শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৬ জানুয়ারি, ২০২৫

মানুষের পাশে দাঁড়ান

মীর আবদুল আলীম
প্রিন্ট ভার্সন
মানুষের পাশে দাঁড়ান

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের রূপ পরিবর্তনের জন্য আসে শীত। তীব্র শীতে কাঁপছে দেশ; নেই সূর্যালোক। বিপর্যস্ত জনজীবন। শীত যেমন তার লাবণ্যে অমোঘ রূপ নেয়, তেমনি শীতের আগমনে জীবনের এক কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে তাদের জন্য, যারা সমাজের প্রান্তিক জনগণ। কুয়াশা আর হাড়কাঁপানো শীতে মানুষের কাজের গতিও কমে গেছে। কমে গেছে আয়। সন্ধ্যার আগেই বেশির ভাগ মানুষ ঘরে ঢুকে যাচ্ছে।  কাজের অভাবে খাদ্য জোটানো দায়, এ অবস্থায় শীতবস্ত্র কিনবে কী করে? এ মানুষগুলো দেশের অবস্থাসম্পন্ন মানুষ কী করে সেদিকেই চেয়ে আছে। এবারের শীতের তীব্রতার একটু বর্ণনা দিতেই হয়। পঞ্চগড়ে ৩ জানুয়ারি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৩ রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শীতজনিত রোগ বাড়ছে। মৃত্যুর খবরও মিলছে। সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া, টনসিলাইটিস, ব্রংকিউলাইটিস, সাইনোসাইটিস, অ্যাজমা, চর্মরোগ, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু থেকে বয়স্ক সব বয়সের মানুষ। হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বারে শীতজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। শীতের কুয়াশা যেমন শহর থেকে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আঘাত হানে, তেমনি তা দরিদ্র, গৃহহীন ও অসহায় মানুষের জীবনে এক অন্ধকারাচ্ছন্ন অধ্যায় রচনা করে।

শীতকাল এসে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে দেশের অনেক অঞ্চলে শুরু হয় তীব্র শীতের প্রকোপ। বিশেষ করে শহর ও গ্রামের গরিব, ছিন্নমূল এবং গৃহহীন মানুষের জন্য শীতের সময়টা অত্যন্ত কঠিন। এসব মানুষের কাছে শীত একটি বড় বিপদ, কারণ তাদের কাছে শীতবস্ত্র, গরম কাপড় এবং আশ্রয়ের অভাব থাকে। তারা খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে বাধ্য হয়, যা তাদের স্বাস্থ্য ও জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ।

এমন পরিস্থিতিতে আমাদের সবার উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো। শীতবস্ত্র বিতরণ, গরম কাপড়ের ব্যবস্থা এবং আশ্রয়ের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, খাবার সহায়তা এবং শীতকালীন রোগের প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে এ শীতে তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করা সম্ভব। এটা আমাদের মানবিক দায়িত্ব যে শীতের এ কঠিন সময়ে দরিদ্র, অসহায় এবং শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াব। একত্র হয়ে যদি আমরা সবাই একটু সহানুভূতি এবং সাহায্যের হাত বাড়াই, তাহলে আমরা একটি শক্তিশালী এবং মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে পারব।

শৈত্যপ্রবাহে এদেশে মানুষ মারা যায় প্রতি বছরই। তবে এ-সম্পর্কিত মৃত্যুর কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই। গবেষকরা ২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চারটি জাতীয় দৈনিককাজের অভাব পত্রিকার শৈত্যপ্রবাহ-সম্পর্কিত খবরের বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করে এ-সংক্রান্ত একটি ডেটাসেট তৈরি করেছেন এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য রিপোর্টের সঙ্গে তা যাচাই করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের চারজন এবং স্পেনের ওভিডো বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অ্যান্ড হেলথ সায়েন্সেস অনুষদের দুজন গবেষক বাংলাদেশে শৈত্যপ্রবাহে মৃত্যুর ঘটনার স্থান-কালগত প্রবণতা এবং বৈশিষ্ট্যগুলো বিশ্লেষণ করেছেন। ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের সহযোগী অধ্যাপক মো. খালিদ হাসান জাতীয় দৈনিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল মৃত্যুহার বিষয়ে বিশদ জানা। আমরা দেখেছি যে ওই ২০ বছরে শৈত্যপ্রবাহের সময়কাল ও পুনরাবৃত্তি বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, গবেষণাকালীন শৈত্যপ্রবাহে ৫ হাজার ৬১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুহারের দিক থেকে শীর্ষে রংপুর বিভাগ, এরপরই রয়েছে রাজশাহী বিভাগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ময়নাতদন্ত না হওয়ায় ঠান্ডাজনিত রোগে কত মানুষের মৃত্যু হয়েছে তা বলা মুশকিল। শীতকালীন মৃত্যু নিয়ে আমাদের রাষ্ট্র-সংশ্লিষ্টদের ভাবতে হবে। মৃত্যুর হার কমিয়ে আনার জন্য যা করা দরকার, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। তা ছাড়া যারা বিত্তবান, তাদেরও একটা বড় দায়িত্ব রয়েছে। এ কঠিন সময়ে মানবতার প্রতি আমাদের দায়িত্ব যেন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে, এটাই সময় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। মানবিক সহানুভূতি ও সহায়তার হাত বাড়ালে, আমাদের সমাজের হৃদয়ে পরিবর্তন আনা সম্ভব।

শীত মৌসুমে, যাদের সামর্থ্য কম, তারা সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়ে। দেশের গ্রামীণ অঞ্চল থেকে শহরের বস্তিতে, ছিন্নমূল এবং গৃহহীন মানুষের কাছে শীতের তীব্রতা একেবারে দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। শীতের সকালে আমরা যখন ঘর থেকে বেরিয়ে তাজা বাতাসে শ্বাস টানি, তখন আশপাশের শীতার্ত মানুষের কষ্টও যেন আমাদের হাড়ে হাড়ে অনুভূত হয়। এমন সময়ে আমাদের মানবিক দায়িত্ববোধের পরীক্ষা নেওয়ার সময় চলে আসে। এ শীতে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার জন্য এক মহান কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়।

তীব্র শীতে বিশেষ করে গৃহহীন মানুষদের জন্য জীবন হয়ে ওঠে আরও কঠিন। ছিন্নমূল মানুষ, যাদের কোনো আশ্রয় নেই তারা খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে বাধ্য হয়। শীতের কারণে অনেকেই ঠান্ডা থেকে সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া, হাঁপানি কিংবা শ্বাসকষ্টের মতো রোগে আক্রান্ত হয়। শিশু, বৃদ্ধ এবং শারীরিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য শীতের আগমন এক ভীষণ বিপদ হয়ে দাঁড়ায়। শীতের সময় দরিদ্র মানুষের খাদ্যসংকটও প্রকট হয়ে ওঠে, তাদের গরম কাপড় ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অভাব চরম আকার ধারণ করে। এ অবস্থায় শীতের মধ্যে তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং সাহায্যের হাত বাড়ানো একান্ত জরুরি হয়ে পড়ে।

এ সময় আমরা যা করতে পারি :

১. শীতবস্ত্র বিতরণ : দরিদ্র মানুষের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ একটি সহজ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর উপায়। কম্বল, সোয়েটার, শাল, গরম কাপড় প্রদান তাদের শীতের যন্ত্রণা কিছুটা হলেও কমিয়ে দিতে পারে। সরকারি এবং বেসরকারি সংগঠনগুলো এ উদ্যোগে নেতৃত্ব দিতে পারে; কিন্তু প্রতিটি ব্যক্তি এবং পরিবারকেও এর সঙ্গে যুক্ত হওয়া উচিত। ছোট ছোট দানে অনেক বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।

২. আশ্রয় স্থাপন : যারা গৃহহীন, তাদের জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা উচিত। খোলা আকাশের নিচে যারা রাত কাটায়, তাদের জন্য শীতকালে অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো এ উদ্যোগ নিতে পারে, যেখানে মানুষজন রাত কাটাতে এবং শীতের প্রকোপ থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারে।

৩. স্বাস্থ্যসেবা প্রদান : শীতকালীন অসুখের সংখ্যা বেড়ে যায়, বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের মধ্যে। স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে হবে। শীতকালে প্রতিটি গ্রামে বা শহরে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প চালু করা, সর্দি-কাশি এবং শ্বাসকষ্টের রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। দরিদ্র ও অসহায়দের মধ্যে যে চিকিৎসার জন্য অর্থের সংকট থাকে, তাদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ প্রদান করা জরুরি।

৪. খাদ্যসহায়তা : শীতের সময়ে অনেক দরিদ্র পরিবার কাজকর্মের অভাবে খাদ্যসংকটে পড়তে পারে। তাদের জন্য খাদ্যসহায়তা, বিশেষ করে শীতের খাবার যা শীত থেকে নিরাপদ রাখে, তা প্রদান করা যেতে পারে। প্রয়োজনীয় খাবার, যেমন স্যুপ, পুষ্টিকর খাবার এবং শাকসবজি প্রদান করে তাদের শরীরকে শক্তিশালী করা সম্ভব।

৫. সচেতনতা বৃদ্ধি : শীতকালীন রোগের প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের মধ্যে শীতের সময় সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ইত্যাদি রোগ থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্য খতিয়ে দেখা,  তাদের গরম রাখার ব্যবস্থা করা এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

শীতে যারা দরিদ্র, গৃহহীন ও অসহায় তাদের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক কর্তব্য নয় বরং সমাজের দায়ও বটে। একত্রে কাজ করলে আমরা অনেক কষ্ট লাঘব করতে পারি। শীতকালীন এ সহানুভূতি আমাদের সমাজের শক্তি, অটুট সম্পর্ক এবং মানুষের প্রতি শ্রদ্ধার প্রমাণ হতে পারে। মানুষের দুঃখকষ্টে আমাদের এগিয়ে আসা উচিত, কেননা একে অপরের সাহায্যেই  সমাজ তার প্রকৃত রূপ পায়।

সবশেষে বলতে চাই, শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো মহান কাজ, যা মানবিকতার পরিচায়ক।  প্রত্যেক নাগরিকের ছোট্ট সাহায্যও বিশাল পরিবর্তন আনতে পারে। তাই আমাদের উচিত একে অন্যের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করা, যাতে শীতের এ কঠিন সময়ে একজন মানুষও অসহায় না থাকে। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে শীতকালে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো একমাত্র উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। সমাজের অভাবী ও দরিদ্র মানুষদের জন্য এটি শুধু দান নয়, বরং মানবতার প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধা ও কর্তব্য।

লেখক : গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

২৫ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা