শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৫ জানুয়ারি, ২০২৫

গান্ধী-জীবনী আত্মপ্রচারকারীদের পাঠ্য হোক

রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
গান্ধী-জীবনী আত্মপ্রচারকারীদের পাঠ্য হোক

মহাত্মা গান্ধী ছিলেন শান্তি ও অহিংসার এক প্রবাদপুরুষ। রাজনীতিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে নন্দিত হলেও মহাত্মা গান্ধী ছিলেন ক্ষমতাবিমুখ এক মানুষ। স্বাধীন ভারতের প্রতিষ্ঠাতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি কোনো রাষ্ট্রীয় পদ গ্রহণ করেননি। ব্যক্তিজীবনেও তিনি ছিলেন এমনই নির্মোহ যাঁকে কল্পকথার অতিমানবদের সঙ্গেই তুলনা করা যায়। আধুনিক যুগে পৃথিবীর মাটিতে যদি অহিংসা ও শান্তির কোনো মানুষবেশী দেবদূতের আগমন হয়ে থাকে, তবে তা মহাত্মা গান্ধীর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। শান্তির জন্য তিনি নিজের জীবনকেও উৎসর্গ করেন। মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুর পর মহান বিজ্ঞানী আইনস্টাইন মন্তব্য করেছিলেন, কয়েক যুগ কেটে যাবে, তবু মানুষের পক্ষে বিশ্বাস করা কঠিন হবে যে এমন একজন মানুষ রক্ত-মাংসের শরীরে সত্যিই এসেছিলেন, চলাফেরা করেছিলেন মাটির পৃথিবীতে।

ব্রিটিশ উপনিবেশবাদী নির্মম শাসকশোষকের বিরুদ্ধে ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষের লড়াইয়ে তিনি ছিলেন এক আপসহীন নেতা। সেই একটা বিষয়ে আমরা দল-মতনির্বিশেষে সবাই তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ, যেমন কৃতজ্ঞ তাঁর সময়কার অন্য সব লড়াকু নেতার প্রতি।

মহাত্মা গান্ধীর আত্মজীবনী গ্রন্থ অ্যান অটোবায়োগ্রাফি অব মাই এক্সপেরিমেন্টস উইথ ট্রুথ ভারতের সংগ্রামী গণমানুষের ইতিহাস গবেষণার এক অসামান্য গ্রন্থ। এ অঞ্চলের ইতিহাস-গবেষণায় যার কোনো বিকল্প নেই। মানবপ্রেমী এম কে গান্ধী যেমন গণমানুষের মহান নেতা ছিলেন তেমনি তাঁর আত্মজীবনী গ্রন্থটি হয়েছে এ অঞ্চলের রাষ্ট্রীয়-সামাজিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক অসামান্য দলিল-পুস্তক, পাতায় পাতায় মানবসভ্যতার মধ্যকার সব শোষণ-মুক্তির লড়াইয়ের জন্য শিক্ষণীয় সব বিষয়। এ বইটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য গান্ধী তাঁর জীবনের সব দুর্বলতা ও ব্যর্থতার কথা, তার কার্যকারণ ব্যাখ্যা করে বলেছেন, যেমনি বলেছেন নানা সাফল্যের প্রসঙ্গও। আমাদের বাংলাদেশে, একইভাবে বিশ্বের বেশির ভাগ দেশেই রাজনৈতিক নেতা ও বুদ্ধিজীবীগণ, এমনকি রাষ্ট্রনায়ক অবধি প্রায় সবাই নিজের জীবন কথা লিখতে গিয়ে আপন গুণগান করেছেন যতটা, ততটাই নির্মোহ দৃষ্টিতে আত্মসমালোচনা বা নিজ-স্বজনদের দোষত্রুটি তুলে ধরার ব্যাপারটি এড়িয়ে গেছেন সযত্নে। ফলে ওই গ্রন্থগুলো হয়েছে আত্মপ্রতারণার নামান্তর, দেশ-জনতা এবং বিশ্ববাসীকে ধাপ্পা দেওয়ার একটা নির্লজ্জ অপপ্রয়াস। ব্যক্তিগত আচরণে চরিত্রবান অনেক ব্যক্তিও লোকলজ্জার ভয়ে অনেক বাজে কাজ করেও লুকিয়ে রাখেন সেসব ঘটনা। কারণ তাতে ক্ষমতা হারানো বা দেশবাসীর সমালোচনা বা প্রবল নিন্দার মুখোমুখি হতে পারেন, সেই আতঙ্কে। কিন্তু নেতা গান্ধীর আত্মজীবনী গ্রন্থটি একেবারেই উল্টো। তিনি তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপের ভুলত্রুটি অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করেছেন চূড়ান্ত নির্মোহ ভাবনায় আর কঠিন-কঠোর প্রকাশ ভঙ্গিতে।

মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুর পর মহান বিজ্ঞানী আইনস্টাইন মন্তব্য করেছিলেন, কয়েক যুগ কেটে যাবে, তবু মানুষের পক্ষে বিশ্বাস করা কঠিন হবে যে এমন একজন মানুষ রক্ত-মাংসের শরীরে সত্যিই এসেছিলেন, চলাফেরা করেছিলেন মাটির পৃথিবীতে

গান্ধী-জীবনী আত্মপ্রচারকারীদের পাঠ্য হোকআমাদের সমাজে অনেক রাজনীতিক আছেন, তারা ক্ষমতাধর, নিজেরা যথেচ্ছ অনাচারে লিপ্ত। অন্যের সম্পদসম্পত্তি, টাকাপয়সা লুণ্ঠন করার তৎপরতায় বেজায় পারদর্শী। কিন্তু বিশাল-হৃদয় ভাব ধরেন, প্রচুর দানখয়রাত করেন, বাড়িতে বা হোটেল রেস্তোরাঁয় অতিথি আপ্যায়ন করে অনেক অর্থ ব্যয় ও অপব্যয় করেন। এসব ব্যক্তির মধ্যে ভণ্ডামির স্বভাব ভয়ংকরভাবে পরিলক্ষিত। তবু তারা ছদ্মবেশ ধারণ করে নিজেদের মানবতাবাদী ও পরোপকারী প্রমাণের ভাব ধরে থাকেন। আসলে যে তাদের ওই সব ভণ্ডামির বিপরীতে দারুণ মতলববাজি মনোভাব সক্রিয় সেটা বেশির ভাগ মানুষই বুঝতে পারে না। তারা আসলে ভান-ভণিতা করে চলতে পছন্দ করেন, নিজেদের সম্মান-ইজ্জত বাড়াতে চান, সমাজে-রাষ্ট্রসভায় সবার সামনে নিজের সৎ গুণাবলি এমনকি সৎ গুণাবলি না থাকার পরেও ভণ্ডামি করে প্রদর্শন করতে ভালোবাসেন। তাদের মধ্যে এমন দুষ্টচরিত্রের লোকও আছে সংখ্যায় যারা কয়েকজন নয়, শত শত বা তারও বেশি, এমনকি হাজার হাজার। কোনো একটা এলাকার মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশ বা তারও চেয়ে বেশি অসাধু লোক থাকতে পারেন, তারা সবার অজান্তে নানা রকম পাপকর্ম করেন, তবে প্রত্যক্ষ সাক্ষীর দ্বারা সাক্ষ্যদানের মাধ্যমে ধরা না পড়লে কোনোভাবেই স্বীকার করেন না। এসব ভণ্ডামি হরদম চলে দুনিয়ার সব দেশে- তবে কোথাও একটু কম, কোথাও বা বেশি হারে। সম্প্রতি ক্ষমতা থেকে ছাত্র-জনতা কর্তৃক বিতাড়িত বাংলাদেশের ফ্যাসিস্ট নেতা শেখ হাসিনা আর তার দলের সব নেতা প্রায় একই রকম ভণ্ড, প্রতারক। দেশ ছাড়া হলেও এখনো তাদের ষড়যন্ত্র থামেনি।

স্বৈরাচার এরশাদের ভয়াবহ মিথ্যাচার আর দুর্নীতির জমানায় একজন এরশাদ-চেলা জাপা নেতার নামে স্রোগান উঠল- অমুক ভাইয়ের চরিত্র, ফুলের মতো পবিত্র। এসব শুনে দুর্নীতিবিরোধী সৎ মানুষজন হেসে গড়াগড়ি যেতেন। এরশাদ নিজে এবং তার সব চেলাচামুণ্ডা এ রকম প্রতারক ও ভণ্ড হবে সেটাই স্বাভাবিক। মাদারগাছে তো আর আম ফলে না।

এ অঞ্চলের তথা বিশ্বব্যাপী নিপীড়িত মানুষের নেতা এম কে গান্ধীর মূল্যবোধ, তাঁর জনমুক্তির লড়াই-সংগ্রামের আদর্শ অধ্যয়ন করেছেন সেসব নিয়ে কোথাও না কোথাও রাজনৈতিক বক্তৃতা দিয়ে হাততালি কুড়িয়েছেন এমন সব আওয়ামী লীগ নেতার অনেকেই দস্যু-ডাকাতে পরিণত হলেন কীভাবে? কয়েকজন যেমন ওবায়দুল কাদের, ড. আব্দুর রাজ্জাক, ড. হাছান মাহমুদ, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, ডাক্তার দীপু মনি (যার অনেক ডিগ্রির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের এমপিএইচ ডিগ্রিও আছে), সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আমির হোসেন আমু, আরও অনেকে কীভাবে গণবিরোধী পরিণত হলেন! অভিজ্ঞজনদের মতে, আওয়ামী লীগের নেতা-সংগঠকদের মধ্যে লুটেরা ও গুরুতর অপরাধীর সংখ্যা কমপক্ষে দুই লাখ। তাদের যথাযথ বিচার হলে হাজার হাজার ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড হবে, অন্যদের অনেকেরই হবে যাবজ্জীবন, বাকিদের হবে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড। এ লোকগুলোর বেশির ভাগই শিক্ষিত, এমনকি উচ্চশিক্ষিত, বারবার এমপি বা অন্যভাবে জনপ্রতিনিধি হয়েছেন। অনেকেই একবার, দুবার বা বারবার মন্ত্রী হয়েছেন। তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা বিশাল মাপের, দেশবাসীর কল্যাণে ইতিবাচক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সেই মানুষগুলো কীভাবে এমন দানবে পরিণত হলেন? স্মরণ করা যেতে পারে, আওয়ামী নেতাদের নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রায় পাঁচ মাস ধরে টানা ধারাবাহিক রিপোর্ট ছাপা হচ্ছে, সেসব দেখলে গণমানুষের যে কারও ভিরমি খাওয়ার দশা! তারা যাদের জাতীয় নেতা মেনে রাজনীতি করে এসেছেন, তারা তো সাধারণ চোর-ডাকাত কেউ ছিলেন না। শেখ পরিবারের শেখ সেলিম, শেখ হেলাল আর আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, অবশ্যই তাদের কাজিন শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের মান রক্ষা করেছেন, একেকজন দুর্নীতির বটবৃক্ষ হয়ে। আরও আছেন কুষ্টিয়ার গরু চোরাকারবারি দলের দালাল বলে কুখ্যাত মাহবুব উল আলম হানিফ। এ লোকগুলোকে দুর্নীতিতে নোবেল পুরস্কার থাকলে তা নির্বিঘ্নে দেওয়া যেত। আওয়ামী লীগে আর শেখ পরিবারে কত যে গডফাদার আর মাফিয়া আছে, তার হিসাব করে কূলকিনারা পাওয়া যাবে না।

রাষ্ট্রের সাধারণ প্রশাসন পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলার উন্নতিসাধন, নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের নাস্তানাবুদ দশা সবাইকে পর্যুদস্ত করে দিচ্ছে। এর মধ্যে অস্ত্র উদ্ধারে ধীরগতি, পুলিশ ও অন্য সব প্রশাসন সঠিক পথে আনতে সরকার নাজুক দশায়।

আওয়ামী লীগের লুটেরা রাজনীতিকদের মধ্যে যথার্থ শিক্ষা ও চেতনার অভাব ছিল সেটা কিছুটা মানা যায়। কিন্তু শেখ হাসিনার অত্যন্ত প্রিয়জন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য, বিখ্যাত সব প্রফেসর, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর (সাবেক), অন্য সব প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তা, যারা পিএইচডি ডিগ্রিসহ আরও অনেক ডিগ্রি নিয়ে সারা দুনিয়া চষে বেড়িয়েছেন রাষ্ট্রের টাকায়, নিজেদের পণ্ডিত ব্যক্তি বলে গর্ব করতেন, তারা কেন পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একটু ভালো বুদ্ধি-পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করলেন না? তারা সবাই ব্যস্ত ছিলেন মোসাহেবি, চাটুকারিতায়, স্তাবকতায় এবং নিজের আখের গোছাতে, কেন? কেন তাদের বোধবুদ্ধি এভাবে লোপ পেয়েছিল?

মহাত্মা গান্ধীর গুণাবলি নিয়ে এ ব্যক্তিরাই কিন্তু লম্বাচওড়া বক্তৃতা দিয়েছেন অনেক অনুষ্ঠানে, কিন্তু নেতা-গান্ধীর আত্মজীবনী গ্রন্থটিও গভীর মনোযোগে পড়লেন না, পড়ে থাকলেও তাঁর আদর্শ ও দর্শন যে আত্মসমালোচনা তা সামান্যতমও অনুসরণ করলেন না! এসব বুদ্ধিজীবী নামধারী মোসাহেব চাটুকারের দল যদি নিজেদের সংশোধন করে ভালো মানুষ বানাতেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে ভালো পরামর্শ দিয়ে প্রকৃত গণতন্ত্র অনুসারী মানবিক-শাসক পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করতেন তাহলে আন্দোলনকারী হাজার ছাত্র-গণমানুষ হত্যা ও হাজার হাজার ব্যক্তিকে আহত করে পঙ্গু বানাতে হতো না, ফ্যাসিস্ট অপবাদ নিয়ে শেখ হাসিনাকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিতে হতো না, গণহত্যার দায়ে বিচারে কঠিন শাস্তির অপেক্ষায় থাকতে হতো না। অন্তত ৪০ লাখ কোটি টাকা রাষ্ট্র-লুণ্ঠন করে এর বড় অংশ বিদেশে পাচার করতে হতো না। তার অনুসারীরাও বাঁচতে পারতেন সম্মান-ইজ্জত নিয়ে, রাজনীতি করতেও অসুবিধা হতো না।

লেখক : বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৫৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা