রাজধানীতে মশার কামড়ে অতিষ্ঠ মানুষ। বাসাবাড়ি, দোকানপাট, স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত সর্বত্রই মশার উপদ্রব। কিউলেক্স মশার সঙ্গে রয়েছে ডেঙ্গু মশাও। বর্তমানে ভয়াবহ এ পরিস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই সিটি করপোরেশনেরও কোনো খেয়াল নেই। এ কারণে ক্ষুব্ধ নগরবাসী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েল জ্বালিয়ে, ওষুধ ছিটিয়ে, মশারি টাঙিয়ে মশার উপদ্রব থেকে নিস্তার পাওয়ার চেষ্টা করছেন নগরীর বাসিন্দারা। কিন্তু তাতেও কাজ হচ্ছে না। দিনে বাচ্চাদের মশারি টাঙিয়ে ঘুম পাড়াতে হচ্ছে। মিরপুর দক্ষিণ পাইকপাড়ার বাসিন্দা ইমরান হোসেন বলেন, কিছুদিন ধরে এ এলাকায় মশার উপদ্রব এত বেড়েছে যে, বাসায় থাকাই দুষ্কর। রুমের ভিতর কয়েল বা স্প্রে ব্যবহার করে মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও খাওয়া বা গোসলের সময় মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হতে হচ্ছে। মোহাম্মদপুরের বসিলার শরিফ উদ্দিন বলেন, এ এলাকায় সিটি করপোরেশন মশার ওষুধ ছিটায় না। স্বাভাবিক সময় মশার কয়েল বা স্প্রে করলে মশা নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু মশার প্রজনন মৌসুমে কয়েল জ্বালিয়ে বা স্প্রে করেও মশার উপদ্রব থেকে নিস্তার পাওয়া যাচ্ছে না। এক মাস ধরে আমরা মশার উপদ্রবের মধ্যে আছি। কিন্তু সিটি করপোরেশনের কোনো কার্যক্রম লক্ষ করছি না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ১২ জন মারা গেছেন।