শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫৮, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

সাংস্কৃতিক বিকাশই পারে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে

জাকিয়া বারী মম
অনলাইন ভার্সন
সাংস্কৃতিক বিকাশই পারে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে

‘মানুষ জন্মাচ্ছে তাও রাজনীতি
মানুষ মরছে তাও রাজনীতি’

রাজনীতির পরিপূরকতায় মানুষকে এভাবেই দেখেছেন প্রিয় কবি আবুল হাসান। রাজনীতি নিয়ে অনেক মানুষের আগ্রহ না থাকলেও মানুষকে নিয়ে আগ্রহ আছে রাজনীতির। আর চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান গোটা বাংলাদেশের মানুষকে নিয়ে এসেছে একই পতাকার নিচে। নিজের কাজ নিয়ে মানুষ ছিল ভালো-মন্দ, যদিও পার হতে হয়েছে নানা প্রতিবন্ধকতা।

চব্বিশের ১৪ জুলাই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক ইউটোপিয়ান গল্পের শুটিংয়ে সারা রাত জেগেছি, ক্লান্ত তবু অদ্ভুত অবিশ্রান্ত। এমন এক গল্পের চরিত্রে অবতীর্ণ হয়ে রাতভর খোলা কালো আকাশের নিচে নিজেকে মেলে ধরতে চেয়েছি। কিন্তু ভাঁজে ভাঁজে স্লোগানে উঠে আসা মশাল মিছিল এড়াতে পারিনি। সারা রাতের সেই ইউটোপিয়ান গল্পে নির্দেশক যে জাদুবাস্তবতা হাজির করতে চেয়েছিলেন, তা গল্প আর রাজনীতি মিলে তৈরি করেছিল এক পরাবাস্তবতা। ছাত্ররা জেগে উঠেছিল মশালে-মিছিলে-গানে- ‘তুমি কে আমি কে? রাজাকার রাজাকার! কে বলেছে কে বলেছে? স্বৈরাচার স্বৈরাচার।’

এই তো শুরু সেই গণ-অভ্যুথানের, যা বিপ্লব না হলেও বাংলাদেশের গণমানুষের চিৎকার হয়ে উঠেছিল। যে চিৎকার শোষণ, নিপীড়ন, দুর্নীতি আর বাকস্বাধীনতা হরণের বিপক্ষে এ দেশের মানুষের তীব্র প্রতিবাদ। সাতচল্লিশের দেশভাগের পর থেকে বায়ান্ন, উনসত্তর, একাত্তর, নব্বই পার করে চব্বিশ চোখে দেখার অভিজ্ঞতা তৈরি করল।

১৪ জুলাই ছাত্ররা এক হয়েছিল কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজু ভাস্কর্য ঘিরে, যা পরে শোষকগোষ্ঠীর নিপীড়নের মুখে এক দফায় পরিণত হয়েছিল। ১৪ জুলাই, ১৬ জুলাই, ১৮ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ, ফাইয়াজ, প্রিয় থেকে শহীদ মুগ্ধরা দেশের মানুষের স্বার্থ সংরক্ষণে রক্তাক্ত হয়েছে, ঝরেছে সহস্রাধিক তরুণ প্রাণ। যাদের আমরা অনেকেই ভেবেছি প্রযুক্তিতে বুঁদ হয়ে থাকা প্রায় অকার্যকর প্রজন্ম, তারাই আমাদের শিখিয়েছে দেশকে নতুন করে ভালোবাসার মন্ত্র। উনসত্তর, একাত্তর, নব্বইয়ের গণজাগরণ দেখার সুযোগ হয়নি, কিন্তু স্মৃতিতে চব্বিশ থাকবে জনজাগরণের দগদগে প্রাণবন্ত চিত্র হয়ে। চব্বিশের স্বতঃস্ফূর্ত জনজোয়ার উঠে এসেছে স্লোগানে, গর্জে উঠেছে গান-কবিতায়, জ্বলে উঠেছে পোস্টারে, প্ল্যাকার্ড আর গ্রাফিতিতে।

এ দেশের মানুষের বুকের মাঝে স্বাধীনতার প্রশ্নে এমন আগুন জ্বলেছে বারবার, এ আমার দেশের সংস্কৃতি, আমার দেশের ঐতিহ্য। স্বাধীনতা থেকে গণ-অভ্যুত্থান—নজরুল ধরে আছে বাংলার হাত। সেই সংস্কৃতির ধারাবাহিকতায় এবারেও নজরুল প্রাসঙ্গিক- ‘গাহি সাম্যের গান-/মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান’ কিংবা ‘বল বীর বল চির উন্নত মম শির’-এর মতো মানুষের জয়গানে। যাত্রাপালা থেকে শুরু করে স্বাধীনতা-পরবর্তী বাহাত্তরে থিয়েটার আন্দোলনে শিল্পীরা যুক্ত হয়েছিলেন দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে। সেই সংগ্রামে পথনাটক, থিয়েটার, সাহিত্য, গান নিয়ে লড়েছেন মমতাজউদদীন আহমদ, সেলিম আল দীন, ফেরদৌসী মজুমদার, নাসির উদ্দীন ইউসুফ, সৈয়দ শামসুল হক, সৈয়দ হাসান ইমাম, জ্যোত্স্না বিশ্বাস, অমিত সরকার, আবুল হাসান, হেলাল হাফিজ এবং আরো অনেক গুণী সাংস্কৃতিক ব্যক্তি।

এই চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানেও বাংলাদেশের শিল্পী, সাহিত্যিক, শিক্ষকদের একাংশ যুক্ত হয়েছিল। যুক্ত হয়েছিল সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ, অভিভাবক, শ্রমিক, সাংবাদিক, এমনকি পথশিশুও। এই সবই কমবেশি আমাদের জানা। কিন্তু এই গণঅভ্যুত্থানে এ দেশের মানুষ কী চেয়েছে, কেন এই গণপ্লাবন তা মুখ্য বিষয়।

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বলা আছে বাংলাদেশের জনগণের সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার কথা, যা একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও মুক্তচিন্তার বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। স্বাধীনতা-পরবর্তী ৫৪ বছরেও সাধারণ মানুষ তা উদযাপন করতে পারেনি, বারবার স্বৈরাচারের দেখা মিলেছে এই বাংলায়। তাই চব্বিশে ছাত্রদের হাত ধরে, প্রযুক্তিকে নির্ভর করে এই গণ-অভ্যুত্থান। প্রযুক্তির এই জাগরণের সময়ে এসে তাই খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসাই কেবল মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে না। শারীরিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, মুক্তচিন্তার বিকাশ, বাকস্বাধীনতা, ভোটাধিকার প্রয়োগ, অসাম্প্রদায়িক সমাজব্যবস্থা, সাংস্কৃতিক বিকাশও এখনকার বাংলাদেশের মৌলিক চাহিদা।

১০ ডিসেম্বর ২০২৪-এ প্রকাশিত দ্য পোস্টের এক জরিপে দেখা গেছে, স্বৈরাচারের শাসনামলে ২৮ লাখ কোটি টাকা দেশের বাইরে পাচার হয়েছে, যা ফিরিয়ে এনে দেশের কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা খাতে আমূল পরিবর্তন বা সংস্কার করা সম্ভব, যাতে দেশের কৃষিসম্পদ দেশের মানুষের সব চাহিদা মেটাতে পারে, মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে আর পারে মেধাপাচার ঠেকাতে। মহানগরী ঢাকা এবং বাকি সাতটি বিভাগে পাবলিক লাইব্রেরি তৈরির মাধ্যমে মানুষের মেধা বিকাশের কাজ হাতে নেওয়া খুবই জরুরি, যেন আরো ২০ বছর পরে একটা শিক্ষিত জাতি হয়ে উঠতে পারি আমরা।

এর সঙ্গে সিনেমা হল স্থাপন এবং ফিল্ম ইনস্টিটিউট খুবই অসাধারণ ভূমিকা রাখতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষায় সংস্কারের মাধ্যমে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারি, যা আমাদের সুকান্তের দুর্মর বাংলাদেশে পরিণত করতে পারে। এমনই সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মাধ্যমে বিশ্বের বিস্ময় হতে পারে বাংলাদেশ। সুকান্তের ভাষায়-

‘সাবাস, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী/অবাক তাকিয়ে রয়/
জ্বলে পুরে-মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়’

এমন সব আশা নিয়ে আবু সাঈদরা বুক পেতে দিয়েছিল পুলিশের গুলির সামনে, দেশজুড়ে আঁকা হয়েছিল গ্রাফিতি, স্লোগানে মুখর হয়েছিল রাজপথ, আবেগে ভেসেছিল সোশ্যাল মিডিয়া। একটা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা দিয়ে শেষ করছি, সেই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে কী হবে তা না ভেবে ছাত্রদের মৃত্যুতে মুখে শুধু আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে ওঠাই নয়; সে অভিজ্ঞতা নিজ পরিবারের এই প্রজন্মের বাচ্চা ছেলেটার পেটে গুলি লাগার সেই রাতের অভিজ্ঞতা।

৪ আগস্ট রাতে জানতে পারি, বোনের ছেলে দীপ্র মিছিলে গুলিবিদ্ধ হয়েছে, যার বাবা লে. কর্নেল কাজী রবি পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের একজন শহীদ। মেডিক্যালে তাকে দেখতে যাই রাতেই, তখনো সে শঙ্কামুক্ত নয়। অপারেশন লাগবে, কারণ পেটের নিচে গুলি লেগে তা পেটের অন্য পাশ দিয়ে চিরে বেরিয়ে গেছে। ভয়াবহ সেই অনুভূতি। ছাত্র, শিশু, সাধারণ মানুষ মরছিল স্বৈরাচারী শাসকের গুলিতে। তার ওপর যখন সে আঘাত পরিবারের সদস্যের ওপর হয়, তা ব্যাখ্যার অতীত। পর পর একাধিকবার অস্ত্রোপচারের পর এখন সে মায়ের কোলে ফিরেছে; কিন্তু ফিরেছে রক্তাক্ত সেই বেদনা নিয়ে। জীবনের বাজি নিয়ে দীপ্র এবং দীপ্রর মতো হাজারো আহত ছাত্র, শ্রমিক, সাধারণ মানুষ এখনো লড়ছে বুলেটের স্প্লিন্টার নিয়ে, হাত-পা হারিয়ে, চোখ হারিয়ে। সেইসব বীর যোদ্ধার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা এই নতুন স্বপ্নের বাংলাদেশের পবিত্র দায়িত্ব। বায়ান্নর ভাষাসৈনিকরা, একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন দিয়ে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশ ছিনিয়ে এনেছিল হায়েনার মুখ থেকে। আর চব্বিশের শহীদ আর বীর যোদ্ধারা সেই বাংলাদেশের মানুষের অধিকার আদায়ে লড়েছে, এখনো লড়ে যাচ্ছে। এই বীর সন্তানদের জানাই লাল সালাম।

কবি হেলাল হাফিজ বলেছিলেন- ‘নিউট্রন বোমা বুঝ, মানুষ বুঝ না’

যে মানুষই গণপ্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, সেই মানুষের চাওয়াকে বুঝতে হলে বুঝতে হবে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের মানবিক মূল্যবোধ, দিতে হবে নাগরিক ন্যায্য অধিকার। তবে এই হোক আমার শেষ কথা-আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী প্রজন্ম এই স্বাধীন বাংলাদেশে জন্মেছি, মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আজন্ম কৃতজ্ঞ থেকে যেন দেশের ভালোর স্বার্থে কাজ করি।

লেখক : অভিনেত্রী।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সর্বশেষ খবর
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

২০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

৬ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা