শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৫৪, সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৭:৫৭, সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৫

সত্য সন্ধানে রজব মাস ও শবে মেরাজ

আসআদ শাহীন
অনলাইন ভার্সন
সত্য সন্ধানে রজব মাস ও শবে মেরাজ

রজব মাস ইসলাম আবির্ভাবের আগে থেকেই একটি সম্মানিত ও মর্যাদাপূর্ণ মাস হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ স্থগিত হয়ে যেত এবং শান্তি বিরাজ করত। রজব ইসলামী বর্ষপঞ্জির সপ্তম মাস, যার পূর্ণ নাম ‘রজবুল মুরাজ্জব’। এই নামকরণের কারণ হলো, রজব শব্দটি ‘তারজিব’ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ সম্মান প্রদর্শন করা।

এটি এমন একটি মাস, যা সম্মানিত ও পবিত্র হিসেবে স্বীকৃত; এই মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ নিষিদ্ধ ছিল। তাই একে ‘আল আসম রজব’ বলা হয়, যার অর্থ নীরব রজব, কারণ এই মাসে অস্ত্রের কোনো শব্দ শোনা যেত না। (লাতায়িফুল মাআরিফ, পৃষ্ঠা-২২৫)
এ ছাড়া এই মাসকে ‘আল আসাব’ বলা হয়, কারণ এই মাসে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের ওপর রহমত ও ক্ষমার বিশেষ ধারা বর্ষণ করেন। এই মাসে ইবাদত ও দোয়া বিশেষভাবে কবুল হয়।

রজব সেই চারটি পবিত্র মাসের একটি, যেগুলোর কথা কোরআনে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা ১২টি, যা আল্লাহর কিতাব (অর্থাৎ লাওহে মাহফুজ) অনুযায়ী সেই দিন থেকেই নির্ধারিত, যেদিন আল্লাহ আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছিলেন। এই ১২ মাসের মধ্যে চারটি মাস পবিত্র ও সম্মানিত।’ (সুরা : আত-তাওবা, আয়াত : ৩৬)
আবু বাকরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আল্লাহ যেদিন আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, সেদিন থেকে সময় যেভাবে আবর্তিত হচ্ছিল আজও তা সেভাবে আবর্তিত হচ্ছে।

১২ মাসে এক বছর। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত। জুলকাদাহ, জুলহিজ্জাহ ও মুহাররাম। তিনটি মাস পরস্পর রয়েছে। আর একটি মাস হলো রজব-ই-মুযার, যা জুমাদা ও শাবান মাসের মধ্যে অবস্থিত।
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩১৯৭)

উল্লেখ্য যে মুজার একটি সম্প্রদায়ের নাম। আরবের অন্যান্য সম্প্রদায় থেকে এ সম্প্রদায় রজব মাসের সম্মান প্রদর্শনে অতি কঠোর ছিল। তাই এ মাসটিকে তাদের দিকে সম্বন্ধ করে হাদিসে ‘রজব-ই-মুজার’ বলা হয়েছে।

শাহ ওয়ালি উল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভি (রহ.) বলেছেন, ‘ইব্রাহিম (আ.)-এর ধর্মে এই চার মাস ছিল সম্মান ও মর্যাদার। আল্লাহ তাআলা এই মাসগুলোর পবিত্রতা ও সম্মানকে বহাল রেখেছেন এবং আরবের মুশরিকরা যে এতে বিকৃতি ঘটিয়েছিল, তা খণ্ডন করে দিয়েছেন।’ (মাআরিফুল কুরআন লিল কান্ধলভী, খণ্ড-৩, পৃষ্ঠা-৪৩১)

২৭ রজব ও শবে মেরাজ

রজবের ২৭তম রজনীতে (২৬ তারিখ দিবাগত রাতে) প্রিয় নবী (সা.)-কে মেরাজের সফর করানো হয়েছিল বলে জনশ্রুতি আছে। যদিও মেরাজের সময়, তারিখ, মাস, এমনকি বছর সম্পর্কেও ঐতিহাসিকদের মধ্যে প্রচুর মতবিরোধ আছে। মনে রাখতে হবে যে মেরাজের রাত যে তারিখ বা মাসেই হোক না কেন, সেই রাতের জন্য শরিয়তে কোনো নির্দিষ্ট ইবাদত বর্ণিত নেই। অবশ্যই এই রাত ছিল সেই পবিত্র রাত, যখন আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রিয় নবী (সা.)-কে বিশেষ মর্যাদা ও সম্মান প্রদান করেন এবং তাঁকে আসমানসমূহে ডেকে নিয়ে বিশেষ বিশেষ উপহার দান করেন। কিন্তু এই বিষয়ে উম্মতের জন্য কোনো অতিরিক্ত ফজিলত বা বিশেষ ইবাদত নির্ধারিত নেই।

শবে মেরাজ উত্তম, নাকি শবেকদর?

শাইখুল ইসলাম আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহ.)-এর কাছে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে এই দুই রাতের (শবে কদর ও শবে মেরাজ) মধ্যে কোন রাতটি অধিক ফজিলতপূর্ণ? তিনি জবাব দিয়েছিলেন যে নবী করিম (সা.)-এর মর্যাদার দিক থেকে লাইলাতুল মেরাজ অধিক ফজিলতপূর্ণ, আর উম্মতের জন্য লাইলাতুল কদর। কারণ, লাইলাতুল মেরাজে যেসব বিশেষ পুরস্কার ও মর্যাদা প্রিয় নবী (সা.)-কে প্রদান করা হয়েছিল, তা লাইলাতুল কদরের তুলনায় অনেক বেশি। আর উম্মতের জন্য লাইলাতুল কদরে যেসব পুরস্কার নির্ধারিত হয়েছে, তা লাইলাতুল মেরাজে প্রাপ্ত পুরস্কারের চেয়েও পূর্ণতর।

যদিও উম্মতের জন্য লাইলাতুল মেরাজও একটি বড় সম্মানিত রাত, কিন্তু মূল ফজিলত ও মর্যাদা সেই মহান ব্যক্তিত্বের জন্য নির্ধারিত, যাঁকে এই মেরাজের সৌভাগ্যে ভূষিত করা হয়েছিল অর্থাৎ আমাদের প্রিয় নবী করিম (সা.)। (মাজমাউল ফতওয়া, হাদিস নম্বর-৭২৩, খণ্ড-২৫, পৃষ্ঠা-১৩০)

শবেমেরাজের সময় সম্পর্কিত বিষয়ে জুমহুর ওলামাদের (গবেষকদের) অভিমত নিম্নে উপস্থাপন করা হলো—

শবে মেরাজ কবে সংঘটিত হয়েছিল?

সিরাতবিদ ওলামায়ে কিরামদের মধ্যে এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে যে প্রিয় নবী (সা.)-কে মেরাজ কখন করানো হয়েছিল? এ বিষয়ে (অর্থাৎ মেরাজ যে বছরে ঘটেছিল) সাধারণত ১০টি মত পাওয়া যায়। বেশির ভাগ ওলামায়ে কিরামের মতে, এই ঘটনা নবুয়তপ্রাপ্তির পরে ঘটেছিল; তবে নবুয়তের ঠিক কত বছর পর এটি ঘটেছিল তা নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে।

১. ইবনে সাদ (রহ.)-এর মতে, মেরাজ হিজরতের এক বছর আগে করানো হয়েছিল।

২. ইবনে জাওজি (রহ.)-এর মতে, এটি হিজরতের অষ্টম মাস আগে ঘটেছিল।

৩. আবু রাবি ইবনে সালিম (রহ.)-এর মতে, এটি হিজরতের ছয় মাস আগে হয়েছিল।

৪. ইবরাহিম হারবি (রহ.)-এর মতে, মেরাজ হিজরতের ১১ মাস আগে ঘটেছিল।

৫. ইবনে আবদুল বার (রহ.)-এর মতে, এটি হিজরতের এক বছর দুই মাস আগে হয়েছিল।

৬. ইবনে ফারিস (রহ.)-এর মতে, এটি হিজরতের এক বছর তিন মাস আগে হয়েছিল।

৭. সাদ্দি (রহ.)-এর মতে, এটি হিজরতের এক বছর পাঁচ মাস আগে ঘটেছিল।

৮. ইবনুল আসির (রহ.)-এর মতে, এটি হিজরতের তিন বছর আগে ঘটেছিল।

৯. ইমাম জুহরি (রহ.)-এর মতে, মেরাজের ঘটনা হিজরতের পাঁচ বছর আগে ঘটে।

১০. এমন একটি মতও রয়েছে যে মেরাজ নবুয়তের আগেই হয়েছিল; তবে এই মতটি অত্যন্ত দুর্বল এবং অগ্রহণযোগ্য।

এই মতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ও প্রাধান্যপ্রাপ্ত মত হলো, মেরাজ হিজরতের এক বছর আগে ঘটেছিল। (ফাতহুল বারী, খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা-২৫৪, সুবুলুল হুদা ওয়াল রাশাদ, খণ্ড-৩, পৃষ্ঠা-৬৫)

মেরাজ কোন মাসে সংঘটিত হয়েছিল?

যেমনিভাবে মেরাজের ঘটনার বছর নিয়ে মতভেদ রয়েছে, তেমনি কোন মাসে এই মহিমান্বিত ঘটনা সংঘটিত হয়েছে তা নিয়েও ভিন্নমত রয়েছে। বিভিন্ন বর্ণনায় পাঁচ মাস অথবা ছয় মাসের উল্লেখ পাওয়া যায়।

১. বহু আলেমের মতে, মেরাজের ঘটনা রবিউল আউয়াল মাসে সংঘটিত হয়েছিল।

২. ইবরাহিম ইবনে ইসহাক আল হারবি (রহ.) বলেছেন যে মেরাজের ঘটনা রবিউস সানি মাসে ঘটেছিল।

৩. আবদুল গণি ইবনে সারওয়ার আল মাকদিসি (রহ.) রজব মাসকে এই ঘটনার সময় হিসেবে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। এই মতটিই সবচেয়ে প্রসিদ্ধ।

৪. সাদ্দি (রহ.) বলেছেন যে মেরাজ শাওয়াল মাসে ঘটেছিল।

৫. ইবনে ফারিস (রহ.) বলেছেন যে মেরাজের ঘটনা জিলহজ মাসে সংঘটিত হয়েছিল। (শারহুল মাওয়াহিব লিল জুরকানি, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-৭০, উমদাতুল কারী, খণ্ড-১৭, পৃষ্ঠা-২৭)


মেরাজ কোন রাতে সংঘটিত হয়েছিল?

আল্লামা জুরকানি (রহ.) লিখেছেন যে মেরাজের রাত সম্পর্কে তিনটি মতামত প্রসিদ্ধ। প্রথম মত হলো, এই ঘটনা শুক্রবারের রাতে সংঘটিত হয়েছিল। দ্বিতীয় মত অনুযায়ী, এটি শনিবারের রাতে ঘটেছিল এবং তৃতীয় মত হলো, মেরাজের ঘটনা সোমবারের রাতে সংঘটিত হয়েছিল। যেহেতু মেরাজের তারিখ নিয়ে বহু মতভেদ রয়েছে, তাই নির্দিষ্ট কোনো রাতের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সহজ নয়।

(সুবুলুল হুদা ওয়াল রাশাদ, খণ্ড-৩, পৃষ্ঠা-৬৫)

এই বিশদ আলোচনা থেকে যে বিষয়টি গভীরভাবে ভাবার দাবি রাখে, তাহলো মেরাজের ঘটনার বিশদ বিবরণ এত বিপুলসংখ্যক সাহাবি বর্ণনা করেছেন, কিন্তু এত বড় ঘটনার নির্দিষ্ট রাতের তারিখ কেউ উল্লেখ করেননি, কেন?

এই প্রশ্নের জবাবে মুফতি রশিদ আহমদ লুধিয়ানভি (রহ.) বলেন, ওই রাতে বিদআত ও কুসংস্কার প্রসারের আশঙ্কা প্রবল ছিল। রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং সাহাবায়ে কিরাম (রা.) সেই বিপদ প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যে এই রাতের তারিখকে অস্পষ্ট রাখাকেই প্রয়োজনীয় মনে করেছেন। (সাত মাসায়েল, পৃষ্ঠা-১৬)

 বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদ জামাত
রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদ জামাত
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদি আরবে ঈদ রবিবার
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদি আরবে ঈদ রবিবার
ঈদের তারিখ ঘোষণা করলো অস্ট্রেলিয়া
ঈদের তারিখ ঘোষণা করলো অস্ট্রেলিয়া
আজ চাঁদ উঠলে সৌদি আরবে কাল ঈদ
আজ চাঁদ উঠলে সৌদি আরবে কাল ঈদ
মুুমিন যেভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন
মুুমিন যেভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন
সর্বশেষ খবর
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

৫ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা