চুয়াডাঙ্গায় দোকানপাট বন্ধ করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে ব্যবসায়ীরা। যশোরের কাস্টমস কর্মকর্তা রাকিবুল হাসানের অপসারণ দাবি করে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বুধবার শহরের শহীদ হাসান চত্বরে সকাল ১০টা থেকে কর্মসূচিতে এ দাবি জানানো হয়। ঘুষ না পেয়ে চুয়াডাঙ্গার ব্যবসায়ী সেলিম আহমেদকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ করেন ব্যবসায়ীরা। মানববন্ধনে চুয়াডাঙ্গা শহরের কয়েকশ ব্যবসায়ী অংশ নেন।
মানববন্ধনে ব্যবসায়ি নেতারা বলেন, গত ৬ জানুয়ারি যশোরের কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার রাকিবুল হাসান ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেনসহ ১২ সদস্যের একটি দল বঙ্গ পাইপ ইন্ডাস্ট্রিতে আসেন। তারা তল্লাশির নামে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে যাচ্ছে তাই আচরণ করেন। অতিরিক্ত কমিশনার রাকিবুল হাসান প্রতিষ্ঠানের মালিক সেলিম আহমেদের কাছে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। সেলিম আহমেদ ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। এতে লজ্জায়-অপমানে বঙ্গ পিভিসির মালিক ৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার থেকে প্রতিষ্ঠানটি স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করেন। এতে শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকসহ প্রতিষ্ঠানটির উপর নির্ভরশীল পাঁচ শতাধিক পরিবার চরম অনিশ্চয়তায় পড়ে।
ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অসাধু কাস্টমস কর্মকর্তা রাকিবুল হাসানের অপসারণ ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে।
এ সময় বক্তব্য দেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের আহবায়ক ও চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ইয়াকুব হোসেন মালিক, সদস্য সচিব ও চুয়াডাঙ্গা জেলা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইবরুল হাসান জোয়ার্দ্দার ইবু, দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল কাদের জগলু, চুয়াডাঙ্গা পরিবেশক সমিতির সভাপতি মাসুদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম রিংকু প্রমুখ।
বিডি প্রতিদিন/এএ