ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে আবদুল খলিল মিয়া (৫৫), ছেলে মো. আসিফ (২০), খলিল মিয়ার ভাই অলি মিয়া (৫০), ভাগ্নে নাছির মিয়া (২০) আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আহত খলিল মিয়া নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। গত সোমবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত অলি মিয়ার স্ত্রী সেলিনা বেগম সোমবার রাতে সন্ত্রাসী মনাকসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে নবীনগর থানায় মামলা করেছেন। আহতদের স্বজনরা জানান, সোমবার খলিল মিয়ার ভাতিজার বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। সকালের দিকে তুচ্ছ বিষয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন পিস্তল ও বন্দুক নিয়ে হামলা চালায়। এতে খলিল মিয়া, তার ছেলে, ভাই ও ভাগ্নে গুরুতর আহত হন। দ্রুত তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, সোমবার সন্ধ্যার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছিল। পরে তাদের জরুরি বিভাগের অপারেশন থিয়েটারে চিকিৎসার পর হাসপাতালে রয়েছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসী জানান, মনাক এলাকার সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে অনেক মামলা আছে। কিছুদিন আগে সেনাবাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু গত মাসে সে জামিনে বের হয়ে আসে। স্থানীয় ইউপি সদস্য আজিজুল হক বলেন, হামলায় গুলিবিদ্ধ হওযার পর অলি মিয়াসহ চারজনকে ঢাকায় পাঠানো খবর শুনেছি।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক বলেন, সোমবারের এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মনাক ডাকাতের নামে আগেই মাদক, চুরি, ডাকাতি, হত্যাসহ একাধিক মামলা আছে। বর্তমানে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।