কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় এক কিশোরীকে ছুরি ধরে তুলে নিয়ে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনার বিচারের দাবিতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা গতকাল দুপুরে দরখালী-মহেশখালী ব্রিজে ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। খবর পেয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করলে সড়ক থেকে ব্যারিকেড তুলে নেয় ছাত্র-জনতা। এর আগে গত রবিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের প্যারাবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নিন্দার ঝড় ওঠে। বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ছাত্র-জনতা।
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, ‘চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারকে নিয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। কিশোরীকে বদরখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে। কিছু আলামত পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ওই কিশোরীর বরাত দিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা জানান, বাঁশখালী আত্মীয়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে মহেশখালীর বাড়িতে যাওয়ার পথে গাড়ি নষ্ট হয়েছে বলে বদরখালী সেতুর ওপর অটোরিকশা চালক তাকে নামিয়ে দেন। এরপর কিশোরী পায়ে হেঁটে সেতু পার হচ্ছিল। এ সময় দুজন যুবক তার গতিরোধ কর। পরে আরেকজন যুবক এসে ছুরি ধরে ভয় দেখিয়ে তার মুখ চেপে ধরে বেড়িবাঁধের প্যারাবনের ভিতরে নিয়ে যায়। সেখানে চার থেকে আটজন মিলে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর কিশোরী পাশের সড়কে উঠে চিৎকার দিয়ে লোক জড়ো করে। স্থানীয় লোকজন তাকে বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।