চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। গতকাল নগরীর দক্ষিণ আগ্রাবাদের আবিদার পাড়ার ঠান্ডা মিয়া ব্রিজ, ডাইল ব্রিজ ও নয় নম্বর ব্রিজসংলগ্ন মহেশ খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি। জ্বালানি উপদেষ্টা আরও বলেন, আগামী মে মাসের মধ্যে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি শেষ হবে না হয়তো তবে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড, ওয়াসা, সিটি করপোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে এ সমস্যা সমাধানে কাজ করা হবে। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পূর্বের প্রকল্পগুলোতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন এসব বিষয় দেখবে। আমাদের কাজ হচ্ছে জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশন ও অন্যান্য সংস্থাকে সহযোগিতা করা। তিনি আরও বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পরও কাক্সিক্ষত ফলাফল পাওয়া যায়নি। তাই প্রথমে দৃশ্যমান উন্নতি নিশ্চিত করতে হবে। সফলতা প্রমাণ হলে প্রয়োজনীয় অর্থায়নে কোনো সমস্যা হবে না।
উদ্বোধন শেষে উপদেষ্টার নেতৃত্বে বির্জা খাল, চট্টগ্রাম মেডিকেলের পূর্ব গেটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পরিদর্শন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, সিডিএর খাল খনন প্রকল্পের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফেরদৌস আহমেদ।