প্রভাব বিস্তারের জের ধরে মাদারীপুরের কালকিনিতে যুবদলের দুই পক্ষের মাঝে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসময় উপজেলা যুবদলের সভাপতি প্রার্থী শামীম মোল্লাসহ পাঁচজন যুবদল কর্মী আহত হয়েছে। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শনিবার দুপুর ২টার দিকে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, উপজেলা যুবদলের সভাপতি প্রার্থীকে কেন্দ্র করে শামীম মোল্লা ও শিকদার মামুনের পক্ষের মাঝে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। তারা দুইজনই সভাপতি প্রার্থী হয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মাঝে চরম শত্রুতা সৃষ্টি হয়েছে। দুই পক্ষের মাঝে মাঠে প্রভাব বিস্তার নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
শনিবার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্রতিরোধ করতে মাঠে নামে যুবদল সভাপতি প্রার্থী শামীম মোল্লা ও শিকদার মামুনের কর্মী-সমর্থকরা। এসময় যুবদলের দুইপক্ষ সামনাসামনি হলে প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায় যুবদলের উভয়পক্ষের মাঝে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া, ইট-পাটকেল ছোড়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এতে আহত হন উপজেলা যুবদলের সভাপতি প্রার্থী শামীম মোল্লা, তার কর্মী জাহিদ, সম্রাট মোল্লা, মিন্টু ঘরামীসহ পাঁচজন। এ ঘটনার পর থেকেই ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আহত যুবদল নেতা শামীম মোল্লা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ যাতে করে মাঠে না আসতে পারে, সেই উপলক্ষে আমরা রাজপথে ছিলাম। এ সুযোগে মামুনের লোকজন আমার লোকজনকে মারধর করেছে।
যুবদল নেতা মামুন শিকদার বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
বিডি প্রতিদিন/এমআই