবজির বড় ভূমিকা রয়েছে মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায়। পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম দরকার। ঘুম ঠিকমতো না হলে মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে ওঠে। ফলে মানুষ সহজেই ক্লান্তি বোধ করে, কর্মস্পৃহা কমে যায়। ঘুম শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলো সারিয়ে তোলে। তাতে আমাদের মনমেজাজ চাঙা হয়। মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ব্যায়াম খুবই জরুরি। ব্যায়াম স্ট্রেস, বিষণ্নতা, ক্লান্তি ও মানসিক চাপ কমায়। যোগব্যায়াম এবং মেডিটেশনও কার্যকর হতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিজের শখের কাজ করা উচিত।  যেমন বাগান করা, রান্না কিংবা সেলাই করা, নতুন কোনো কিছু শেখা ইত্যাদি। এতে মন ভালো থাকে, আত্মবিশ্বাস বাড়ে। দুশ্চিন্তা মাথায় আসে না। ফলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। নিজের দুর্বলতাগুলোর কথা দিনরাত না ভেবে কিসে তুমি ভালো, কোথায় তোমার ক্ষমতা তাতে বিশ্বাসী হলে জীবনে এগিয়ে চলার সাহস পাওয়া যায়। আমরা কেউই পূর্ণাঙ্গ নই। কেউ হয় না। তাই অন্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে নিজের দুর্বল দিকগুলো নিয়ে চিন্তা করা বোকামি। এতে হীনম্মন্যতা, হতাশা, বিষণ্নতা বাড়ে। সারা দিন কী কী পেয়েছেন তার একটা লিস্ট বানান আর কৃতজ্ঞ থাকুন। কী পাননি তা চিন্তা না করে কী পেয়েছেন সেটা নিয়ে খুশি থাকার চেষ্টা করলে ইতিবাচকতা মনোভাবের জন্ম হয়। নিজেকে বিচ্ছিন্ন না রেখে পরিবারের সঙ্গে, প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান। হতাশা ও দুশ্চিন্তা আপনার কাছে ঘেঁষবে না। প্রচুর হাসি আর আলিঙ্গন মনকে সুস্থ করে তুলতে দারুণ উপযোগী। সক্রিয় থাকা দরকার। অলস মানুষের মাথায় নানা দুশ্চিন্তা আসে। এ ছাড়াও কারও প্রতি রাগ থাকলে বা ক্ষোভ পুষে রাখলে মানসিক অসুস্থতার সূত্রপাত হতে পারে। তাই ক্ষমা করে দিন। ক্ষমা মানসিক প্রশান্তি দেয়।

এতক্ষণ ধরে যে কাজগুলোর কথা বললাম এগুলো আমরা চাইলেই করতে পারি। এর জন্য কারও কোনো সাহায্য বা সহযোগিতা লাগে না। কিন্তু এত কিছু করার পরও যদি মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হয় তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। জটিল সমস্যায় অতি দ্রুত এবং নিয়মিত ডাক্তারি পরামর্শ জরুরি। কারণ শারীরিক ক্ষতি ভালো হলেও মানসিক ক্ষতি সহজে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয় না। আমাদের চারপাশে রোজ কিছু নৃশংস ঘটনা ঘটছে যা আমাদের হাতে নেই। যারা এসব নৃশংসতার ভুক্তভোগী তাদের মনে সাংঘাতিক চাপ, ভয়, বিষণ্নতা, হতাশাসহ নানা ধরনের মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। আমাদের উচিত তাদের পাশে থাকা, সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। তাদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা।

সমস্যা হচ্ছে, আমাদের দেশে শরীরের পরিচর্যা যতটা করা হয় মনের পরিচর্যা তার শত ভাগের এক ভাগও করা হয় না। অসুখ হলে আমরা ডাক্তারের কাছে যাই, কিন্তু মনের অসুখ হলে মানসিক ডাক্তারের কাছে যেতে আমাদের নিজের এবং পরিবারের যথেষ্ট আপত্তি আছে। সমাজে একটা ধারণা প্রচলিত আছে মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলে সবাই ভাববে পাগল হয়ে গেছে। আর এ সমাজে পাগল হওয়াকে ব্যক্তি এবং পরিবারের দোষের চোখে দেখা হয়। বাংলাদেশে মানসিক সমস্যা দিন দিন বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, দেশের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিভিন্ন মানসিক রোগে আক্রান্ত। ডিপ্রেশন, অ্যানজাইটি, স্কিজোফ্রেনিয়া এবং বাইপোলার ডিজঅর্ডারের মতো সমস্যাগুলো ঘরে ঘরে বেড়ে চলেছে।

আমাদের জীবন খুব মসৃণ নয়। নানান চড়াই-উতরাই পেরিয়ে চলতে হয়। প্রতিদিন নানা রকম ঘটনার মুখোমুখি হই আমরা। এর কোনো কোনোটি আমাদের জন্য আনন্দের, আবার কোনোটি বিষাদ বা হতাশার। কোনোটি আবার এমন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে যাতে আমরা প্রচণ্ডভাবে মুষড়ে পড়ি, দুঃখ-ক্ষোভে জর্জরিত হই। অনেকে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার পরও বেকার আছেন। সামাজিকভাবে মর্যাদা পান না, পরিবার অবহেলা করে, কথা শোনায়। তিনি মুষড়ে পড়েন। অনেককে লেখাপড়ার জন্য পরিবার থেকে এতটাই চাপ দেওয়া হয়, তিনিও ভেঙে পড়েন। অনেকের টাকা নেই, সংসারের ব্যয় নির্বাহ করতে হিমশিম খান, বউয়ের কথা শুনতে হয়, ছেলেমেয়ের চাহিদা পূরণ করতে পারেন না, অনেকের বিয়ে হয় না, কারও সন্তান হয় না এমন অসংখ্য হতাশা আর বেদনা রয়েছে মানুষের। আছে পারিবারিক কলহ, বিচ্ছেদ এবং অসন্তোষ। এই চাপটাও আমাদের মনের ওপর পড়ে। কিন্তু জীবনে কোনো দুুঃখদুর্দশা হতাশা চিরস্থায়ী নয়। আঁধারের পর আলো আসে এটাই চিরন্তন সত্য। এই কথাটা মনে রেখে সমস্যার মোকাবিলা করলে কোনো পরিস্থিতিতেই কেউ ভেঙে পড়ে না। বরং আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। মানসিক রোগীর জন্য মানসিক চিকিৎসা আছে। এই চিকিৎসাপদ্ধতিতে কেন মানসিক সমস্যা হচ্ছে সে কারণ নির্ধারণ করে নিরাময়ের চেষ্টা করা হয়। সাধারণত কাউন্সেলিং, থেরাপি, ওষুধ প্রদান এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পর্যবেক্ষণ এই চিকিৎসার পদ্ধতি।

দেশে পর্যাপ্ত মানসিক চিকিৎসার সুবিধা নেই। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সীমিত এবং মানসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব রয়েছে। রাজধানী ঢাকায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট রয়েছে, যেখানে ৪০০ শয্যার ব্যবস্থা আছে। এ ছাড়া পাবনায় ৫০০ শয্যার মানসিক হাসপাতাল রয়েছে। কিছু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মানসিক রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা প্রায় নেই বললেই চলে। দেশে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সংখ্যা প্রায় ২২০ জন বলে জানা যায়, যার মধ্যে অধিকাংশই রাজধানীতে অবস্থান করেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিশেষজ্ঞের অভাব রয়েছে।

দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ১৮.৭% এবং শিশুদের মধ্যে ১২.৬% মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। তবে মানসিক রোগীর মধ্যে প্রায় ৯১% কোনো চিকিৎসা পান না। কিন্তু উন্নত দেশগুলোর অবস্থা একেবারে বিপরীত। তারা শারীরিক চিকিৎসায় যতটা গুরুত্ব দেন ঠিক ততটাই গুরুত্ব দেন মানসিক চিকিৎসায়। সেসব দেশে মানসিক চিকিৎসার ক্ষেত্রে বাজেট বেশি। সেবাও অনেক বেশি। মানসিক চিকিৎসায় আক্রান্ত না হলেও তারা নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে যায়। উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে প্রতি লাখ মানুষের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। সেসব দেশে মানসিক স্বাস্থ্যসচেতনতা ও গ্রহণযোগ্যতা বেশি। সচেতনতার কারণে রোগীরা নিজেই চিকিৎসা গ্রহণ করে। এ দেশে একদিকে মানসিক চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই, অন্যদিকে রয়েছে সচেতনতার অভাব। আছে নানান সামাজিক কুসংস্কারের স্টিগমা বা নেতিবাচক মনোভাব, যার কিছুটা আগে বলেছি। অনেকে মানসিক সমস্যাকে লজ্জার বিষয় বলে মনে করেন। দেশে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামো ও বিশেষজ্ঞের সংখ্যা বৃদ্ধি করা দরকার। বাজেট বরাদ্দ ও সেবার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন। প্রতিটি জেলা-উপজেলায় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা প্রয়োজন। সেখানে প্রশিক্ষিত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং পরামর্শদাতার ব্যবস্থা রাখতে হবে। যাতে মানসিক রোগীরা প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন।

একই সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে জনগণের সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যম, সামাজিক মাধ্যম এবং স্থানীয় প্রচারণা চালানো জরুরি। মানসিক সমস্যাকে আর দশটা স্বাভাবিক রোগ হিসেবে গণ্য করার জন্য মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে। চিকিৎসকদের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক কোর্স চালু করা উচিত। শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ মোকাবিলার কৌশল শেখানো দরকার। পাশাপাশি মানসিক রোগীদের পুনর্বাসনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া উচিত। সবশেষ কথা, মানসিক সমস্যা দূর করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পরিবারের। মানসিক সমস্যাকে সহানুভূতির চোখে দেখা দরকার। পরিবারের সদস্যদের উচিত মানসিক সমস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা। খোলামেলা আলোচনা হলেই কেবল সহযোগিতা করা সম্ভব।

লেখক : কথাশিল্পী, গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৫০ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা